বাবা আমার – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় ব্যতিক্রমী কর্মসূচি ‘শেষ বিদায়ের সাজ’র উদ্বোধন কুড়িগ্রামে পরিবেশ বান্ধব গ্রাম ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণে শেয়ারিং ও উদযাপন  জুড়ীতে অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার কুলাউড়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে সীমানা দেয়াল নির্মাণ : ১০ হাজার টাকা জরিমানা নবীগঞ্জে প্রাইমারী বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কুলাউড়ার লংলা কলেজে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আত্রাইয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণের শুভ উদ্বোধন  আত্রাইয়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন  ওসমানীনগর উপজেলা হাসপাতালের মেডিকের অফিসার ছুটি না নিয়েই সাড়ে ৩ মাস ধরে কানাডায় ডা. শাহিনুর কুলাউড়ার পৃথিমপাশা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে এমবিবিএস  ডাক্তার নিয়োগ ও ২৫ শয্যা হাসপাতালে উন্নীতকরণের দাবিতে মানববন্ধন

বাবা আমার

  • শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১

Manual6 Ad Code

বাবা আমার
তৌহিদুর রহমান

Manual1 Ad Code

বাবা ছিলেন ভীষণ রাগী,
কিছু হলেই দিতেন জারি;
বলতেন‌ দুনিয়াতে কে এসেছে আগে,
আমি নাকি তুই।
এরপর কি আর কথা থাকে
বিশেষ এক দুই।

আমার যখন জন্ম হলো
সেই মেলা আগে;
বাবা নাকি হলেন খুশি
যেন তিনি শিশু কালে।
ডেকে ডেকে সবাইকে
আমার কথা বলে।

যদিও আমি ছিলাম কালো,
দেখতে ন‌ই মোটেও ভালো;
তবুও কি বাবার মন মানে,
তাঁর সবটুকু ভালোবাসা
ছিল আমার পানে।

যখন‌ই কোন অসুখ হতো,
কষ্ট গুলো আমি ন‌ই
বাবাই যেন পেতো।

Manual8 Ad Code

খাল, টিলা আর জঙ্গল পেরিয়ে,
ছুটতেন তিনি ডাক্তারখানায়;
ঔষধ নিয়ে আসতেন যখন,
পা দুখানা থাকতো ভরা কাদায়।

আমার নাকি অসুখ হলে,
থাকতো না তাঁর সেন্স;
তাইতো তাঁর ঘাড়
হয়ে যেত আমার অ্যাম্বুলেন্স।

জিয়া বলে ডাকতেন আমায়,
বড় মধুর সে ডাক;
যদিও আরেকটি নাম আছে আমার,
থাক এখন সে কথা থাক।

আমার ছিল টিভির নেশা,
আমরা ছিলাম গরীব চাষা;
টিভি পাবো ক‌ই?
তাইতো অন্যের বাড়ি
টিভি দেখতে ব‌ই।

টারজান হতো টিভিতে,
থাকতো রেসলিং;
দেখতে দেখতে সন্ধ্যা হয়ে
যেত কোনদিন।

খুঁজে বাবা বের করে
আনতো বাড়িতে;
উত্তম মধ্যম কম হতো না
রেসলিং এর চেয়ে।

Manual3 Ad Code

আমাদের অঞ্চল তখন
পাটকলে ভরা;
একটু বড় হলেই
সবার চাকুরী ধরা।

বাবা আমার চাননি তা,
চেয়েছিলেন পড়ালেখায় থাকুক তারা;
যদিও তাঁর খরচ বেশি,
এখানে আমরা আর বাড়িতে দাদারা।

Manual4 Ad Code

একে একে মেট্রিক, আইএ,
বিএ, এম‌এ দিলাম পাস;
কি খুশি তাঁর,
গর্বে ফুলে উঠলো বুকের পাশ।

গ্ৰামে হলো তিন এম‌এ,
তাতে আছে ছেলের নাম;
সাইন্স থেকে সে’ই একা,
বলে চলে অবিরাম।

লেখাপড়া শেষ করে
চাকুরী একটা যোগালাম;
কাছে নয় সে বহু দূরে,
শ্রীমঙ্গল তার‌ই নাম।

কিন্তু বাবা বলে উঠলেন
এতো দূরে না গেলাম;
বহু কষ্টে রাজি করে
ঘরের বাইরে পা দিলাম।
(অসমাপ্ত)

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!