কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতাল প্রশাসনিক কাজ করেন ওয়ার্ডবয় ! – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে ৯ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল : জেলায় পাসের হার ৪০.৭২%  ওসমানীনগরে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ৩ দফা দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ সিলেট চন্ডীপুল সিএনজি স্টেশনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় : যাত্রীদের হয়রানী দেশের কৃষি ও কৃষকরা উন্নত হলে দেশ-জাতির উন্নতি সাধন সম্ভব –কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এমপি ছাত‌কে ৮শ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ‘মুল্লা’ ছালেককে কারাগা‌রে বিদেশমুখীতা ও অভিভাবকদের সচেতনতার অভাবে এ অঞ্চলে শিক্ষারহার নিম্নগামী- তাহসিনা রুশদী লুনা কচাকাটা ডিগ্রি কলেজ নিয়ে অপ্রচার : তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এলাকাবাসী কমলগঞ্জের জমি বিক্রি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় যুবক নিহত : আটক ১ বড়লেখায় মাদ্রাসার একাডেমিক ভবন : দেড় বছরের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে ৭ বছর পার! বড়লেখায় কেএসকেপি’র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন : সভাপতি তোফায়েল, সম্পাদক মুর্শেদ আলম

কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতাল প্রশাসনিক কাজ করেন ওয়ার্ডবয় !

  • বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল, ২০২৬

Manual4 Ad Code
মোঃ বুলবুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ::
মানহীনসেবা, চিকিৎসক সংকট, অপরিচ্ছন্ন পরিবেশসহ নানা অভিযোগের স্বর্গে রাজ্যে পরিণত হয়েছে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল (সদর হাসপাতাল)। আর এই অভিযোগ আউট সোর্সিং এ নিয়োগ পাওয়া কর্মীদের বিরুদ্ধে। যিনি আয়ার পদে খন্ডকালীন নিয়োগ পেয়েছেন তিনি করছেন ডাটা এন্ট্রি অথবা টিকিট বিক্রির কাজ। আবার যিনি নিয়োগ পেয়েছেন ওয়ার্ডবয় পদে তিনি করছেন প্রশাসনিক কাজ। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন এতে করে যেমন জনবলের অপচয় হচ্ছে অন্যদিকে সেবাগৃহীতা পাচ্ছেনা উপযুক্ত সেবা।
সূত্র বলছে, ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসে আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে আয়া পদে খন্ডকালীন নিয়োগ পেয়েছেন নুসরাত জাহান ও মৌসুমি বেগম। তবে কোনো এক বিশেষ সুপারিশের জন্য তারা কেউ কাজ করছেন না এই পদে। নুসরাত জাহান করছেন গাইনী বিভাগে টিকেট বিতরণের কাজ। আর মৌসুমি বেগম করছেন শিশু বিভাগ (৫ম) তালায় ডাটা এন্ট্রির কাজ। তবে নিয়োগের শর্ত অনুযায়ী তাদের দুজনের দায়িত্ব হাসপাতালের পরিবেশ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা। তবে তারা সেটা না করে করছেন বিকল্প সুবিধাজনক কাজ। একই সময়ে শাহরিয়া ইসলাম সিয়াম ও আবু তালহা ওর্য়াড বয় পদে আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে নিয়োগ পেয়েছেন। তাদের দায়িত্বও মূলত হাসপাতালের পরিবেশ পরিষ্কার- পরিচ্ছন্ন রাখা। কিন্তু তারা দু জনেই দায়িত্ব পালন করছেন হাসপাতালের ২০৭ নং কক্ষের প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে। ব্যবহার করছেন সরকারি কম্পিউটারর ও। যা বিধিসম্মত নয়। আর এ সব জেনেশুনেও  নির্বকার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
গোপনে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় শাহরিয়ার আলম সিয়াম কাজ করছেন হাসপাতালের ২০৭ নম্বর কক্ষে। তিনি এখানে মূলত করছেন দাপ্তরিক কাজ। আর আবু তালহা একই কক্ষে করছেন কম্পিউটার অপারেটরের কাজ। যেটি মূলত করার কথা একজন রাজস্বের কর্মচারীর। তারা দুজই নিয়োগ পেয়েছেন আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে। হাসপাতালের নতুন ভবনের ৪ তালা (শিশু ওয়ার্ড) সেখানে পাওয়া গেল মৌসুমী বেগমকে তিনি সেখানে করছেন ডাটা এট্রির কাজ। অথচ তার করার কথা ছিলো আয়া ( পরিস্কার- পরিচ্ছন্নতার) কাজ। একই ভবনের নিচতলায় এএনসিপিএনসি কর্ণারে পাওয়া যায় নুসরাত বেগমকে। তিনি সেখানে গর্ভবতী নারীদের দিচ্ছেন টিকেট। অথচ তিনিও সেখানে নিয়োগ পেয়েছেন আউট সোর্সিং এর মাধ্যমে আয়া পোস্টে।
কথা হয় শাহরিয়া ইসলাম সিয়ামের সাথে। তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের সব প্রশ্নশুনে তিনি বলেন,আমি এখন ব্যস্ত আছি, পরে কথা বলবো। একাধিকবার ফোনে যোগাযোগ করার জন্য আবু তালহা ফোন করলেও তিনি তা ধরেন নি। নুসরাত জাহানকে একাধিকবার চেষ্টা করলেও তিনি ফোন ধরেন নি। অভিযোগের বিষয়ে মৌসুমি বেগম সাথে কথা বলতে তিনিও সব প্রশ্ন শুনে ফোন কেটে দেন।
অভিযোগের বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায় নুর নেওয়াজ আহমেদ বলেন, আমাদের হাসপাতালে লোকজনবল সংকট। তারি মধ্যে দুজনক বদলি দেয়া হয়েছে। আমরা নানা সংকটের মধ্যে কাজ করে যাচ্ছি। যারা দক্ষ তাদেরকে দাপ্তরিক কাজ করতে দেয়া হয়েছে। তা না হলে দাপ্তরিক কাজগুলো থমে যাবে। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, না এখানে কাইকে কোনো বাড়তি সুবিধা দেয়া হচ্ছে না।
কুড়িগ্রাম ২ আসনের সাংসদ আতিকুর রহমান মোজাহিদ বলেন, ‘ যার যেখানে নিয়োগ তিনি সেখানে কাজ করবেন। এর বাইরে কাজ করার কোনো সুযোগ নেই। যদি কেই তা করে তাহলে তা বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews