বড়লেখায় আয়া প্রার্থীর দরখাস্ত গ্রহণে মাদ্রাসা অধ্যক্ষের টালবাহানা – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ১১:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুলাউড়ার শাহজালাল উচ্চ বিদ্যালয়ে এমপি শওকতুল ইসলামকে সংবর্ধনা  বড়লেখা সিজুম্যা আদালত প্রাঙ্গণে পুবালী ব্যাংকের বৃক্ষরোপন কর্মসূচি কুলাউড়ায় অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ সাড়ে ৩ বছরের শিশুকন্যাকে হত্যার দায়ে পিতার মৃত্যুদন্ড কমলগঞ্জে এসএসসি-২০২৬ এর জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা প্রদান কুলাউড়ায় জয়চন্ডী ইউনিয়ন বিএনপি নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার নাগেশ্বরীর একটি ডোবা থেকে অজ্ঞাতপরিচয়  যুবকের মরদেহ উদ্ধার শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে সরকার- শওকতুল ইসলাম এমপি বড়লেখায় ভারতীয় মহিষকান্ডে ভুয়া রশিদদাতা ইজারাদারসহ ৩ জনের নামে বিজিবির মামলা আত্রাইয়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

বড়লেখায় আয়া প্রার্থীর দরখাস্ত গ্রহণে মাদ্রাসা অধ্যক্ষের টালবাহানা

  • রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২০

Manual7 Ad Code

এইবেলা, বড়লেখা প্রতিনিধি :

Manual6 Ad Code

বড়লেখার সুজাউল সিনিয়র ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ফয়জুর রহমানের বিরুদ্ধে আয়া প্রার্থীর দরখাস্ত গ্রহণ না করার অভিযোগ উঠেছে। এব্যাপারে আয়া পদপ্রার্থীর বাবা আয়াজ আলী ইউএনও’র নিকট লিখিত অভিযোগ করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে অনুষ্ঠিত তদন্তে জোরপুর্বক স্বাক্ষর আদায়ের অভিযোগ আবেদনকারীর।

Manual2 Ad Code

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার সুজাউল সিনিয়র ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসায় আয়া পদে ৬ আগষ্ট পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেন মাদ্রাসার অধ্যক্ষ ফয়জুর রহমান। বিজ্ঞপ্তির ১৫ দিনের মধ্যে আবেদন করার ঘোষণায় অত্র মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত দপ্তরী আয়াজ আলীর মেয়ে ফাতিমা বেগম দরখাস্ত প্রস্তত করেন। ১৭ আগষ্ট তার বাবা আয়াজ আলী দরখাস্ত জমা দিতে গেলে অধ্যক্ষের নির্দেশে অফিস সহকারী আব্দুস শাকুর তা গ্রহণ করেননি।

Manual1 Ad Code

আয়াজ আলী অভিযোগ করেন নিয়োগ বাণিজ্য করতে অধ্যক্ষ তার মেয়ের দরখাস্ত গ্রহণ করেননি। জমা দেয়ার সময় মাদ্রাসার অনেক শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। উপাধ্যক্ষ হাবিবুর রহমানের শরনাপন্ন হলে তিনি বলেন, ‘অধ্যক্ষ তোমার মেয়ের দরখাস্ত নিতে নিষেধ করেছেন।’

Manual1 Ad Code

এদিকে ইউএনও’র নিকট অভিযোগ করায় তাকে না জানিয়ে গত বৃহস্পতিবার ঘটনার তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়। অধ্যক্ষ তাকে খবর দিয়ে মাদ্রাসায় নিয়ে আটকে রাখেন। অভিযোগ প্রমাণের সুযোগ না দিয়ে খন্ডকালিন শিক্ষক এজাজুর রহমান, নাইটগার্ড খলিলুর রহমান ও ঝাড়ুদার মজনুল ইসলামকে দিয়ে জোরপুর্বক স্বাক্ষর আদায় করেন।

অধ্যক্ষ ফয়জুর রহমান জানান, নির্ধারিত সময়ের পর দরখাস্ত নিয়ে আসায় তিনি আয়াজ আলীর মেয়ের আবেদন গ্রহণ করেননি। তদন্তে জোরপুর্বক স্বাক্ষর আদায়ের অভিযোগও তিনি অস্বীকার করেন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার হাওলাদার আজিজুল ইসলাম জানান, ইউএনও’র নির্দেশে তিনি একাডেমিক সুপারভাইজারকে অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব দেন। অভিযোগ প্রমাণের দায়িত্ব যেমন অভিযোগকারীর, ঠিক তেমনি তাকে সুযোগ দেয়ার দায়িত্ব অধ্যক্ষ ও তদন্ত কর্মকর্তার। খোজ নিয়ে তিনি এব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!