স্কোয়াশের বাম্পার ফলন : কৃষক সাদিকের চোখে-মুখে তৃপ্তির হাসি! – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় মশক নিধনে এমপির নেতৃত্বে সমন্বিত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান জুড়ীতে প্রবাসী সমাজসেবক মাহবুব হাসান সাচ্চুর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ওসমানীনগর আব্দুল আজিজ ফাউন্ডেশনের  খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ছাতকে ব্যবসার নামে অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র প্রাণনাশের হুমকি : থানায় অভিযোগ কমলগঞ্জের খুচরা দোকানগুলোতে জ্বালানি তেল সংকটে দুর্ভোগ বড়লেখার সুজানগর ইউনিয়ন বিএনপির ইফতার মাহফিল আত্রাইয়ে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা কমলগঞ্জে বছরের প্রথম কালবৈশাখি ঝড়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা লন্ডভন্ড কমলগঞ্জে মণিপুরি ললিতকলা একাডেমীর পরিচালকের দায়িত্ব পেলেন ইউএনও নাগেশ্বরীতে ইউনিসেফের অর্থায়নে বাল্যবিবাহ বন্ধে সংলাপ ও ইন্টারেক্টিভ সভা

স্কোয়াশের বাম্পার ফলন : কৃষক সাদিকের চোখে-মুখে তৃপ্তির হাসি!

  • মঙ্গলবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২১

Manual7 Ad Code

আবদুল আহাদ ::

Manual6 Ad Code

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় বিদেশি জাতীয় সবজি ‘স্কোয়াশ’ চাষ করে চমক দেখিয়েছেন সাদিক মিয়া নামক এক যুবক। নিজের ফলানো সবজি বিক্রি করে তিনি আজ অনেকটা স্বাবলম্বী। বিদেশি সবজি চাষে তার এই সফলতা দেখে গ্রামের অনেকেই এখন আগ্রহী হয়েছেন।

সরেজমিনে জানা যায়, কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল ইউনিয়নের পশ্চিম খাদিমপাড়া গ্রামের সাদিক মিয়া প্রাইভেট একটি চাকুরি করেন। সেই চাকুরিতে তার নুন আনতে পান্তা ফুরায়। অভাব আর দেন-ধারে অনেকটা হতাশায় ভুগছিলেন তিনি। গত দু’মাস আগে স্থানীয় উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তার মাধ্যমে উপজেলায় এসে কৃষিকর্মকর্তাকে সবজি চাষের আগ্রহতা দেখান। এসময় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মোমিন তাকে নতুন জাতের বিদেশী সবজি স্কোয়াশ চাষ করার পরামর্শ দেন এবং সাধ্যনুযায়ী সহযোগীতা করার আশ্বস্থ করেন।

Manual5 Ad Code

নতুন জাতের বিদেশী সবজি শুনে বেশ আগ্রহী হয়ে উঠেন সাদিক মিয়া। অনেকটা ধার-দেনা করে নিজের ৯০ শতক জমিতে শুরু করেন স্কোয়াশ চাষ। কৃষি অফিসের নিয়মানুসারে চাষ করায় মাত্র আড়াই মাসে স্কোয়াশের বাম্পার ফলন পেয়েছেন তিনি। আর এই বাম্পার ফলনে সাদিকের চোখে-মুখে এখন তৃপ্তির হাসি।

কৃষক সাদিক মিয়া বলেন, কুলাউড়া কৃষি অফিসের মাধ্যমে এই সবজির বিষয়ে জানতে পেরে আগ্রহী হয়ে উঠি। কৃষি কর্মকর্তার আন্তরিক সহযোগিতায় ৫০-৬০ হাজার টাকা খরছ করে ৯০ শতক জমিতে প্রায় আড়াই হাজার স্কোয়াশ চারা রোপন করি। প্রতিটি গাছেই -১২১০ টি পর্যন্ত ফল এসেছে এবং একেকটি স্কোয়াশের ওজন এক থেকে দেড় কেজি পর্যন্ত হয়েছে। তাতে এই মৌসুমে স্কোয়াশগুলো বিক্রি করে আড়াই থেকে ৩ লক্ষ টাকা পাবো বলে আশা করছি। সাদিক মিয়া আরও বলেন, এই ফলটি খেতে খুব সু-স্বাধু। অনেকটা মিষ্টি কুমড়ার মতো। বর্তমানে এলাকার অনেকেই এসে এটি সম্পর্কে জেনে নিচ্ছেন এবং স্কোয়াশ চাষ করতে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

Manual3 Ad Code

কুলাউড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল মোমিন জানান, স্কোয়াশ বিদেশি সবজি হলেও আমাদের দেশের বিভিন্ন এলাকায় এর চাষাবাদ এখন হচ্ছে। সাধারণত দোআঁশ মাটিতে এর ফলন ভালো হয়। স্কোয়াশ ভিটামিন ‘এ’ ও ‘সি’ এবং আয়রনসহ বিভিন্ন পুষ্টিগুণে ভরা একটি সবজি। কুলাউড়ায় পরীক্ষামূলক চাষে বেশ সফল হয়েছেন কৃষক সাদিক মিয়া। তাছাড়া এক বিঘা জমিতে ধান চাষ করে খরছ বাদে ১০-১৫ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব হয়। অপরদিকে এক বিঘা জমিতে স্কোয়াশ চাষ করে সব খরছ বাদে লাখ টাকা আয় করা সম্ভব।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!