জুড়ীতে সামাজিক বনায়নের উপকারভোগী মনোনয়নে অনিয়মের অভিযোগ জুড়ীতে সামাজিক বনায়নের উপকারভোগী মনোনয়নে অনিয়মের অভিযোগ – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪, ১১:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় ঢলের পানিতে ডুবে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু স্পেনে যুবলীগ কাতালোনিয়া শাখার উদ্যোগে ঈদ পুনর্মিলনী ও আলোচনা মৌলভীবাজারে বন্যার পানিতে ডুবে ২ জনের মৃত্যু কুলাউড়ায় বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র পরিদর্শণ করলেন মৌলভীবাজারের জেলা প্রশাসক বড়লেখায় জেলা প্রশাসকের বন্যাদুর্গত এলাকা পরিদর্শন ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ সিলেটে ৮ জুলাই পর্যন্ত এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত কুলাউড়ায় লক্ষাধিক মানুষ পানি বন্দি, বাড়ছে পানি, বাড়ছে দুর্ভোগ! দুর্যোগ মোকাবেলায় বিশ্বে বাংলাদেশ রোলমডেল : দুর্যোগ ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী হাকালুকি হাওরপারে বন্যার অবণতি-বড়লেখায় ২৫২ গ্রাম প্লাবিত, আশ্রয় কেন্দ্রে ২২০ পরিবার, লাখো মানুষ পানিবন্দি মৌলভীবাজারে বন্যা কবলিত ৪৩২ গ্রাম, পানিবন্দি প্রায় ২ লাখ মানুষ

জুড়ীতে সামাজিক বনায়নের উপকারভোগী মনোনয়নে অনিয়মের অভিযোগ

  • বুধবার, ১৮ আগস্ট, ২০২১

লাখ লাখ টাকার আগর ও আকাশমনী গাছ পাচার

বড়লেখা প্রতিনিধি ::

মৌলভীবাজারের জুড়ী বনবিভাগের পুঁটিছড়া বনবিট কর্মকর্তা প্রদীপ চন্ড মন্ডলের বিরুদ্ধে সামাজিক বনায়নে উপকারভোগী সিলেক্টে উৎকোচ আদায়সহ নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। তার এসব অনিয়মের ব্যাপারে স্থানীয় ভুক্তভোগীরা সোমবার পরিবেশ ও বনমন্ত্রী শাহাব উদ্দিন এমপির নিকট লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার পুঁটিছড়া বিটের আওতাধীন সংরক্ষিত বনের প্রায় ২৫ হেক্টর জমিতে সামাজিক বনায়নের উদ্যোগ নেয় বনবিভাগ। এক পরিবার থেকে ১ জন উপকারভোগী নির্বাচনের নিয়ম থাকলেও পুঁটিছড়া বিট কর্মকর্তা প্রদীপ চন্ড মন্ডল প্রকৃত অনেককে বঞ্চিত করে ১৫-২০ হাজার উৎকোচ আদায় করে এক পরিবার থেকে ৩-৪ জন উপকারভোগী নিয়ে সর্বমোট নিয়োগ ৬৫ জন উপকারভোগী সিলেক্ট করেছেন। ভুক্তভোগী বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাসিম, ইউপি সদস্য নূর উদ্দিন, সাইফুল ইসলামসহ অনেকে অভিযোগে করেন, মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে নিয়ম বর্হিভুতভাবে বিট কর্মকর্তা প্রদীপ চন্ড মন্ডল স্থানীয় কাছিম আলীর পরিবার থেকে ৩ জন, আব্দুস সালাম সোহাগের পরিবার থেকে ৪ জন, সাদিম আলীর পরিবার থেকে ৩ জনসহ অসংখ্য পরিবার থেকে একাধিক ব্যক্তিকে উপকারভোগী সিলেক্ট করেছেন। এছাড়া ২০০১-০২ সালে বনায়নকৃত আগরগাছ ও ২০০৭-০৮ সালে সৃজিত লাখ লাখ টাকার আকাশমনি গাছ রাতের আধারে তিনি পাচার করেছেন।

এব্যাপারে জানতে পুঁটিছড়া বনবিট কর্মকর্তা প্রদীপ চন্দ্র মন্ডলের সাথে সোমবার ও মঙ্গলবার একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে মোবাইল ফোনবন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

বনবিভাগের জুড়ী রেঞ্জ কর্মকর্তা মো আলাউদ্দিন জানান, এসব ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না। কেউ তাকে অভিযোগ দেননি। বনমন্ত্রী বরাবরে যখন অভিযোগ দেওয়া হয়েছে, তখন উর্ধ্বতন মহল তদন্ত করে ব্যবস্থা নিবেন।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews