কুলাউড়া উপজেলা প্রকৌশলীর অনিয়ম দুর্নীতির তদন্ত সম্পন্ন – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জুড়ীতে অবশেষে সেই ছাত্র সমন্বয়কের বিরুদ্ধে মামলা বড়লেখায় অগ্নিকান্ডে বিধবার বসতঘর পুড়ে ছাই, ভস্মিভুত প্রতিবেশির প্রাইভেট কার বিজিবির বিশেষ অভিযান- বিয়ানীবাজারে ৫ টন ভারতীয় অবৈধ জিরা আটক জুড়ীতে ইউপি সদস্যকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা : সন্ধিগ্ধ আসামি গ্রেফতার এআই ভিডিও নিয়ে নাসের রহমানের সতর্কবার্তা কুড়িগ্রামে মাঠ পর্যায়ে প্রকল্পের কার্যক্রম বাস্তবায়নে শেয়ারিং কর্মশালা সুনামগঞ্জ-৫:  দুই দশক পর ধানের শীষের গণজোয়ার মৌলভীবাজার -২ (কুলাউড়া) বাসদ প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী মাঠে জিন বিজ্ঞানী ড. আবেদ চৌধূরী কুলাউড়ায় আ.লীগ নেতার বিএনপিতে যোগদান এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া বড়লেখায় ‘সমাজসেবায় মানবিক ফাউন্ডেশন’র শীতবস্ত্র বিতরণ

কুলাউড়া উপজেলা প্রকৌশলীর অনিয়ম দুর্নীতির তদন্ত সম্পন্ন

  • রবিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২২

Manual6 Ad Code

তদন্ত কমিটির সম্মুখে ঘুষ গ্রহণসহ অনিয়ম দুর্নীতির প্রমাণ দিলেন অভিযোগকারীরা

এইবেলা, কুলাউড়া  ::

Manual4 Ad Code

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার এলজিইডি প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম মৃধার বিরুদ্ধে ঘুষবাণিজ্য ও অনিয়মের বিরুদ্ধে তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার (২৮ আগস্ট) কুলাউড়া উপজেলা কার্যালয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী নুরুল হুদার নেতৃত্বে ৩ সদস্যের কমিটি অভিযোগের তদন্ত করেন।

তদন্ত কমিটির প্রধান নুরুল হুদার উপস্থিতিতে উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ভুক্তভোগী চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, এলজিইডি ঠিকাদারসহ অর্ধশতাধিক অভিযোগকারী উপজেলার এলজিইডি প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম মৃধার বিরুদ্ধে ঘুষবাণিজ্য ও অনিয়মের তথ্য তুলে ধরেন। সেই সাথে অভিযুক্ত উপজেলা প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম মৃধাকে প্রত্যাহার ও বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

কমিটির প্রধান নুরুল হুদা ছাড়াও এসময় উপস্থিত ছিলেন সিলেটে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী নির্মল কুমার বিশ্বাস ও মৌলভীবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী আজিম উদ্দিন সরকার।

Manual7 Ad Code

অভিযোগকারীরা জানান, বরাদ্দকৃত কাজের বিল পাস করাতে হলে আমিনুল ইসলাম মৃধাকে ১০ পার্সেন্ট থেকে ২০ পার্সেন্ট কমিশন দিতে হয়। নতুবা তিনি কোন বিলের ছাড়পত্রে স্বাক্ষর করেন না। টাকা ছাড়া একাধিকবার তাঁর কাছে গেলে কোন কাজ হয় না। এমনকি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংস্কার কাজের ২ লাখ টাকা বরাদ্দেও তাঁকে ৫ হাজার টাকা করে দিতে হয়েছে প্রধান শিক্ষিকাকে। টাকা না দিলে কাজের প্রত্যয়ন দিতে চান না আমিনুল ইসলাম মৃধা। শিকক্ষদের সাথে খারাপ আচরণেরও অভিযোগ করেন।

Manual7 Ad Code

এ ছাড়াও তদন্ত কমিটির প্রধান নুরুল হুদাকে উপস্থিত ইউপি চেয়ারম্যানরা জানান, মাস দেড়েক আগে কুলাউড়ার ১৩টি ইউনিয়নের চেয়ারম্যানরা উপজেলার মাসিক সমন্বয় সভায় আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে এসব অনিয়ম ও সেচ্ছ্বাচারিতার অভিযোগ এনে অনাস্থা প্রস্তাব করেন। বিষয়টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে তিনি সম্প্রতি কৌশলে নানা প্রতারণার আশ্রয় নেন। ইউপি চেয়ারম্যানদের ‘আমার গ্রাম,আমার শহর’ প্রকল্পের নামে ৮ থেকে ১০ কোটি টাকার প্রকল্প জমা দিতে বলেন। প্রকল্প তৈরী করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে জমা দিলে, অভিযুক্ত প্রকৌশলী (আমিনুল) জানান এটি সরাসরি তাঁর কাছে জমা দিতে হবে। তখন তাঁদের কাছে বিষয়টি ধরা পড়ে এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে বিষয়টি খুলে বলেন। কয়েকটি ইউনিয়নের স্থানীয়দের কাছে এরকম বিশাল প্রকল্পের বরাদ্দ হবে বিষয়টি জানাজানি হলে এটি নিয়ে বিভ্রান্তিতে পড়েন কয়েকজন চেয়ারম্যান। মুলত নিজের অপকর্ম আড়াল করতে তিনি প্রকল্পের নামে চেয়ারম্যানদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাঁর শেষ রক্ষা হয়নি।

Manual7 Ad Code

কর্মধা ইউপি চেয়ারম্যান মুহিবুল ইসলাম আজাদ জানান, তিন সপ্তাহ আগে প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম মৃধা আমাকে জানান ‘আমার গ্রাম,আমার শহর’ প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি ইউনিয়নে ৮ থেকে ১০ কোটি টাকার উন্নয়ন বরাদ্দ পাওয়া যাবে। এজন্য স্কীম আকারে প্রকল্প তৈরী করে দিতে হবে। আমি তাঁর কথায় প্রকল্প তৈরী করে দিয়েছিলাম। বিষয়টি আমার ইউনিয়নের বাসিন্দারা জেনে আনন্দে মিষ্টি বিতরণ করেছেন। পরে জানতে পারি এ প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি ইউনিয়নে এরকম বিশাল বাজেটের কোন বরাদ্দ নেই। তাঁর এরকম প্রতারণায় আমার এলাকার স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে বিভ্রান্তিতে পড়েছি।

বিষয়টি জানতে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর কুলাউড়া উপজেলা কার্যালয়ের প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম মৃদার মোবাইলে একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।

৩ সদস্যের কমিটির প্রধান নুরুল হুদা তদন্ত শেষে সাংবাদিকদের জানান, সবার সামনে তদন্ত অনুষ্ঠিত হলো। আমরা তদন্ত প্রতিবেদন যথাসময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে জমা করবো। যেহেতু বিষয়টি তদন্তাধীন, তাই এর বেশি আর কিছু বলতে চাই না।

উল্লেখ্য, কুলাউড়া উপজেলা প্রকৌশলী আমিনুল ইসলাম মুধার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ এনে উপজেলার ১৩ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন। স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী শেখ মোহাম্মদ মহসিন সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতে বিষয়টি অধিদপ্তরের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী নুরুল হুদার নেতৃত্বে ৩ সদস্যের কমিটি গঠন করেন এবং বিষয়টি তদন্তক্রমে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেন।#

সংবাদটি শেয়ার করুন


Deprecated: File Theme without comments.php is deprecated since version 3.0.0 with no alternative available. Please include a comments.php template in your theme. in /home/eibela12/public_html/wp-includes/functions.php on line 6121

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!