পোলট্রি ব্যবসায় ধ্বস : খামারির মাথায় হাত! – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে ৯ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল : জেলায় পাসের হার ৪০.৭২%  ওসমানীনগরে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ৩ দফা দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ সিলেট চন্ডীপুল সিএনজি স্টেশনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় : যাত্রীদের হয়রানী দেশের কৃষি ও কৃষকরা উন্নত হলে দেশ-জাতির উন্নতি সাধন সম্ভব –কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এমপি ছাত‌কে ৮শ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ‘মুল্লা’ ছালেককে কারাগা‌রে বিদেশমুখীতা ও অভিভাবকদের সচেতনতার অভাবে এ অঞ্চলে শিক্ষারহার নিম্নগামী- তাহসিনা রুশদী লুনা কচাকাটা ডিগ্রি কলেজ নিয়ে অপ্রচার : তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এলাকাবাসী কমলগঞ্জের জমি বিক্রি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় যুবক নিহত : আটক ১ বড়লেখায় মাদ্রাসার একাডেমিক ভবন : দেড় বছরের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে ৭ বছর পার! বড়লেখায় কেএসকেপি’র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন : সভাপতি তোফায়েল, সম্পাদক মুর্শেদ আলম

পোলট্রি ব্যবসায় ধ্বস : খামারির মাথায় হাত!

  • বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২০

Manual7 Ad Code

এইবেলা ডেক্স ::

Manual1 Ad Code

লোকসানের বোঝা আর বইতে না পেরে অনেকটা পথে বসার উপক্রম হয়েছে খামারি নুরুল ইসলাম মোমিনের। লেখা-পড়া করে অন্য আট-দশজনের মতো প্রবাসে পাড়ি না জমিয়ে নিজের দেশে থেকে ব্যবসা করে সাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন তিনি। সে লক্ষ্যে ৯ বছর আগে কুলাউড়া উপজেলার জয়চন্ডী ইউনিয়নের রংগীরকুল এলাকায় নিজ বাড়ির আঙ্গিনায় গড়ে তুলেছিলেন ‘মোমিন পোলট্রি ফার্ম’।

কয়েক বছর চলছিলো মোটামুটি ভালই। পরবর্তীতে মোরগের খাবার, ঔষধসহ সংশ্লিষ্ট জিনিসপত্রের দাম অনেকটা বেড়ে যায় এবং মাংসের দাম খরচ মোতাবেক কমে যাওয়ায় লোকসান দেখা দেয়। বর্তমানে দেশে করোনা পরিস্থিতি শুরু হওয়ার পর থেকেই তার ফার্মেও অচলাবস্থা শুরু হয়। ধারদেনা আর লোকসানের বোঝা এতই ভারী হয়েছে, যা তিনি আর বইতে পারছেন না।

নুরুল ইসলাম মোমিন নামক তরুণ ওই উদ্যোগক্তা জানান, ২০১১ সাল থেকে পোলট্রি ফার্মটি শুরু করেন। প্রথম কয়েকবছর লাভ-লোকসানের ভারসাম্য নিয়ে মোটামুটি চলছিলো ব্যবসা। কাঙ্খিত স্বপ্নপূরণ না হলেও খাওয়া-চলার যোগান হচ্ছিল ফার্ম থেকে। কিন্তু পরবর্তীতে মোরগের খাবার, ঔষধসহ সংশ্লিষ্ট জিনিসপত্রের দাম অনেকটা বেড়ে যায় এবং মাংসের দাম খরচ মোতাবেক কমে যাওয়ায় লোকসান দেখা দেয়।

Manual6 Ad Code

বর্তমানে পরিস্থিতি ভয়াবহ। পোলট্রির খাবারসহ সংশ্লিষ্ট সবকিছুর দাম উর্ধ্বমূখি, কিন্তু বিক্রি করতে গিয়ে সে পরিমান দাম পাচ্ছিনা। বাজারদর নিম্নমূখি থাকার কারনে প্রতিপিছ মোরগেই ৪০ থেকে ৬০ টাকা করে লোকসান হচ্ছে। বর্তমানে ফার্মে প্রায় ৩ হাজার মোরগ আছে। কিন্তু না রাখতে পারছেন, না বিক্রি করতে পারছেন। পড়েছেন বিপাকে।

Manual5 Ad Code

মোমিন জানান, ১ দিনের একটি বাচ্চা ৪৫ থেকে ৫০ টাকা দিয়ে ক্রয় করতে হচ্ছে। একমাসে বিক্রয় উপযোগী করে তুলতে সর্বসাকুল্যে খরছ হয় আরও ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা। একমাস পরে একটি মোরগে দেড় থেকে ২ কেজি ওজন হয়। কিন্তু বর্তমান বাজারে খরছ মোতাবেক দাম পাওয়া যাচ্ছেনা। যারফলে প্রতিটি মোরগই ৪০ থেকে ৬০ টাকা লোকসান দিয়ে বিক্রি করতে হচ্ছে। এভাবে গত ৪-৫ বছর থেকে ধারদেনা করতে করতে আজ অনেকটা নিঃস্ব তিনি।

Manual5 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews