বাবা আমার – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় মশক নিধনে এমপির নেতৃত্বে সমন্বিত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান জুড়ীতে প্রবাসী সমাজসেবক মাহবুব হাসান সাচ্চুর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ওসমানীনগর আব্দুল আজিজ ফাউন্ডেশনের  খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ছাতকে ব্যবসার নামে অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র প্রাণনাশের হুমকি : থানায় অভিযোগ কমলগঞ্জের খুচরা দোকানগুলোতে জ্বালানি তেল সংকটে দুর্ভোগ বড়লেখার সুজানগর ইউনিয়ন বিএনপির ইফতার মাহফিল আত্রাইয়ে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা কমলগঞ্জে বছরের প্রথম কালবৈশাখি ঝড়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা লন্ডভন্ড কমলগঞ্জে মণিপুরি ললিতকলা একাডেমীর পরিচালকের দায়িত্ব পেলেন ইউএনও নাগেশ্বরীতে ইউনিসেফের অর্থায়নে বাল্যবিবাহ বন্ধে সংলাপ ও ইন্টারেক্টিভ সভা

বাবা আমার

  • শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১

Manual8 Ad Code

বাবা আমার
তৌহিদুর রহমান

বাবা ছিলেন ভীষণ রাগী,
কিছু হলেই দিতেন জারি;
বলতেন‌ দুনিয়াতে কে এসেছে আগে,
আমি নাকি তুই।
এরপর কি আর কথা থাকে
বিশেষ এক দুই।

আমার যখন জন্ম হলো
সেই মেলা আগে;
বাবা নাকি হলেন খুশি
যেন তিনি শিশু কালে।
ডেকে ডেকে সবাইকে
আমার কথা বলে।

Manual8 Ad Code

যদিও আমি ছিলাম কালো,
দেখতে ন‌ই মোটেও ভালো;
তবুও কি বাবার মন মানে,
তাঁর সবটুকু ভালোবাসা
ছিল আমার পানে।

যখন‌ই কোন অসুখ হতো,
কষ্ট গুলো আমি ন‌ই
বাবাই যেন পেতো।

খাল, টিলা আর জঙ্গল পেরিয়ে,
ছুটতেন তিনি ডাক্তারখানায়;
ঔষধ নিয়ে আসতেন যখন,
পা দুখানা থাকতো ভরা কাদায়।

আমার নাকি অসুখ হলে,
থাকতো না তাঁর সেন্স;
তাইতো তাঁর ঘাড়
হয়ে যেত আমার অ্যাম্বুলেন্স।

Manual3 Ad Code

জিয়া বলে ডাকতেন আমায়,
বড় মধুর সে ডাক;
যদিও আরেকটি নাম আছে আমার,
থাক এখন সে কথা থাক।

আমার ছিল টিভির নেশা,
আমরা ছিলাম গরীব চাষা;
টিভি পাবো ক‌ই?
তাইতো অন্যের বাড়ি
টিভি দেখতে ব‌ই।

টারজান হতো টিভিতে,
থাকতো রেসলিং;
দেখতে দেখতে সন্ধ্যা হয়ে
যেত কোনদিন।

Manual1 Ad Code

খুঁজে বাবা বের করে
আনতো বাড়িতে;
উত্তম মধ্যম কম হতো না
রেসলিং এর চেয়ে।

আমাদের অঞ্চল তখন
পাটকলে ভরা;
একটু বড় হলেই
সবার চাকুরী ধরা।

বাবা আমার চাননি তা,
চেয়েছিলেন পড়ালেখায় থাকুক তারা;
যদিও তাঁর খরচ বেশি,
এখানে আমরা আর বাড়িতে দাদারা।

Manual4 Ad Code

একে একে মেট্রিক, আইএ,
বিএ, এম‌এ দিলাম পাস;
কি খুশি তাঁর,
গর্বে ফুলে উঠলো বুকের পাশ।

গ্ৰামে হলো তিন এম‌এ,
তাতে আছে ছেলের নাম;
সাইন্স থেকে সে’ই একা,
বলে চলে অবিরাম।

লেখাপড়া শেষ করে
চাকুরী একটা যোগালাম;
কাছে নয় সে বহু দূরে,
শ্রীমঙ্গল তার‌ই নাম।

কিন্তু বাবা বলে উঠলেন
এতো দূরে না গেলাম;
বহু কষ্টে রাজি করে
ঘরের বাইরে পা দিলাম।
(অসমাপ্ত)

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!