বড়লেখার একমাত্র নারী বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মার্ট আইডিকার্ড ও সনদ হস্তান্তর – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৯:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুলাউড়ায় প্রবাসীর জমি জবর দখলের চেষ্টা : আতঙ্কে প্রবাসী পরিবার সি‌লেট সুনামগঞ্জ ও‌ গো‌বিন্দগঞ্জ ছাতক সড়ক-ময়লার ভাগাড়ে জলাবদ্ধতা : দুর্ভোগ কমলগঞ্জে পাহাড়ি ছড়ায় পাওয়া গেল চা শ্রমিক যুবকের লাশ বড়লেখায় কমিউনিটি সেন্টারে চুরি : মালামাল উদ্ধার চোর গ্রেফতার বিশ্ব বাবা দিবস: সকল বাবাদের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা! বড়লেখা হাজীগঞ্জ বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রার্থীতা ঘোষণা ব্যবসায়ী ফখরুল ইসলাম পারুলের দেশ সেরা বিতার্কিক নির্বাচিত হয়েছে কুলাউড়ার ৫ ক্ষুদে শিক্ষার্থী সি‌লে‌টের গোয়াইনঘাটে নদীপথে চাঁদাবাজি: আটক ১ নৌকা ও নগদ টাকা জব্দ কুলাউড়ায় স্বেচ্ছাশ্রমে এক কিলোমিটার রাস্তা মেরামত করলো নতুন কুঁড়ি ক্লাব জুড়ীতে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্বামী গ্রেফতার : দুই শিশু সন্তানের আর্তনাদে এলাকায় বিষাদ

বড়লেখার একমাত্র নারী বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মার্ট আইডিকার্ড ও সনদ হস্তান্তর

  • বৃহস্পতিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৪

Manual5 Ad Code

বড়লেখা প্রতিনিধি:

মহান মুক্তিযোদ্ধকালিন বড়লেখার একমাত্র নারী বীর মুক্তিযোদ্ধা বেগম শামসুন নাহারকে স্মার্ট পরিচয়পত্র ও মহান মুক্তিযোদ্ধে তাঁর বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সনদপত্র প্রদান করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের ৫০ বছর পর ২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন তালিকার ১০৪ নম্বরে তাঁর নাম প্রকাশিত হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজরাতুন নাঈম এই বীর মুক্তিযোদ্ধার হাতে তাঁর স্মার্ট পরিচয়পত্র ও সনদপত্র তোলে দেন।

জানা গেছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা বেগম শামসুন নাহার ১৯৫৫ সালে বড়লেখা উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের টেকাহালি গ্রামে এক রাজনৈতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।পিতার নাম আইয়ুব আলী। বিয়ে হয় বর্ণি ইউনিয়নের সৎপুর গ্রামের আরেক সম্ভান্ত পরিবারে। তাঁর স্বামী মোজতবা উদ্দিন বর্নি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। তিনি স্বাধীনতা পরবর্তী দুইবারের সংসদ সদস্য, মহান মুক্তিযোদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের ছোটবোন। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিলে সিরাজুল ইসলাম মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও আওয়ামী লীগ নেতা হওয়ায় পাকহানাদার বাহিনী ও রাজাকারদের টার্গেটে ছিলেন তিনি ও তার পরিবার। যার ফলে মুক্তিযোদ্ধের সুচনা লগ্নেই সিরাজুল ইসলাম তার মা তসলিমা খাতুন এবং দুই বোন শামসুন নাহার ও শামীমা আক্তার রাবেয়াকে ভারতে পাঠিয়ে দেন। সেখানে নিলাম বাজার ক্যাম্পে তারা যুদ্ধকালীন দীর্ঘ নয় মাস অবস্থান করেন।

Manual3 Ad Code

ওই ক্যাম্পে ২৫-৩০ জন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। এ ছাড়া ট্রেনিং শেষে এই ক্যাম্পে মুক্তিযোদ্ধারা জড়ো হতেন এবং এখান থেকেই তাদের বিভিন্ন সেক্টরে যুদ্ধের জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হতো। আহত মুক্তিযোদ্ধারা এই ক্যাম্পে আশ্রয় নিতেন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও রান্নাবান্না করে খাওয়ানোর ব্যবস্থা করতেন শামসুন নাহার ও তার মা। তাদের সঙ্গে আনোয়ারা বেগম নামে বড়লেখার এক চা বাগানের চা শ্রমিকও ছিলেন।

Manual2 Ad Code

জীবন সায়াহ্নে মহান মক্তিযোদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ রাষ্ট্রের দেওয়া পরিচয়পত্র ও সনদ প্রাপ্তির অনুভুতি জানাতে গিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা বেগম শামসুন নাহার জানান, এই দেশের স্বাধীনতা অর্জনে তিনি যে সামান্যতম অবদান রাখতে পেরেছেন এতেই তিনি সীমাহীন গর্বিত। আজ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্মার্ট পরিচয়পত্র ও মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্র হাতে পাওয়ার ভালো লাগার, শান্তির অনুভুতি ভাষায় প্রকাশ করতে পারবেন না। শুধু এইটুকু বলবেন খুবই ভাল লাগছে।

Manual7 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!