বড়লেখায় স্থান হচ্ছে না আশ্রয় কেন্দ্রে, বানভাসিরা চরম দুর্ভোগে – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জুড়ীতে আগুনে দোকান পুড়ে নিঃস্ব ক্ষুদ্র ব্যবসায়িকে মাছুম রেজার আর্থিক সহায়তা কুলাউড়ায় মসজিদের জমি জবর দখলের চেষ্টার অভিযোগে যুবক শ্রীঘরে শিক্ষক দিবসে শিক্ষার্থীদের ভালোবাসায় মুখর কুলাউড়া অগ্রণী উচ্চ বিদ্যালয় কুড়িগ্রামে বিশ্ব বসতি দিবস পালিত: ‘সবার জন্য টেকসই ও নিরাপদ বাসস্থান নিশ্চিতের আহ্বান’ গুজব-অপপ্রচারে সতর্ক থাকার আহ্বান- বড়লেখায় দূর্গাপূজা উপলক্ষ্যে পুলিশের আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা বড়লেখায় বিশ্ব শিক্ষক দিবসে র‌্যালি, আলোচনা সভা ও শিক্ষক সংবর্ধনা জুড়ীতে আগুনে পুড়ে ছাই দোকান, নিঃস্ব ইসমাইল আসছে ইকবালের নতুন সিনেমা ‘নসিব’ বিশ্ব শিক্ষক দিবস, শতাধিক গুণী শিক্ষককে প্রধানমন্ত্রীর সম্মাননা কুলাউড়ায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালন ও গুণী শিক্ষক সম্মাননা

বড়লেখায় স্থান হচ্ছে না আশ্রয় কেন্দ্রে, বানভাসিরা চরম দুর্ভোগে

  • সোমবার, ২০ জুন, ২০২২

Manual1 Ad Code

বড়লেখা প্রতিনিধি::

Manual6 Ad Code

বড়লেখায় বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটেছে। বানভাসিদের আর্তনাদে বাতাস ভারি হয়ে উঠছে। নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে ছুটছে দুর্গতরা। উপজেলার ২১ বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রের কোনটিতেই তিল ধারণের জায়গা নেই। কানায় কানায় পরিপূর্ণ আশ্রয় কেন্দ্রে নতুন আগত দুর্গতদের আশ্রয়ের ব্যবস্থা করতে কর্তৃপক্ষকে হিমসিম খেতে হচ্ছে। এদিকে বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রের দুর্গতরা খাদ্যাভাবে চরম দুর্ভোগ পোয়াচ্ছে। বিশেষ করে শিশুদের নিয়ে বাবা-মা পড়েছেন মহাবিপাকে। উদ্বুত পরিস্থিতি মোকাবেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী সোমবার রাতে উপজেলার সকল জনপ্রনিধি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের নিয়ে জরুরি সভা ডেকেছেন।

Manual4 Ad Code

সরেজমিনে উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের আজিমগঞ্জ সরকারি প্রাইমারি স্কুল ও ছিদ্দেক আলী উচ্চ বিদ্যালয় বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রে গেলে সেখানে আশ্রয় নেওয়া ভোলারকান্দি গ্রামের হনুফা বেগম জানান, ঘরে কোমর পানি হওয়ার পরই নিরুপায় হয়ে রোববার সকালে ছেলে, ছেলের বউ, মেয়ে ও নাতি নাতনি নিয়ে এখানে আশ্রয় নিয়েছেন। ওইদিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে কিছু শুকনো খাবার ও চাল দেওয়া হয়। এগুলো দিয়ে রাত কাটিয়েছেন। এখন পর্যন্ত আর কেউ খোঁজ নেয়নি। এ দুই আশ্রয় কেন্দ্রে ১৭৫ পরিবার আশ্রয় নিয়েছে। খাদ্য সংকটে দুই কেন্দ্রের সহস্রাধিক দুর্গত মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে। উপজেলার প্রত্যেকটি আশ্রয় কেন্দ্রে তিল ধারণের জায়গা না থাকলেও দুর্গত মানুষের আগমন অব্যাহত রয়েছে। ফলে কর্তৃপক্ষকে হিমসিম খেতে হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খন্দকার মুদাচ্ছির বিন আলী জানান, প্রশাসনের পক্ষ থেকে দুর্গত এলাকায় ত্রাণসামগ্রি বিতরণ করা হচ্ছে। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতেও চাল, ডাল ও শুকনো খাবার সরবরাহ করা হয়েছে। উদ্বুত বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলায় সোমবার রাতে প্রশাসনিক সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও সকল জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে জরুরি সভা ডেকেছেন।

Manual7 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!