রমজান শুরুর পর কমলগঞ্জে কলার দাম আকাশ ছোঁয়া রমজান শুরুর পর কমলগঞ্জে কলার দাম আকাশ ছোঁয়া – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২২, ০৮:৪৯ অপরাহ্ন
ভর্তি বিজ্ঞপ্তী

কুলাউড়া উপজেলা ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নবীন চন্দ্র সরকারি মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৩ শিক্ষা বর্ষের ভর্তি বিজ্ঞপ্তী। ভর্তি জন্য বিদ্যালয় চলাকালীন সময়ে অফিস থেকে ফরম সংগ্রহ ও বিস্তারিত জানার অনুরোধ করা হইলো। প্রধান শিক্ষক

রমজান শুরুর পর কমলগঞ্জে কলার দাম আকাশ ছোঁয়া

  • সোমবার, ৪ এপ্রিল, ২০২২

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি ::

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগর, ভানুগাছ ও স্থানীয় বিভিন্ন বাজার সমুহে হঠ্যাৎ করে কলার দাম অস্বাভাবিক হয়ে উঠছে। সরকারীভাবে কলার দাম নির্ধারণ না থাকায় যে যেভাবে সম্ভব ভোক্তাদের কাছ থেকে দাম আদায় করে নিচ্ছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন রোজদারী ভোক্তা সাধারণ। রমজান মাসকে শুরু করে ব্যবসায়ীরা বাড়তি সুযোগ আদায় করে নিচ্ছেন।

সরেজমিন উপজেলার বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারের বিভিন্ন স্থানে স্থানে ব্যবসায়ীরা কলা সাজিয়ে রেখেছেন। এরমধ্যে চাম্পাকলা ও সাগর কলার সংখ্যাই বেশি। পাঁকা কলার পাশাপাশি গাছ থেকে কেটে আনা কাছা কলার ছড়িও রাখা হয়েছে। তবে সেগুলো গর্তে রেখে কিংবা কেমিক্যালের মাধ্যমে পাকানোর পর চড়া দামে বিক্রি করা হচ্ছে। শনিবার রমজানের বাজার থাকায় হাটবাজার সমুহেও কলার ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। তবে কোথাও দাম কম দেখা যায়নি। ছোট সাইজের এক ডজন পাকা চাম্পা কলা ৮০ থেকে ৯০ টাকা হারে বিক্রি করা হচ্ছে। আবার এক হালি ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সাগর কলার ক্ষেত্রে এক হালি ৪০ টাকা হিসাবে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে বাজারের এসব কলার অধিকাংশই কৃত্রিমভাবে পাকানো ও নিম্নমানের রয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিমত।

শমশেরনগর বাজারের রোজদারী ভোক্তা শাহীনুর বেগম, শামসুল ইসলাম ও জমশেদ আলী বলেন, কিছুদিন আগেও যে চাম্পা কলার হালি ছিল ১৫ টাকা রমজান মাস শুরু হতে না হতেই এখন সেই কলার হালি ৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তারা আরও বলেন, কলা ব্যবসায়ীদের কেউ তদারকি না করায় ব্যবসায়ীরা যার যার মতো দাম আদায় করে নিচ্ছে। এতে আমাদের মতো নিম্ন আয়ের রোজাদার লোকেরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।

শমশেরনগর বাজার বনিক কল্যাণ সমিতির সভাপতি আব্দুল হান্নান রমজানে কলার দাম বৃৃদ্ধির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, সুযোগ বুঝে যে যার মতো রোজদারী গ্রাহকদের কাছ থেকে কলার দাম আদায় করে নিচ্ছেন। তবে এসব বিষয় দেখভালের দায়িত্ব আমাদের নয়।

এ ব্যাপারে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আল আমীন বলেন, আসলে বাজার ঘুরে দেখা গেছে কলার দাম বেশি। তবে সরকারীভাবে কলার দাম নির্ধারণ করা না থাকায় কিছুটা সমস্যা হচ্ছে। তারপরও কোথাও অতিরিক্ত কলার দাম নেয়া হলে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন
সুরমা ব্রিকস্, ঢুলিপাড়া (মৈশাজুরী) কুলাউড়া, মৌলভীবাজার।
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫ - ২০২০
Theme Customized By BreakingNews