আজ ২৫শে ডিসেম্বর শুভ ‘বড়দিন’ – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় ব্যতিক্রমী কর্মসূচি ‘শেষ বিদায়ের সাজ’র উদ্বোধন কুড়িগ্রামে পরিবেশ বান্ধব গ্রাম ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণে শেয়ারিং ও উদযাপন  জুড়ীতে অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার কুলাউড়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে সীমানা দেয়াল নির্মাণ : ১০ হাজার টাকা জরিমানা নবীগঞ্জে প্রাইমারী বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কুলাউড়ার লংলা কলেজে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আত্রাইয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণের শুভ উদ্বোধন  আত্রাইয়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন  ওসমানীনগর উপজেলা হাসপাতালের মেডিকের অফিসার ছুটি না নিয়েই সাড়ে ৩ মাস ধরে কানাডায় ডা. শাহিনুর কুলাউড়ার পৃথিমপাশা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে এমবিবিএস  ডাক্তার নিয়োগ ও ২৫ শয্যা হাসপাতালে উন্নীতকরণের দাবিতে মানববন্ধন

আজ ২৫শে ডিসেম্বর শুভ ‘বড়দিন’

  • রবিবার, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২২

Manual4 Ad Code

নিকোলাস বিশ্বাস :: আজ ২৫শে ডিসেম্বর শুভ বড়দিন। বড়দিন বা ক্রিসমাস একটি বাৎসরিক  খ্রীষ্টীয় উৎসব। এটি খ্রীষ্টানদের জন্য সবচেয়ে বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠান। প্রায় ২০২২ বছর আগে এই দিনে ত্রাণকর্তা প্রভু যীশু খ্রীষ্ট জেরুশালেম নগরীর বেথলেহমে মা মারীয়ার গর্ভে জন্মগ্রহন করেন। বিশ্বের প্রায় ২৫২ কোটি খ্রীষ্টান জনগোষ্ঠী আজ ধর্মীয় ভাব-গাম্ভীর্য সহকারে বড়দিন পালন করছে। পবিত্র বাইবেলে যীশুর জন্মের বিষয়ে এই কথা বর্ণিত আছে: “আর মা মারীয়া আপনার প্রথমজাত পুত্র প্রসব করিলেন, এবং তাঁহাকে কাপড়ে জড়াইয়া যাবপাত্রে শোয়াইয়া রাখিলেন, কারণ পান্থশালায় তাঁহাদের জন্য স্থান ছিল না” (লূক ২: ৭)।

বরিশাল ধর্মপ্রদেশের বিশপ ইম্মানুয়েল কানন রোজারিও’র পৌরহিত্যে ২৪ ডিসেম্বর রাত ১০টায় গোপালগঞ্জের বানিয়ারচর ধর্মপল্লীর গীর্জায় বড়দিনের ধর্মীয় কার্যক্রম শুরু হয়। এ অনুষ্ঠানে ধর্মপল্লীর খ্রীষ্টভক্তগণ অংশগ্রহণ করেন এবং রাত ১২টায় আনন্দ-উল্লাসে যীশুর জন্মদিন পালন করেন। এই একই ধর্মীয় অনুষ্ঠান পরের দিন সকালেও আয়োজন করা হয়। গীর্জার অনুষ্ঠানে বিশপ মহোদয়কে সহায়তা করেন বানিয়ারচর ধর্মপল্লীর পাল-পুরোহিত রেভাঃ ফাদার ডেভিড ঘরামী। বড়দিনে ক্যাথলিকদের প্রতিটি গীর্জায় পবিত্র ‘খ্রীষ্টযাগ’ উৎসর্গ ও খ্রীষ্টভক্তদের মাঝে ‘খ্রীষ্টপ্রসাদ’ বিতরণ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের মূল পর্ব।

বিভিন্ন প্রয়োজনে এলাকার বাইরে যারা বসবাস করেন তারা বড়দিন উপলক্ষ্যে নিজ গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন এবং স্বপরিবারে গীর্জায় অংশগ্রহণসহ বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগদান করেন। ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন উপলক্ষ্যে ধর্মপল্লীর খ্রীষ্টভক্তগণ সম্মিলিতভাবে দুপুর বেলায় চার্চ প্রঙ্গনে এক বিশেষ প্রীতিভোজে অংশগ্রহন করেন। বড়দিনের আনন্দকে বহুগুণে বাড়িয়ে দেয় রাতের ধর্মীয় কীর্তন যা দলে দলে পরিবেশন করা হয়।

Manual4 Ad Code

এরপর বিকেল ৪টায় রেভাঃ ফাদার রিচার্ড বাবু হালদারের সঞ্চালনায় এবং ধর্মপল্লীর পাল-পুরোহিত রেভাঃ ফাদার ডেভিড ঘরামীর সভাপতিত্বে বড়দিনের শুভেচ্ছা বিনিময় সহ এক উন্মুক্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয় যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকেন বিশপ ইম্মানুয়েল কানন রোজারিও। এ সভায় এলাকার সর্বস্তরের  খ্রীষ্টভক্তগণ অংশগ্রহন করেন এবং চার্চের উন্নতিকল্পে বিভিন্ন মতামত তুলে ধরেন।

ঢাকায় অবস্থিত ইস্পাহানী ইসলামিয়া চক্ষু ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহকারি পরিচালক নিকোলাস বিশ্বাস বলেনঃ বড়দিনের দুটি দিক রয়েছে; এর একটি হল আত্মিক এবং অন্যটি হল বাহ্যিক। উপহার প্রদান, সংগীত পরিবেশন, বড়দিনের শুভেচ্ছা-কার্ড বিনিময়, গীর্জার ধর্মোপাসনা, সম্মিলিত প্রীতিভোজ, ক্রিসমাস ট্রি, ঘর-বাড়ি পরিস্কার-পরিচ্ছন্নকরণ, উজ্জল তারকা উত্তোলন এবং যীশুর জন্মদৃশ্য ফুটিয়ে তোলার জন্য গোশালাঘর প্রস্তুতসহ এক বিশেষ ধরনের আলোকসজ্জার প্রদর্শনী বড়দিন উৎসব উদ্‌যাপনের অঙ্গ হয়ে উঠেছে। এছাড়া সুসজ্জিত সান্তাক্লজ কর্তৃক ছোটদের জন্য বড়দিনে উপহার আদান-প্রদান বেশ জনপ্রিয়। আমরা যারা যীশু খ্রীষ্টকে জগতের ত্রাণকর্তারূপে বিশ্বাস করি তাদের কাছে এদিনের তাৎপর্য অনেক। নতুন পোশাক, নানা খাবারের আয়োজন ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আনন্দ-স্ফূর্তি করা এদিনের মূল তাৎপর্য নয়, বরং এর প্রকৃত তাৎপর্য পারমার্থিক বা আধ্যাত্মিক। এজন্য বড়দিনে গীর্জার উপাসনায় যোগ দেওয়া সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ।

Manual3 Ad Code

৩৬৫ দিনের মধ্যে ২৫শে ডিসেম্বর দিনটি সময়ের ব্যাপ্তিতে বড় নয় কিন্তু মানবজাতির ত্রাণকর্তার জন্মদিন হিসেবে এর গুরুত্ব সর্বাধিক। আকাদেমি বিদ্যার্থী বাংলা অভিধানে যীশু খ্রীষ্টের জন্মোৎসবটিকে বাংলায় ‘বড়দিন‘ আখ্যা দেওয়ার কারণটির ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলা হয়েছেঃ ২৩ ডিসেম্বর থেকে দিন ক্রমশঃ বড়ো এবং রাত ছোটো হতে শুরু করে। বাংলায় ‘বড়দিন‘ নামকরণের ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, “মর্যাদার দিক থেকে এটি একটি বড়দিন। যীশু যেহেতু এক বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য ধর্ম ও দর্শন দিয়ে গেছেন। সুতরাং যিনি এতো বড় ধর্ম ও দর্শন দিলেন ২৫শে ডিসেম্বর তাঁরই জন্মদিন। সে কারণে তাবৎ বিশ্বের খ্রীষ্টানগণ এটিকে বড়দিন হিসেবে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে।#

Manual6 Ad Code

————————————-

গণমাধ্যম ফ্রীল্যান্সার

Manual6 Ad Code

মোবাইল: (+৮৮) ০১৭১৫-১০৮১৮৪

ই-মেইল: Gonomaddyom@gmail.com

ফেসবুক আইডি: বাংলাদেশ গণমাধ্যম

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!