আত্রাইয়ে লকডাউনে লোকসানে শিকার মুরগি খামারিরা – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৮৬ কোটি টাকার সড়কে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ : এমপির বিরুদ্ধে কোটি টাকা চাঁদা দাবির পাল্টা অভিযোগ! কমলগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ৫৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত পল্টন ট্র্যাজেডির সাথে জড়িতদের বিচারের দাবিতে ওসমানীনগরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল পল্টন ট্রাজেডি দিবস উপলক্ষে কুলাউড়ায় জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ড. মুমিনুল হক অ্যাওয়ার্ড পেলেন চারুকলার জিয়াউল বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের ৫৫ তম শাহাদৎ বার্ষিকী : রক্তে ভেজা কমলগঞ্জের দলই সীমান্ত বড়লেখায় নিসচা’র উদ্যোগে নিয়মিত হেলমেট পরিধানকারি মোটরসাইকেল আরোহীদের সম্মাননা পাওনা পরিশোধের পর কথা কাটাকাটি- বড়লেখায় চা দোকানির রডের আঘাতে টেইলার খুন আত্রাইয়ে অর্ধশতাধিক গ্রাম পুলিশ পেলেন বাইসাইকেল আহসানগঞ্জ রেলস্টেশন থেকে  উদ্ধারকৃত ২ শিশুর পরিবারের সন্ধান চায় পুলিশ

আত্রাইয়ে লকডাউনে লোকসানে শিকার মুরগি খামারিরা

  • শুক্রবার, ৩০ জুলাই, ২০২১

Manual8 Ad Code

নাজমুল হক নাহিদ, আত্রাই (নওগাঁ) প্রতিনিধি ::

Manual2 Ad Code

নওগাঁর আত্রাইয়ে চলমান লকডাউনের প্রভাবে মুরগি খামারিদের চরম লোকসান গুণতে হচ্ছে। একদিকে কোরবানীর ঈদ অন্যদিকে চলমান লকডাউরে ফলে মুরগি খামারিদের মুরগি বিক্রি হচ্ছে না। ফলে খামারের মুরগি নিয়ে চরম বিপাকে খামার মালিকরা।

Manual1 Ad Code

জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে ছোট বড় দেড় শতাধিক মুরগির খামার রয়েছে। এসব খামারে বয়লার ও সোনালী জাতের মুরগি উৎপাদন হয়ে থাকে। খামারিরা মোটা অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করে মুরগি উৎপাদন করে থাকেন। এসব মুরগি উৎপাদনে খামার তৈরি, শ্রমিক নিয়োগ, রুটিন মতো খাবার পরিবেশন ও পরিচর্যা সব কিছু মিলিয়ে খাবারের উপযোগী মুরগি তৈরি করতে একজন খামার মালিকের অনেক অর্থ বিনিয়োগ করতে হয়। সে অনুযায়ী মুরগির দাম না থাকায় খামারিদের এখন চরম লোকসান গুণতে হচ্ছে। লকডাউনের আগে বাজারে মুরগির যে দাম ছিল তাতে তারা বেশ লাভবান হলেও এখন তাদের মুরগি বাজারজাত করতে না পারায় হতাশ হয়ে পড়েছেন। জানা যায়, লকডাউনের পূর্বে সোনালী মুরগি ২২০ থেকে ২৪০ টাকা এবং বয়লার মুরগি ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি পাইকারী বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে লকডাউনের প্রভাবে সেই সোনালী মুরগি ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা এবং বয়লার মুরগি ৯০ থেকে ১১০ টাকা কেজি পাইকারী বিক্রি হচ্ছে। তাও পাইকারী ক্রেতা অনেক কমে গেছে।

উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের মুরগি খামারি আব্দুর রশিদ মৃধা বলেন, তার খামারে প্রায় ৩ হাজার মুরগি উৎপাদন হয়ে থাকে। মুরগিগুলো বিক্রির উপযোগী হলেও লকডাউনের কারনে বিক্র করা সম্ভব হচ্ছে না। বাজারে মুরগির দাম কম। অথচ তাদের খাদ্য সামগ্রীর দাম ও শ্রমিক মজুরী অনেক বেশি। তাই বেশি খরচে মুরগি উৎপাদন করে কম মূল্যে এগুলো বিক্রি করে আমাকে অনেক লোকসান গুণতে হচ্ছে। ক্রমাগত লোকসানের কারনে তার তিন খামারের মধ্যে ইতোমধ্যেই দুইটি খামার বন্ধ হয়ে গেছে।

Manual8 Ad Code

উপজেলার সাহেবগঞ্জ বাজারে মুরগি বিক্রেতার নাজমুল হক নিরব বলেন, আগে প্রতিদিন ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার মুরগি বেচাকেনা হতো। এখন লকডাউনের কারনে মুরগির বাজারে ধস নেমে এসেছে। বর্তমানে প্রতিদিন ৫/৬ হাজার টাকা বেচাকেনা করতে হিমসিম খেতে হচ্ছে। ফলে পরিবার পরিজন নিয়েও আমাদের অনেক কষ্টে দিনাতিপাত করতে হচ্ছে।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews