বড়লেখায় অবৈধ চক্ষু ক্যাম্প : মুচলেকায় ছাড়া বড়লেখায় অবৈধ চক্ষু ক্যাম্প : মুচলেকায় ছাড়া – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ১৭ অগাস্ট ২০২২, ০৯:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাংবাদিক আব্দুল বাছিত খানের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে জুড়ীতে মানববন্ধন দায়সারাভাবে শোকদিবস পালন-বড়লেখায় চার প্রধান শিক্ষককে শোকজ বড়লেখায় চাচা-ভাতিজার ঝগড়া থামাতে গিয়ে হার্ট এ্যাটাকে মারা গেলেন বৃদ্ধা কমলগঞ্জ সাংবাদিকের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের বড়লেখায় বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী পালন ও রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল কুলাউড়ায় ধান ক্ষেতের পাশ থেকে যুবকের লাশ উদ্ধার কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাক্ষাৎ বড়লেখায় হত্যা চেষ্টা মামলার রায়- ইউপি মেম্বারসহ ৩ আসামীর সশ্রম কারাদণ্ড ওসমানীনগরে বঙ্গবন্ধুর ৪৭ তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত কুলাউড়ায় ইয়াবা ব্যবসায়ী আটকে এলাকায় আনন্দ মিছিল

বড়লেখায় অবৈধ চক্ষু ক্যাম্প : মুচলেকায় ছাড়া

  • শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০

এইবেলা, বড়লেখা প্রতিনিধি ::

বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের হলরুমে বৃহস্পতিবার নিয়ম বহির্ভুতভাবে দি ক্যাপিটাল চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসক পরিচয়ে চক্ষুরোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছিল ৩ ব্যক্তি। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় স্বাস্থ্য ক্যাম্প চালানোর যথযথ নিয়ম অনুসরণ না করায় ইউএনও’র নির্দেশে দুপুরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শুভ্রাংশু দে চক্ষু ক্যাম্পটি বন্ধ করে দেন। পরে মুচলেকায় ছাড়া পায় আয়োজক ৩ ব্যক্তি।

জানা গেছে, জনৈক মো. ফোরকান, অনুপ কুমার ও স্যাকমো মিয়া মো. রায়হান নিজেদের ঢাকার দি ক্যাপিটাল চক্ষু হাসপাতালের চিকিৎসক পরিচয়ে বিগত কয়েক বছর ধরে বড়লেখা, জুড়ী ও কুলাউড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চক্ষু রোগীদের চিকিৎসার জন্য ক্যাম্প খুলে চক্ষু রোগী দেখছে। ৩০ টাকা ফি’র আড়ালে চড়া দামে চশমা ও ওধুষ বিক্রি এবং কন্টাক্টের মাধ্যমে চোখের ছানিপড়া রোগীদের অপারেশনের জন্য বিপুল পরিমান অর্থ হাতিয়ে নেয়াই তাদের মুল টার্গেট। বুধবার উপজেলার দক্ষিণভাগ দক্ষিণ ইউনিয়নের আনাচে-কানাছে প্রচারণা চালিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে তারা চক্ষুরোগী দেখা শুরু করে। ২৬ জন রোগীকে ব্যবস্থাপত্র, চশমা ও ওষুধ দেয়ার পর প্রশাসনের নির্দেশে আয়োজকরা চক্ষু ক্যাম্পটি বন্ধ করেন।

মৌলভীবাজার সিভিল সার্জন ডা. মো. তৌহিদুর রহমান জানান, উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (সেকমো) কোন চক্ষু ক্যাম্প করতে পারেন না। এছাড়া এলাকায় যেকোন স্বাস্থ্য ক্যাম্প চালাতে হলে স্বাস্থ্য বিভাগ ও উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করতে হয়।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. শুভ্রাংশু দে জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ও ইউএনও’কে চক্ষু শিবিরের ব্যাপারে আয়োজকরা কিছুই জানায়নি। বৈধ কাগজপত্র না থাকায় ইউএনও মো. শামীম আল ইমরানের নির্দেশে তিনি নিয়ম বহির্ভুত এ চক্ষু ক্যাম্পটি বন্ধ করে দেন। বড়লেখায় ভবিষ্যতে এধরণের কোন অবৈধ কার্যক্রম করবে না মর্মে মুচলেকা দেয়ায় আয়োজকদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫ - ২০২০
Theme Customized By BreakingNews