কুড়িগ্রামে আপন চাচির বটির কোপে ২ বছরের শিশুর মাথা বিচ্ছিন্ন – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কমলগঞ্জে হীড বাংলাদেশের উদ্যোগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও এককালীন উপবৃত্তি প্রদান বহুমুখী সমস্যা আর পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে বিলীনের পথে আত্রাইয়ের ঐতিহ্যবাহী মৃৎশিল্প হত্যা মামলায় গ্রেফতার জামায়াত নেতা খিজিরের জামিন মঞ্জুর আ.লীগের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে কুড়িগ্রামে বিএনপির বিক্ষোভ ও অবস্থান কর্মসূচি পালিত  কমলগঞ্জ মেয়ের বিয়ের জন্য রাখা টাকা চুরি কমলগঞ্জে ২টি প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা আদায় আত্রাইয়ে নদীর তীরে পড়েছিল এনজিও কর্মীর মরদেহ বড়লেখায় পোনামাছ বিক্রির দায়ে ব্যবসায়ির জরিমানা বড়লেখায় দুই হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে বীজ ও সার বিতরণ বড়লেখায় ঋণগ্রস্থের হতাশায় বিষপানে যুবকের মৃত্যু

কুড়িগ্রামে আপন চাচির বটির কোপে ২ বছরের শিশুর মাথা বিচ্ছিন্ন

  • বৃহস্পতিবার, ২ মে, ২০২৪
Dead body with an blank tag. Coronavirus victim.

Manual8 Ad Code
মো: বুলবুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :: কুড়িগ্রাম সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়নে ‘চাচীর বটির কোপে’ ২ বছরের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অভিযুক্ত চাচিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৩০ এপ্রিল) দুপুরে ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের মাস্টার পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সদর থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) মাসুদুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত শিশুর নাম দিশা। সে ওই গ্রামের অটোরিকশা শ্রমিক দুলালের মেয়ে। গ্রেফতার চাচির নাম কামনা বেগম (৩২)। তিনি দুলালের বড় ভাই সাইদুল ইসলামের স্ত্রী ও নিহত শিশুর আপন বড় চাচি বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে। তবে কী কারণে এই হত্যাকান্ড তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
নিহত শিশুর মায়ের বরাতে তার আরেক চাচা ফখরুল জানান, মঙ্গলবার দুপুরে একমাত্র মেয়ে দিশাকে নিয়ে তার মা শাবনুর নদীতে কাপড় কাঁচতে জান। দিশাকে ফখরুলের স্ত্রীর কাছে দিতে বলে সাথে থাকা এক প্রতিবেশীর মাধ্যমে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু বাড়ির আঙ্গিনায় থাকা কামনা বেগম দিশাকে কোলে নেন। শাবনুর বাড়িতে ফিরে দিশাকে দেখতে না পেয়ে খোঁজ করতে থাকেন। এসময় কামনার ছেলে সিদ্দিক (১৫) কামনার ঘরে গিয়ে দিশাকে মস্তক বিচ্ছিন্ন অবস্থায় দেখতে পায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত কামনা বেগমকে আটক করে থানায় নেয়।
ফখরুল বলেন, ‘ কামনা বেগম দীর্ঘদিন ধরে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। তার চিকিৎসা চলছিল। তিনি বটি দিয়ে কুপিয়ে দিশার দেহ থেকে মাথা আলাদা করে হত্যা করেছেন। হত্যার পর তিনি সবার সামনে স্বীকার করেছে। তবে কেন তিনি শিশুটিকে এমন নির্মমভাবে হত্যা করেছেন তা বলেননি।
ঘটনার পর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওহিদুন্নবী ও সদর থানার ওসি মাসুদুর রহমান সহ পুলিশ কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
ওসি মাসুদুর রহমান বলেন, ‘ নিহতের বাবা বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত বটি উদ্ধার করা হয়েছে।’
হত্যার কারণ জানার প্রশ্নে ওসি বলেন, ‘ পরিবার ও স্থানীয়রা বলছেন যে ওই নারী মানসিকভাবে কিছুটা ভারসাম্যহীন। তবে ঠিক কী কারণে হত্যাকান্ড ঘটেছে তা তাৎক্ষণিক জানা যায়নি। তদন্ত চলছে।’#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!