কমলগঞ্জে সেচ সংকট তীব্র হচ্ছে শুকিয়ে যাচ্ছে জলাশয় – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় ওসির প্রেসব্রিফিং- গৃহবধু মুন্নির মৃত্যু আত্মহত্যা জনিত, প্ররোচনার মামলা দিলে ব্যবস্থা নিবে পুলিশ বড়লেখায় মুন্নির মৃত্যুর ঘটনায় মামলা গ্রহণ ও অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার দাবিতে মানববন্ধন বড়লেখায় নিসচা’র কর্মপরিকল্পনা সভায় টিশার্ট প্রদান ও দোয়া মাহফিল ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হলেন এম‌পি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন বিধি বর্হিভুতভাবে পরিচালনা- বড়লেখার এস.আর ব্রিকসের লাইসেন্স বাতিল জুড়ীতে বিজিবির অভিযানে ভারতীয় অবৈধ মোটরসাইকেল উদ্ধার কুলাউড়ায়  চা শ্রমিকদের  প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ  হারিছ মোহাম্মদ : নিভে গিয়েও আলো ছড়ানো নির্ভীক এক সাংবাদিক সিলেট নগরীর গ্রীনহিল কলেজের অধ্যক্ষ পদে নিয়াজ উদ্দীনের যোগদান হাকালূকির মৎস্যসম্পদ রক্ষায় অভিযান, বিপুল পরিমাণ অবৈধ জাল জব্দ

কমলগঞ্জে সেচ সংকট তীব্র হচ্ছে শুকিয়ে যাচ্ছে জলাশয়

  • শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
{"capture_mode":"AutoModule","faces":[]}

Manual3 Ad Code
প্রনীত রঞ্জন দেবনাথ, কমলগঞ্জ  (মৌলভীবাজার) ::
শুষ্ক মৌসুমে টানা খরায় শুকিয়ে যাচ্ছে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে নদী, ছড়া, পুকুর-ডোবা, খাল-বিল ও জলাশয় সমুহ। এতে কৃষকদের সেচ ও গো-খাদ্য সঙ্কট দেখা দিচ্ছে। খরার কারনে খাঁ খাঁ করছে উপজেলার মাঠঘাট। বোরো আবাদে বিভিন্ন স্থানে গভীর নলকূপে সেচ দেওয়ায় পানির স্তরও নিচে নামতে শুরু করেছে। কোন কোন স্থানে বিশুদ্ধ পানি সংকটও দেখা দিচ্ছে।
সরেজমিনে উপজেলার শমশেরনগর, পতনঊষার ও আলীনগর ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, গত নভেম্বর মাস থেকে দীর্ঘ সময়ে অনাবৃষ্টির কারনে মাঠঘাট শুকিয়ে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। কোথাও কোথাও আবাদি জমিতে সেচের অভাবে ফাটল দেখা দিচ্ছে। বোরো আবাদে গভীর ও অগভীর নলকুপ ব্যবহৃত হওয়ায় পানির স্তরও নিচে নামতে শুরু করেছে। নদী, পাহাড়ি ছড়া, খালবিল, ডোবা, পুকুর, জলাশয় সমুহ ক্রমাম্বয়ে শুকিয়ে যাচ্ছে। ফলে বোরো ক্ষেত, মৌসুমী ফল বাগানে সেচ সংকট দেখা দিচ্ছে। বৃষ্টিপাত না হওয়ায় মাঠে ঘাটে ঘাস না জন্মানোয় গবাদি পশুর খাদ্যেরও মারাত্মক অভাব বোধ করছেন কৃষকরা। মাছের প্রজননও হুমকির মুখে পড়েছে। কয়েকটি গ্রামে টিউবওয়েও কাঙ্খিত পানি উঠছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
ধূপাটিলা গ্রামের কৃষক আলমগীর হোসেন বলেন, বৃষ্টিপাত না হওয়ায় আমাদের একমাত্র পুকুরটি শুকিয়ে যাচ্ছে। এই পুকুরে যে মাছ পাওয়া যেতো সেই মাছ সারা বছর বাড়ির সাত, আটটি পরিবার ভাগ করে নিতো। এতে প্রাকৃতিক দেশীয় ও তাজা মাছ পরিবারগুলোর অনেকটা আমিষের ঘাটতি পুরন করতো। তবে পুকুর শুকিয়ে যাওয়ায় সবগুলো মাছ ও মাছের পোনা নি:শ্বেষ হয়ে যাচ্ছে।
কৃষক সামছু মিয়া বলেন, পানি সঙ্কটে ধান গাছ সঠিকভাবে বেড়ে উঠতে পারছে না। রোপিত অনেক জমি শুকিয়ে যাচ্ছে। ফলে রোগবালাই বৃদ্ধি সহ ফল কম হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। গভীর নলকূপ থেকে কোনমতে মৌসুমি ফল বাগানে কিছুটা সেচ দেওয়া হলেও তা কাঙ্খিত হচ্ছে না। এতে আম গাছেরও অনেক মুকুল ঝরে পড়ছে।
কৃষক অহিদুল ইসলাম জানান, মাঠে ঘাটে গবাদিপশুর খাবার নেই বললেই চলে। গবাদি পশু মাঠ ছেড়ে পানি খাওয়ার জন্য দৌড়ে ছুটে আসে বাড়ির পুকুরের দিকে। পুকুর শুকিয়ে যাওয়ায় গবাদি পশু নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছি।
উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার রায় জানান, এই সময়ে বৃষ্টিপাত হলে বোরো ও মৌসুমি ফলগাছের জন্য খুবই উপকার হতো। তবে কৃষকরা সেচ দিয়ে বোরো আবাদ করছেন। মৌসুমী ফল বাগানেও নলকূপ থেকে সেচ দিতে হচ্ছে। কিছুদিনের মধ্যে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!