পর্যটকদের জন্য ‘মদিনা ভাই’য়ের বাঁশির সুর ও হাতের তালি – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় মশক নিধনে এমপির নেতৃত্বে সমন্বিত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান জুড়ীতে প্রবাসী সমাজসেবক মাহবুব হাসান সাচ্চুর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ওসমানীনগর আব্দুল আজিজ ফাউন্ডেশনের  খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ছাতকে ব্যবসার নামে অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র প্রাণনাশের হুমকি : থানায় অভিযোগ কমলগঞ্জের খুচরা দোকানগুলোতে জ্বালানি তেল সংকটে দুর্ভোগ বড়লেখার সুজানগর ইউনিয়ন বিএনপির ইফতার মাহফিল আত্রাইয়ে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা কমলগঞ্জে বছরের প্রথম কালবৈশাখি ঝড়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা লন্ডভন্ড কমলগঞ্জে মণিপুরি ললিতকলা একাডেমীর পরিচালকের দায়িত্ব পেলেন ইউএনও নাগেশ্বরীতে ইউনিসেফের অর্থায়নে বাল্যবিবাহ বন্ধে সংলাপ ও ইন্টারেক্টিভ সভা

 পর্যটকদের জন্য ‘মদিনা ভাই’য়ের বাঁশির সুর ও হাতের তালি

  • রবিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২২

Manual4 Ad Code

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি :: অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। প্রতিদিন দেশ-বিদেশের পর্যটকসহ স্থানীয় লোকজনের সমাগম ঘটে এখানে। সবুজ প্রকৃতি দেখে মুগ্ধ পর্যটকদের জন্য সেখানে বাড়তি পাওনা হচ্ছে ‘মদিনা ভাই’য়ের বাঁশির সুর ও হাতের তালি।

শুধু বাঁশির সুর বললে ভুল হবে, বাঁশি বাজানোর পাশাপাশি কখনো হাতে তালি দিয়ে গান গাইয়ে অবাক করে দেন ঘুরতে আশা দর্শকদের। পেশায় তিনি আইসক্রিম ও আচার বিক্রেতা। বাঁশি বাজানো এখন তাঁর নেশা। কোমরে সব সময় দুই থেকে তিনটি বাঁশি থাকে। আবার ঘুমানোর সময়েও বাঁশি থাকে বালিশের নিচে। পরিচিতজন ও পর্যটকেরা আবদার করলে আনন্দের সঙ্গে হাতে তুলে নেন বাঁশি তার সাথে গানও করেন। তিন সন্তানের জনক মদিনা ভাই ভাটিয়ালি, দেশাত্ববোধক পল্লি­গীতি, ভাওয়াইয়া ও মুর্শিদি গান ভালোবাসেন। এই গানগুলোরই সুর তোলেন বাঁশিতে ও হাতের তালিতে।

Manual4 Ad Code

আলাপকালে মদিনা জানান, লোকজন মদিনা ভাই ডাকতে ডাকতে এখন ‘মদিনা ভাই’ নামেই তাঁকে সবাই চেনে। জানালেন, তাঁর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে। ১৫ বছর বয়সে তিনি চলে আসেন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাঘমারা গ্রামে। দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে তিনি এই উপজেলায় বসবাস করছেন। ভ্যান, রিকশা চালিয়ে কিংবা দিনমজুরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন একসময়। বয়স হয়ে যাওয়ায় আইসক্রিম বিক্রি ও আচাঁরকেই এখন পেশা হিসেবে নিয়েছেন।কিন্তু আইসক্রিম ও আচার আর এখন চলে না। মানুষ খায় না। তাই হাতে বাঁশি নিয়েই ঘোরেন। বাঁশি বাজিয়ে পর্যটকদের আকৃষ্ট করেন। তাঁদের অনেকে মুগ্ধ হয়ে একপর্যায়ে আইসক্রিম কিনে নেন। এর সঙ্গে তিনি যুক্ত করেছেন জাদু প্রদর্শন।

Manual2 Ad Code

ঢাকা থেকে আগত পর্যটক জিনাত রায়হানা ও আকাশ জামান বলেন, চারপাশে সবুজ গাছ, পাখির কলকাকলি আর মদিনা ভাইয়ের বাঁশির সুর এক অনন্য পরিবেশ তৈরি হয়েছে এখানে। বিষয়টি মুগ্ধ করার মতো। বেড়াতে আসাটাই অনেক বেশি উপভোগ্য হয়েছে বাঁশির সুরে। তিনি আরো বলেন,আমরা এর আগেও লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে এসেছি কিন্তু মদিনা ভাইয়ের গান শুনিনি,আজ আরো ভালো লাগছে আমাদের সাথে খুলনা থেকে আমার মামা মামীরা আসছেন তাদের কাছে খুুবই ভালো লাগছে এখানকার পরিবেশ।

Manual4 Ad Code

কমলগঞ্জ ট্যুর গাইডার আহাদ জানান,কমলগঞ্জের লাউয়াছড়ায় দেশি-বিদেশি পর্যটকেরা প্রায়ই ভিড় করে মদিনা ভাইয়ের বাঁশির সুর ও গান শোনেন। পর্যটকদের বাড়তি আনন্দ দেন তিনি।

মদিনা জানান, বড় ভাই আবদুর রহিমের কাছ থেকে বাঁশি বাজানো শিখেছেন। ভানুগাছ বাজারে যাদু প্রদর্শনকারীদের কাছ থেকে যাদুগুলো শিখেছেন। গান গেয়ে ও বাঁশি বাজিয়ে মানুষকে আনন্দ দিয়ে নিজেরও খুব আনন্দ হয়। সংসারে অনেক টানাপোড়েন, রোজগারও কম। তবে রোজগার কম হলে যে আনন্দ থাকবে না, এমন কোনো কথা তো নেই।তিনি আরো বলেন,এখন গানই জীবন গানই মরন। হয়তো কোনো একদিন বড় কোনো মঞ্চে উঠে বাঁশি বাজাবেন এমন আকাঙ্ক্ষা তাঁর।#

Manual3 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!