পর্যটকদের জন্য ‘মদিনা ভাই’য়ের বাঁশির সুর ও হাতের তালি – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬, ০২:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুলাউড়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার : ইয়াবা-দেশীয় মদ ও টাকা উদ্ধার  রাজনগরের একই পরিবারের ১১ দৃষ্টি প্রতিবন্ধির পাশে মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসন বড়লেখায় প্রবাসির স্ত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টা : ২ যুবককে পুলিশে সোপর্দ আত্রাইয়ে ২ মাদকসেবীর এক মাসের কারাদন্ড ও জরিমানা আত্রাইয়ে কাজির আগে হাজির ইউএনও : বন্ধ হলো বাল্যবিয়ে আকস্মিক আত্রাই থানা পরিদর্শনে নওগাঁ পুলিশ সুপার আত্রাইয়ে শুরু হলো কৃষক কার্ডের তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম সংরক্ষিত বন ধ্বংস করে অবৈধ বালু উত্তোলন:  ছাতকে দেড় কোটি টাকার ক্ষতি কুলাউড়ায় অনলাইন ৪ জুয়াড়ীসহ ৭ জন আটক জর্জিয়ায় বড়লেখার ইটালি প্রবাসির মৃত্যু- লাশ পৌঁছে দিতে সরকারের প্রতি বাবা-মা ও স্ত্রীর আকুতি

 পর্যটকদের জন্য ‘মদিনা ভাই’য়ের বাঁশির সুর ও হাতের তালি

  • রবিবার, ২৮ আগস্ট, ২০২২

Manual2 Ad Code

কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি :: অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। প্রতিদিন দেশ-বিদেশের পর্যটকসহ স্থানীয় লোকজনের সমাগম ঘটে এখানে। সবুজ প্রকৃতি দেখে মুগ্ধ পর্যটকদের জন্য সেখানে বাড়তি পাওনা হচ্ছে ‘মদিনা ভাই’য়ের বাঁশির সুর ও হাতের তালি।

Manual8 Ad Code

শুধু বাঁশির সুর বললে ভুল হবে, বাঁশি বাজানোর পাশাপাশি কখনো হাতে তালি দিয়ে গান গাইয়ে অবাক করে দেন ঘুরতে আশা দর্শকদের। পেশায় তিনি আইসক্রিম ও আচার বিক্রেতা। বাঁশি বাজানো এখন তাঁর নেশা। কোমরে সব সময় দুই থেকে তিনটি বাঁশি থাকে। আবার ঘুমানোর সময়েও বাঁশি থাকে বালিশের নিচে। পরিচিতজন ও পর্যটকেরা আবদার করলে আনন্দের সঙ্গে হাতে তুলে নেন বাঁশি তার সাথে গানও করেন। তিন সন্তানের জনক মদিনা ভাই ভাটিয়ালি, দেশাত্ববোধক পল্লি­গীতি, ভাওয়াইয়া ও মুর্শিদি গান ভালোবাসেন। এই গানগুলোরই সুর তোলেন বাঁশিতে ও হাতের তালিতে।

Manual5 Ad Code

আলাপকালে মদিনা জানান, লোকজন মদিনা ভাই ডাকতে ডাকতে এখন ‘মদিনা ভাই’ নামেই তাঁকে সবাই চেনে। জানালেন, তাঁর বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে। ১৫ বছর বয়সে তিনি চলে আসেন মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাঘমারা গ্রামে। দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে তিনি এই উপজেলায় বসবাস করছেন। ভ্যান, রিকশা চালিয়ে কিংবা দিনমজুরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন একসময়। বয়স হয়ে যাওয়ায় আইসক্রিম বিক্রি ও আচাঁরকেই এখন পেশা হিসেবে নিয়েছেন।কিন্তু আইসক্রিম ও আচার আর এখন চলে না। মানুষ খায় না। তাই হাতে বাঁশি নিয়েই ঘোরেন। বাঁশি বাজিয়ে পর্যটকদের আকৃষ্ট করেন। তাঁদের অনেকে মুগ্ধ হয়ে একপর্যায়ে আইসক্রিম কিনে নেন। এর সঙ্গে তিনি যুক্ত করেছেন জাদু প্রদর্শন।

Manual6 Ad Code

ঢাকা থেকে আগত পর্যটক জিনাত রায়হানা ও আকাশ জামান বলেন, চারপাশে সবুজ গাছ, পাখির কলকাকলি আর মদিনা ভাইয়ের বাঁশির সুর এক অনন্য পরিবেশ তৈরি হয়েছে এখানে। বিষয়টি মুগ্ধ করার মতো। বেড়াতে আসাটাই অনেক বেশি উপভোগ্য হয়েছে বাঁশির সুরে। তিনি আরো বলেন,আমরা এর আগেও লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে এসেছি কিন্তু মদিনা ভাইয়ের গান শুনিনি,আজ আরো ভালো লাগছে আমাদের সাথে খুলনা থেকে আমার মামা মামীরা আসছেন তাদের কাছে খুুবই ভালো লাগছে এখানকার পরিবেশ।

কমলগঞ্জ ট্যুর গাইডার আহাদ জানান,কমলগঞ্জের লাউয়াছড়ায় দেশি-বিদেশি পর্যটকেরা প্রায়ই ভিড় করে মদিনা ভাইয়ের বাঁশির সুর ও গান শোনেন। পর্যটকদের বাড়তি আনন্দ দেন তিনি।

মদিনা জানান, বড় ভাই আবদুর রহিমের কাছ থেকে বাঁশি বাজানো শিখেছেন। ভানুগাছ বাজারে যাদু প্রদর্শনকারীদের কাছ থেকে যাদুগুলো শিখেছেন। গান গেয়ে ও বাঁশি বাজিয়ে মানুষকে আনন্দ দিয়ে নিজেরও খুব আনন্দ হয়। সংসারে অনেক টানাপোড়েন, রোজগারও কম। তবে রোজগার কম হলে যে আনন্দ থাকবে না, এমন কোনো কথা তো নেই।তিনি আরো বলেন,এখন গানই জীবন গানই মরন। হয়তো কোনো একদিন বড় কোনো মঞ্চে উঠে বাঁশি বাজাবেন এমন আকাঙ্ক্ষা তাঁর।#

Manual2 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!