জুড়ীতে শিশুমৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতালে হামলা : ডাক্তারসহ আহত ৩ জুড়ীতে শিশুমৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতালে হামলা : ডাক্তারসহ আহত ৩ – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শনিবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখা ফাউন্ডেশন ইউকে’র ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ মেয়রের আন্তরিকতায় উন্নয়নের ছোঁয়া পেলো কুলাউড়া দক্ষিণবাজার থেকে স্টেশনরোড কুলাউড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের ঈদ শুভেচ্ছা কুলাউড়া মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতির ঈদ শুভেচ্ছা মৌলভীবাজার জেলা সাংবাদিক ফোরামের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন হাকালুকি হাওরে আধা পাকা বোরো ধান কাটা শুরু করেছেন কৃষকরা বড়লেখায় দুস্ত পরিবার ও ক্বিরাত প্রশিক্ষকদের শাহবাজপুর কল্যাণ সমিতি ফ্রান্সের অর্থ সহায়তা বন্যার আগাম সংকেত পাওয়া যাবে ছয় মাস পূর্বেই জুড়ীতে এ এস বি ফাউন্ডেশনের ঈদ উপহার ও ইফতার বিতরণ জুড়ীতে দারুল ক্বিরাতের পুরস্কার বিতরণ

জুড়ীতে শিশুমৃত্যুর অভিযোগে হাসপাতালে হামলা : ডাক্তারসহ আহত ৩

  • মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

জুড়ী প্রতিনিধি ::  জুড়ীতে শিশু মৃত্যুর জন্য ডাক্তারকে দায়ী করে হাসপাতালে এসে ডাক্তারের ওপর হামলা করেছে শিশুর আত্মীয় স্বজনেরা।

জানা যায়, উপজেলার ফুলতলা রোডে কিছুদিন পূর্বে যাত্রা শুরু করা এক্সপার্ট হাসপাতালে গত ১৬ ফেব্রুয়ারি জাঙ্গিরাই গ্রামের রাজিব হোসেনের গর্ভবতী স্ত্রীকে ভর্তি করার পর অপারেশনের মাধ্যমে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়। চারদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২০ ফেব্রুয়ারি নবজাতক শিশুসহ মাকে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পর শিশু পুনরায় অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের লোকজন অন্যত্র চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। সেখানের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী শিশুকে ঢাকায় একটি হাসপাতালে ভর্তি করার পর রোববার সেখানে শিশুটি মারা যায়।

এ নিয়ে শিশুর পরিবার এক্সপার্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান ও বাচ্চার চিকিৎসক খালেদ সাইফুল্লাহকে দায়ী করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেন। সোমবার বিকাল ৫টার দিকে শিশুকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। পরে রাত ৭টার দিকে শিশুর আত্মীয় স্বজনরা হাসপাতালে এসে চিকিৎসককে মারধর করেন।

এ সময় চিকিৎসককে উদ্ধার করতে গিয়ে হাসপাতালের পরিচালক বদরুল ইসলাম ও ম্যানেজার রফিকুল ইসলাম আহত হন।

শিশুর চাচা ইমন বলেন, বাচ্চা উসমানের জন্মের পর থেকে অনবরত ক্রন্দন করত, আমরা ডাক্তারকে জানালে তিনি চিকিৎসা না করে উত্তর দেন, বাচ্চাটি গল্প করছে। যখন থেকেই বাচ্চার অক্সিজেন স্বল্পতা ছিল। এ কথা চিকিৎসক খালেদ সাইফুল্লাহ আমাদেরকে বলেননি। বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পর তার সমস্যা বেশি হওয়ার কারণে অন্য চিকিৎসক এ কথা আমাদের বললে আমরা ঢাকায় নেওয়ার পর সে মারা যায়। এ জন্য আমরা ডাক্তারকে দায়ী করলে হাসপাতালের অপর পরিচালকরা এসে বিষয়টি আমাদের কাছে ক্ষমা চেয়ে সমাধান করে নেন। কিন্তু চিকিৎসক আমাদের এক আত্মীয়কে বিদেশে ফোন দিয়ে হুমকি দিয়েছেন।

হাসপাতালের ভাইস চেয়ারম্যান সাখাওয়াত হোসেন বলেন, শিশুর মৃত্যুর ঘটনাটি পরিবারের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে সমাধান হয়েছে, তারপরও তারা জানাজা শেষ করে এসে হাসপাতালে ডাক্তারের ওপর হামলা করেছে।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews