বড়লেখায় নদী ভরাট করে দেয়াল নির্মাণ  বড়লেখায় নদী ভরাট করে দেয়াল নির্মাণ  – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১, ১২:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শ্রীমঙ্গলে করোনাকালীন সংকটে স্বাস্থ্যসেবার বর্তমান অবস্থা নিয়ে মতবিনিময় শীতের আগমনী বার্তায় আত্রাইয়ে খেজুর রস সংগ্রহে ব্যস্ত গাছিরা কুলাউড়া পৌরসভার আয়োজনে সম্প্রীতি শোভাযাত্রা মৌলভীবাজার জাতীয় পার্টির দুই নেতা বহিষ্কার কমলগঞ্জে চা জনগোষ্ঠি প্রতিবন্ধী উন্নয়ন পরিষদের সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধন ‘বীর নিবাস’ এর গুণগতমান বজায় রাখুন-মুক্তিযুদ্ধ বিষয়কমন্ত্রী বড়লেখায় দুই রিয়াজের হাতে উপজেলা জাতীয় পার্টি দায়িত্ব সাম্প্রদায়িক সহিংসতার প্রতিবাদে কমলগঞ্জে বিক্ষোভ সমাবেশ মানববন্ধন ও স্মারকলিপি শান্তি  বড়লেখায় প্রাক্তন শিক্ষক খুন : ৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল

বড়লেখায় নদী ভরাট করে দেয়াল নির্মাণ 

  • বুধবার, ১০ মার্চ, ২০২১
  • ১২১ বার পড়া হয়েছে

বড়লেখা প্রতিনিধি ::

বড়লেখা উপজেলার বর্নি ইউনিয়নের গোদাম বাজারের পূর্ব পাশ দিয়ে হাকালুকি হাওরে প্রবাহমান নোয়াখাল নদীর পূর্ব তীর ভরাট করে পাকা দেয়াল নির্মাণ করছে স্থানীয় প্রভাবশালী রুনি বেগম ও ফারুক উদ্দিন।

এতে বর্ষায় উজানের ৭ গ্রামের বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনে ও কৃষকের নদীর তীরবর্তী রাস্তা দিয়ে হাকালুকি হাওরে যাতায়াতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির আশংকা দেখা দিয়েছে। এব্যাপারে এলাকাবাসী ইউএনও বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

সরেজমিন ও অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার বর্নি ইউনিয়নের গোদামবাজারের পূর্ব পাশ দিয়ে প্রবাহমান নোয়াখাল নদী হাকালুকি হাওরে পতিত হয়েছে। বর্ষায় এ নদী দিয়ে উজানের গগড়া, মুর্শিবাদকুরা, খুটাউরা, ধর্মদেহী, উত্তর বাগীরপার, অহিরকুঞ্জি ও বর্নি গ্রামের বৃষ্টির পানি নিষ্কাষিত হয়। এছাড়া নদীর তীরবর্তী রাস্তা দিয়ে কয়েক গ্রামের কৃষক কৃষিকাজ ও গরু চরাতে হাওরে যাতায়াত করেন। গত ১৫ দিন পূর্বে গোদামবাজার সংলগ্ন ব্রীজের পূর্ব-দক্ষিণ পাশের বাসিন্দা প্রভাবশালী রুনি বেগম ও ফারুক উদ্দিন নদীর পূর্বাংশ টিনের বেড়ায় আড়াল দিয়ে নদী ভরাট শুরু করেন। এরপর নদী ও নদী তীরবর্তী রাস্তা ভিতরে ঢুকিয়ে পাকা দেয়াল (প্রাচীর) নির্মাণ করতে থাকেন।

সরেজমিনে গেলে স্থানীয় বাসিন্দা সাবেক ইউপি মেম্বার আব্দুন নুর, সাহাব উদ্দিন, মোছলেহ উদ্দিন, হাবিবুর রহমান, মুক্তিযোদ্ধা রিয়াজ উদ্দিন প্রমুখ জানান, রুনি বেগম ও ফারুক উদ্দিন প্রথমে টিনের বেড়া দিয়ে নদীর একাংশ ভরাট করেন। এরপর দেয়াল নির্মাণ শুরু করেন। আমরা বাধা দিলে মানেননি। পরে ইউএনও’র কাছে লিখিত অভিযোগ দেই। এ নদী দিয়ে উজানের ৭ গ্রামের পানি নিষ্কাশিত হয়। শত শত কৃষক নদী তীরবর্তী রাস্তা দিয়ে কৃষি কাজ ও গরু চরাতে হাকালুকি হাওরে যাতায়াত করেন। তারা নদী ভরাট ও পাকা দেয়াল নির্মাণ করলে উজানের পানি নিষ্কাশন ও যাতায়াতে মারাত্মক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হবে।

হাকালুকি তহশীল অফিসের সহকারী ভুমি কর্মকর্তা মতিউর রহমান জানান, ইউএনও ও সহকারী কমিশনার (ভুমি)’র নির্দেশে তিনি মঙ্গলবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। নদীর সীমানা নির্ধারণ নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত তাদেরকে নির্মাণ কাজ বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। জরীপে সরকারী জায়গা প্রমানিত হলে সীমানা প্রাচীর অপসারণ করা হবে।

এব্যাপারে জানতে অভিযুক্ত রুনি বেগম ও ফারুক উদ্দিনের বাড়িতে গিয়ে তাদেরকে পাওয়া যায়নি। তাদের নিয়োজিত রাজমিস্ত্রি আলী মিয়া জানান, তারা ফেঞ্চুগঞ্জে গেছেন, মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন না। এজন্য তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০১৫ - ২০২০
Theme Customized By BreakingNews