বড়লেখায় স্থান হচ্ছে না আশ্রয় কেন্দ্রে, বানভাসিরা চরম দুর্ভোগে বড়লেখায় স্থান হচ্ছে না আশ্রয় কেন্দ্রে, বানভাসিরা চরম দুর্ভোগে – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৪, ০৫:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কমলগঞ্জে বিনা ধান-২৫ এর পরীক্ষামূলক চাষাবাদে বাম্পার ফলন কমলগঞ্জে গলায় ফাঁস দিয়ে চা শ্রমিকের আত্মহত্যা কুলাউড়া ইউনিয়ন ওয়াটসান কমিটির ওয়াশ বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কুড়িগ্রামে সাপের কামড়ে প্রাণ গেলো কৃষকের   রাজারহাটে বাল্য বিবাহ বন্ধে লোকসংগীত ও পথ নাটক কুলাউড়া পৌরসভার ২য় মেধাবৃত্তি পরীক্ষার পুরস্কার বিতরণ বৃহত্তর সিলেট জেলা অনলাইন প্রেসক্লাবের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত কুলাউড়ায় ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত নারীর মৃত্যু নিহত ওসি মোস্তাফিজের স্মৃতিতে নির্মিত গোলঘর ‘প্রেরণা’র উদ্বোধন করলেন প্রতিমন্ত্রী শফিক চৌধুরী এমপি মনু নদীর চাতলাঘাটে আইন অমান্য করে বালু উত্তোলন : বিপর্যস্ত হচ্ছে পরিবেশ

বড়লেখায় স্থান হচ্ছে না আশ্রয় কেন্দ্রে, বানভাসিরা চরম দুর্ভোগে

  • সোমবার, ২০ জুন, ২০২২

বড়লেখা প্রতিনিধি::

বড়লেখায় বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটেছে। বানভাসিদের আর্তনাদে বাতাস ভারি হয়ে উঠছে। নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছে দুর্গতরা। উপজেলার ২১ বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রের কোনটিতেই তিল ধারণের জায়গা নেই। কানায় কানায় পরিপূর্ণ আশ্রয় কেন্দ্রে নতুন আগত দুর্গতদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করতে কর্তৃপক্ষকে হিমসিম খেতে হচ্ছে। এদিকে বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রের দুর্গতরা খাদ্যাভাবে চরম দুর্ভোগ পোয়াচ্ছে। বিশেষ করে শিশুদের নিয়ে বাবা-মা পড়েছেন মহাবিপাকে। উদ্বুত পরিস্থিতি মোকাবেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী সোমবার রাতে উপজেলার সকল জনপ্রনিধি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি সভা ডেকেছেন।

সরেজমিনে উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের আজিমগঞ্জ সরকারি প্রাইমারি স্কুল ও ছিদ্দেক আলী উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রে গেলে সেখানে আশ্রয় নেওয়া ভোলারকান্দি গ্রামের হনুফা বেগম জানান, ঘরে কোমর পানি হওয়ার পরই নিরুপায় হয়ে রোববার সকালে ছেলে, ছেলের বউ, মেয়ে ও নাতি নাতনি নিয়ে এখানে আশ্রয় নিয়েছেন। ওইদিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে কিছু শুকনো খাবার ও চাল দেওয়া হয়। এগুলো দিয়ে রাত কাটিয়েছেন। এখন পর্যন্ত আর কেউ খোঁজ নেয়নি। এ দুই আশ্রয় কেন্দ্রে ১৭৫ পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। খাদ্য সংকটে দুই কেন্দ্রের সহস্রাধিক দুর্গত মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে। উপজেলার প্রত্যেকটি আশ্রয় কেন্দ্রে তিল ধারণের জায়গা না থাকলেও দুর্গত মানুষের আগমন অব্যাহত রয়েছে। ফলে কর্তৃপক্ষকে হিমসিম খেতে হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গত এলাকায় ত্রাণসামগ্রি বিতরণ করা হচ্ছে। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতেও চাল, ডাল ও শুকনো খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। উদ্বুত বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সোমবার রাতে প্রশাসনিক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও সকল জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে জরুরি সভা ডেকেছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews