বড়লেখায় আয়া প্রার্থীর দরখাস্ত গ্রহণে মাদ্রাসা অধ্যক্ষের টালবাহানা – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সি‌লে‌টের বরকতিয়া সুপার মার্কেট ব্যবসায়ী কমিটির নির্বাচনে লতিফ সভাপতি ও মুক্তাদির সম্পাদক নির্বাচিত ছাতকে ১৩০ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক ব‌্যবসা‌য়ী গ্রেপ্তার জুড়ীতে মরহুম কটন আলী মাস্টারের স্মরণে মানবিক চায়ের দোকান ১০ উদ্বোধন কমলগঞ্জের বীরাঙ্গনা স্বীকৃতির আগেই মারা গেলেন জয়গুন নাহার খানম কুলাউড়ার ভাটেরায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ওলামা লীগ নেতা সাইফুল সিদ্দেকী সেফুলের অপতৎপরতা  রাজনগরে শিক্ষকের বাড়িতে ডাকাতি : ডাকাতের হামলায় গৃহকর্তা আহত কমলগঞ্জে জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস পালিত বড়লেখায় জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবসে র‌্যালি ও আলোচনা সভা মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির কমিটির সদস্য শ্যামলী সূত্রধরকে দল থেকে অব্যাহতি থানা পুলিশের অভিযান- বড়লেখায় চুরির মামলায় গ্রেফতার ৬, স্বর্ণালংকারসহ মালামাল উদ্ধার

বড়লেখায় আয়া প্রার্থীর দরখাস্ত গ্রহণে মাদ্রাসা অধ্যক্ষের টালবাহানা

  • রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২০

Manual8 Ad Code

এইবেলা, বড়লেখা প্রতিনিধি :

Manual3 Ad Code

বড়লেখার সুজাউল সিনিয়র ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ফয়জুর রহমানের বিরুদ্ধে আয়া প্রার্থীর দরখাস্ত গ্রহণ না করার অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে আয়া পদপ্রার্থীর বাবা আয়াজ আলী ইউএনও’র নিকট লিখিত অভিযোগ করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে অনুষ্ঠিত তদন্তে জোরপুর্বক স্বাক্ষর আদায়ের অভিযোগ আবেদনকারীর।

Manual4 Ad Code

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার সুজাউল সিনিয়র ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসায় আয়া পদে ৬ আগষ্ট পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ফয়জুর রহমান। বিজ্ঞপ্তির ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন করার ঘোষণায় অত্র মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত দপ্তরী আয়াজ আলীর মেয়ে ফাতিমা বেগম দরখাস্ত প্রস্তত করেন। ১৭ আগষ্ট তার বাবা আয়াজ আলী দরখাস্ত জমা দিতে গেলে অধ্যক্ষের নির্দেশে অফিস সহকারী আব্দুস শাকুর তা গ্রহণ করেননি।

আয়াজ আলী অভিযোগ করেন নিয়োগ বাণিজ্য করতে অধ্যক্ষ তার মেয়ের দরখাস্ত গ্রহণ করেননি। জমা দেয়ার সময় মাদ্রাসার অনেক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। উপাধ্যক্ষ হাবিবুর রহমানের শরনাপন্ন হলে তিনি বলেন, ‘অধ্যক্ষ তোমার মেয়ের দরখাস্ত নিতে নিষেধ করেছেন।’

এদিকে ইউএনও’র নিকট অভিযোগ করায় তাকে না জানিয়ে গত বৃহস্পতিবার ঘটনার তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়। অধ্যক্ষ তাকে খবর দিয়ে মাদ্রাসায় নিয়ে আটকে রাখেন। অভিযোগ প্রমাণের সুযোগ না দিয়ে খন্ডকালিন শিক্ষক এজাজুর রহমান, নাইটগার্ড খলিলুর রহমান ও ঝাড়ুদার মজনুল ইসলামকে দিয়ে জোরপুর্বক স্বাক্ষর আদায় করেন।

Manual7 Ad Code

অধ্যক্ষ ফয়জুর রহমান জানান, নির্ধারিত সময়ের পর দরখাস্ত নিয়ে আসায় তিনি আয়াজ আলীর মেয়ের আবেদন গ্রহণ করেননি। তদন্তে জোরপুর্বক স্বাক্ষর আদায়ের অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হাওলাদার আজিজুল ইসলাম জানান, ইউএনও’র নির্দেশে তিনি একাডেমিক সুপারভাইজারকে অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব দেন। অভিযোগ প্রমাণের দায়িত্ব যেমন অভিযোগকারীর, ঠিক তেমনি তাকে সুযোগ দেয়ার দায়িত্ব অধ্যক্ষ ও তদন্ত কর্মকর্তার। খোজ নিয়ে তিনি এব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।#

Manual8 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews