পোলট্রি ব্যবসায় ধ্বস : খামারির মাথায় হাত! – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬, ০২:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
খাদ্যে ভেজাল রোধে ধর্মীয় মূল্যবোধ জাগ্রত করতে হবে —-এমপি লুনা কমলগঞ্জে যুবকের বিরুদ্ধে চুরির অপবাদে অমানষিক নির্যাতন; ভিডিও ভাইরাল কুড়িগ্রামে ওয়াল্ড ভিশনের আয়োজনে ৫৪টি পরিবার পেল স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটারি ল্যাট্রিন সিলেট–সুনামগঞ্জ মহাসড়কে বাস–সিএনজি মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ২ সংগ্রহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন- বড়লেখায় ১১৬৮ মেট্রিক টন ধান ও চাল কিনবে সরকার পুলিশের বিশেষ অভিযান- বড়লেখায় মাদক ব্যবসায়িসহ ৬ পলাতক আসামি গ্রেফতার কাতারস্থ কুলাউড়া ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের নতুন সভাপতি বাবুল আহমেদ দুর্নীতি বিরোধী বিতর্কে কুলাউড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় চ্যাম্পিয়ন ক্যামেলিয়া হাসপাতালে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা না হলে আন্দোলনে যাবে মৌলভীবাজার চা-শ্রমিক সংঘ বড়লেখায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ইলেক্ট্রিশিয়ানের মৃত্যু

পোলট্রি ব্যবসায় ধ্বস : খামারির মাথায় হাত!

  • বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২০

Manual6 Ad Code

এইবেলা ডেক্স ::

Manual4 Ad Code

লোকসানের বোঝা আর বইতে না পেরে অনেকটা পথে বসার উপক্রম হয়েছে খামারি নুরুল ইসলাম মোমিনের। লেখা-পড়া করে অন্য আট-দশজনের মতো প্রবাসে পাড়ি না জমিয়ে নিজের দেশে থেকে ব্যবসা করে সাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। সে লক্ষ্যে ৯ বছর আগে কুলাউড়া উপজেলার জয়চন্ডী ইউনিয়নের রংগীরকুল এলাকায় নিজ বাড়ির আঙ্গিনায় গড়ে তুলেছিলেন ‘মোমিন পোলট্রি ফার্ম’।

Manual7 Ad Code

কয়েক বছর চলছিলো মোটামুটি ভালই। পরবর্তীতে মোরগের খাবার, ঔষধসহ সংশ্লিষ্ট জিনিসপত্রের দাম অনেকটা বেড়ে যায় এবং মাংসের দাম খরচ মোতাবেক কমে যাওয়ায় লোকসান দেখা দেয়। বর্তমানে দেশে করোনা পরিস্থিতি শুরু হওয়ার পর থেকেই তার ফার্মেও অচলাবস্থা শুরু হয়। ধারদেনা আর লোকসানের বোঝা এতই ভারী হয়েছে, যা তিনি আর বইতে পারছেন না।

নুরুল ইসলাম মোমিন নামক তরুণ ওই উদ্যোগক্তা জানান, ২০১১ সাল থেকে পোলট্রি ফার্মটি শুরু করেন। প্রথম কয়েকবছর লাভ-লোকসানের ভারসাম্য নিয়ে মোটামুটি চলছিলো ব্যবসা। কাঙ্খিত স্বপ্নপূরণ না হলেও খাওয়া-চলার যোগান হচ্ছিল ফার্ম থেকে। কিন্তু পরবর্তীতে মোরগের খাবার, ঔষধসহ সংশ্লিষ্ট জিনিসপত্রের দাম অনেকটা বেড়ে যায় এবং মাংসের দাম খরচ মোতাবেক কমে যাওয়ায় লোকসান দেখা দেয়।

Manual6 Ad Code

বর্তমানে পরিস্থিতি ভয়াবহ। পোলট্রির খাবারসহ সংশ্লিষ্ট সবকিছুর দাম উর্ধ্বমূখি, কিন্তু বিক্রি করতে গিয়ে সে পরিমান দাম পাচ্ছিনা। বাজারদর নিম্নমূখি থাকার কারনে প্রতিপিছ মোরগেই ৪০ থেকে ৬০ টাকা করে লোকসান হচ্ছে। বর্তমানে ফার্মে প্রায় ৩ হাজার মোরগ আছে। কিন্তু না রাখতে পারছেন, না বিক্রি করতে পারছেন। পড়েছেন বিপাকে।

Manual5 Ad Code

মোমিন জানান, ১ দিনের একটি বাচ্চা ৪৫ থেকে ৫০ টাকা দিয়ে ক্রয় করতে হচ্ছে। একমাসে বিক্রয় উপযোগী করে তুলতে সর্বসাকুল্যে খরছ হয় আরও ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা। একমাস পরে একটি মোরগে দেড় থেকে ২ কেজি ওজন হয়। কিন্তু বর্তমান বাজারে খরছ মোতাবেক দাম পাওয়া যাচ্ছেনা। যারফলে প্রতিটি মোরগই ৪০ থেকে ৬০ টাকা লোকসান দিয়ে বিক্রি করতে হচ্ছে। এভাবে গত ৪-৫ বছর থেকে ধারদেনা করতে করতে আজ অনেকটা নিঃস্ব তিনি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!