জুড়ীতে বোনের জায়গা আত্মসাতে হীন মানসিকতা! জুড়ীতে বোনের জায়গা আত্মসাতে হীন মানসিকতা! – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ০৫ মার্চ ২০২৪, ০৬:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জুড়ীতে স্থানীয় দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিষয়ক পরিকল্পনা প্রণয়ন কর্মশালা বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অবহিতকরণ সভা বড়লেখার এমরানের কানাডা যাওয়ার স্বপ্ন কেড়ে নিল ঘাতক ট্রাক কমলগঞ্জে বিশ্ব বন্যপ্রাণী দিবস পালিত চুনারুঘাটে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ : যুবক আটক কুড়িগ্রামে ছাত্রলীগ কর্মী বাবলু হত্যা মামলায় ২০ মাস পর ইউপি চেয়ারম্যান কারাগারে ঋতুরাজ বসন্তে প্রকৃতিতে আম্র মুকুল ঘ্রাণ ছড়াচ্ছে স্ব মহিমায় বাংলাদেশ জাতীয় চা শ্রমিক জোট কুলাউড়ার গাজীপুর চা বাগান কমিটি গঠন সময়ের আলো ‘আলো’ হয়ে জ্বলুক অবিরাম : এমপি নাদেল রাজনগর থেকে ট্রাক বোঝাই ৩৮০ বস্তা ভারতীয় চিনি আটক

জুড়ীতে বোনের জায়গা আত্মসাতে হীন মানসিকতা!

  • বুধবার, ৪ আগস্ট, ২০২১

জুড়ী প্রতিনিধি ::

মৌলভীবাজারের জুড়ীতে বোনের জায়গা আত্মসাৎ করার হীনমানসে ভাগ্নির ঘর ভেঙ্গে দিলেন মামা হারিছ মিয়া। ভাগ্নি সুলতানা বেগম অবুঝ ২ মেয়ে শিশু নিয়ে খোলা আকাশের নিচে বাস করছেন। ঘটনাটি গত ৩১ জুলাই শনিবার উপজেলার জায়ফরনগর ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামে ঘটেছে।

সুলতানা বেগমের অভিযোগ- শাহপুর গ্রামের মৃত মন্তাজ আলীর ২ ছেলে হারিছ মিয়া ও তাহির মিয়া এবং এক মেয়ে আমার মা সোনাবান বিবি। বাড়িতে মন্তাজ আলীর ৬ শতাংশ জমির মধ্যে আমার মা ১.২০ শতাংশের মালিক। এই জমিতে মামা হারিছ আলীর বানানো ঢালাই দেয়া ঘরে টিনের বেড়া দিয়ে আমি আমার স্বামী ও সন্তানদের নিয়ে বসবাস করছি। এরই মধ্যে আমার অন্য নানাদের বিক্রি করা জায়গা আমার মা ও মামারা ক্রয় করেন। যেখানে আমার মা ক্রয় সূত্রে ১০ শতাংশ জমির মালিক, আমার মা সোনাবান বিবির নামে যার মাঠ পর্চা রয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি আমার মামা হারিছ মিয়া উক্ত জমি আত্মসাৎ করার লক্ষ্যে মিথ্যা নাটক সাজাচ্ছেন।

আমাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়ার জন্য আমার ঘরের বেড়া ভেঙ্গে বিছানাপত্র ও যাবতীয় আসবাবপত্র ভেঙ্গে জমিতে ফেলে দেন এবং খড় দিয়ে ঘর দখল করে নেন। আমার স্বামী ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। আমি দুই বাচ্চা নিয়ে খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছি। সুলতানা বেগম তার মায়ের ১১.২০ শতক জায়গা পাওয়াসহ ন্যায় বিচার দাবি করেন।

অভিযুক্ত হারিছ মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন- আমার বোন সোনাবানের ১.২০ শতাংশ জমি আমি দিতে বাধ্য। কিন্তু তিনি আমার অজান্তে আমার ১০ শতাংশ জমি তার নামে রেকর্ড করে নিয়েছেন।

সুলতানা বেগমের অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে স্থানীয় ওয়ার্ড সদস্য মতছিন আলী, গ্রামের বিশিষ্ট মুরব্বী লালা মিয়া, আইয়বুর রহমান, পাখি মিয়া, জালাল উদ্দিন প্রমুখ বলেন- এ বিষয়ে গ্রামবাসী কয়েকটি বৈঠকে মিলিত হয়ে যে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় হারিছ মিয়া কোন সিদ্ধান্তই মানেন না।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews