বাবা আমার – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ০২:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভূরুঙ্গামারীতে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  ওসমানীনগরে ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে ধারালো অস্ত্রসহ আটক ৩ ছাতকে উপজেলা প্রশাসন ও গ্রামবাসীর অভিযানে ২২ অবৈধ ড্রেজার জব্দ কুলাউড়ায় একশ পিছ ইয়াবাসহ পুলিশী অভিযানে ৭ জন গ্রেপ্তার ​কুড়িগ্রামে নদী ভাঙনের হাত থেকে রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ কুলাউড়ায় মনু নদী থেকে অবৈধভাবে বালু বিক্রির দায়ে ইউপি সদস্যের জরিমানা  বড়লেখা প্রেসক্লাবে মতবিনিময় সভা- ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, মানুষের কল্যাণেই রাজনীতি করি : শরীফুল হক সাজু সংবেদনশীল মানুষ হতে হলে বই পড়তে হবে – যুগ্ম সচিব মোস্তফা মোরশেদ কুলাউড়া পৌরসভায় আইইউজিআইপি প্রকল্প বাস্তবায়নে কচ্ছপ গতি জনদূর্ভোগ চরমে বৃটেনের কার্ডিফ জালালিয়া মসজিদের নতুন কমিটি গঠন

বাবা আমার

  • শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১

Manual4 Ad Code

বাবা আমার
তৌহিদুর রহমান

Manual6 Ad Code

বাবা ছিলেন ভীষণ রাগী,
কিছু হলেই দিতেন জারি;
বলতেন‌ দুনিয়াতে কে এসেছে আগে,
আমি নাকি তুই।
এরপর কি আর কথা থাকে
বিশেষ এক দুই।

আমার যখন জন্ম হলো
সেই মেলা আগে;
বাবা নাকি হলেন খুশি
যেন তিনি শিশু কালে।
ডেকে ডেকে সবাইকে
আমার কথা বলে।

যদিও আমি ছিলাম কালো,
দেখতে ন‌ই মোটেও ভালো;
তবুও কি বাবার মন মানে,
তাঁর সবটুকু ভালোবাসা
ছিল আমার পানে।

Manual2 Ad Code

যখন‌ই কোন অসুখ হতো,
কষ্ট গুলো আমি ন‌ই
বাবাই যেন পেতো।

খাল, টিলা আর জঙ্গল পেরিয়ে,
ছুটতেন তিনি ডাক্তারখানায়;
ঔষধ নিয়ে আসতেন যখন,
পা দুখানা থাকতো ভরা কাদায়।

আমার নাকি অসুখ হলে,
থাকতো না তাঁর সেন্স;
তাইতো তাঁর ঘাড়
হয়ে যেত আমার অ্যাম্বুলেন্স।

জিয়া বলে ডাকতেন আমায়,
বড় মধুর সে ডাক;
যদিও আরেকটি নাম আছে আমার,
থাক এখন সে কথা থাক।

আমার ছিল টিভির নেশা,
আমরা ছিলাম গরীব চাষা;
টিভি পাবো ক‌ই?
তাইতো অন্যের বাড়ি
টিভি দেখতে ব‌ই।

টারজান হতো টিভিতে,
থাকতো রেসলিং;
দেখতে দেখতে সন্ধ্যা হয়ে
যেত কোনদিন।

Manual7 Ad Code

খুঁজে বাবা বের করে
আনতো বাড়িতে;
উত্তম মধ্যম কম হতো না
রেসলিং এর চেয়ে।

আমাদের অঞ্চল তখন
পাটকলে ভরা;
একটু বড় হলেই
সবার চাকুরী ধরা।

Manual4 Ad Code

বাবা আমার চাননি তা,
চেয়েছিলেন পড়ালেখায় থাকুক তারা;
যদিও তাঁর খরচ বেশি,
এখানে আমরা আর বাড়িতে দাদারা।

একে একে মেট্রিক, আইএ,
বিএ, এম‌এ দিলাম পাস;
কি খুশি তাঁর,
গর্বে ফুলে উঠলো বুকের পাশ।

গ্ৰামে হলো তিন এম‌এ,
তাতে আছে ছেলের নাম;
সাইন্স থেকে সে’ই একা,
বলে চলে অবিরাম।

লেখাপড়া শেষ করে
চাকুরী একটা যোগালাম;
কাছে নয় সে বহু দূরে,
শ্রীমঙ্গল তার‌ই নাম।

কিন্তু বাবা বলে উঠলেন
এতো দূরে না গেলাম;
বহু কষ্টে রাজি করে
ঘরের বাইরে পা দিলাম।
(অসমাপ্ত)

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!