বড়লেখার একমাত্র নারী বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মার্ট আইডিকার্ড ও সনদ হস্তান্তর – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কমলগঞ্জে পাতাকুঁড়ি সংস্থার বিরুদ্ধে সঞ্চয়ের টাকা নিয়ে বিভ্রান্তিকর হিসাব ও হামলার চেষ্টার অভিযোগ বড়লেখায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মাসিক সভা- গ্রাম আদালত শক্তিশালী করার তাগিদ বড়লেখা ও জুড়ী সীমান্তে পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, প্রতিহত করছে বিজিবি নবীগঞ্জে ‘সনাতন-দীননাথ কিশোর সংসদ’র কমিটি গঠন  সিলেট ওসমানী মেডিকেলে সার্টিফিকেট জট : ছাতকে ১০৯ মামলার চার্জশিট আটকে আছে সাংবাদিকতায় বিশেষ স্বীকৃতি পেলেন আতাউর রহমান কাওছার ছাতকে দ‌ক্ষিন খুরমা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা সি‌লে‌টের বরকতিয়া সুপার মার্কেট ব্যবসায়ী কমিটির নির্বাচনে লতিফ সভাপতি ও মুক্তাদির সম্পাদক নির্বাচিত ছাতকে ১৩০ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক ব‌্যবসা‌য়ী গ্রেপ্তার জুড়ীতে মরহুম কটন আলী মাস্টারের স্মরণে মানবিক চায়ের দোকান ১০ উদ্বোধন

বড়লেখার একমাত্র নারী বীর মুক্তিযোদ্ধার স্মার্ট আইডিকার্ড ও সনদ হস্তান্তর

  • বৃহস্পতিবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২৪

Manual1 Ad Code

বড়লেখা প্রতিনিধি:

মহান মুক্তিযোদ্ধকালিন বড়লেখার একমাত্র নারী বীর মুক্তিযোদ্ধা বেগম শামসুন নাহারকে স্মার্ট পরিচয়পত্র ও মহান মুক্তিযোদ্ধে তাঁর বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ সনদপত্র প্রদান করেছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের ৫০ বছর পর ২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন তালিকার ১০৪ নম্বরে তাঁর নাম প্রকাশিত হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজরাতুন নাঈম এই বীর মুক্তিযোদ্ধার হাতে তাঁর স্মার্ট পরিচয়পত্র ও সনদপত্র তোলে দেন।

Manual3 Ad Code

জানা গেছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা বেগম শামসুন নাহার ১৯৫৫ সালে বড়লেখা উপজেলার তালিমপুর ইউনিয়নের টেকাহালি গ্রামে এক রাজনৈতিক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন।পিতার নাম আইয়ুব আলী। বিয়ে হয় বর্ণি ইউনিয়নের সৎপুর গ্রামের আরেক সম্ভান্ত পরিবারে। তাঁর স্বামী মোজতবা উদ্দিন বর্নি ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান। তিনি স্বাধীনতা পরবর্তী দুইবারের সংসদ সদস্য, মহান মুক্তিযোদ্ধের অন্যতম সংগঠক ও বড়লেখা উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলামের ছোটবোন। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের ডাক দিলে সিরাজুল ইসলাম মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক ও আওয়ামী লীগ নেতা হওয়ায় পাকহানাদার বাহিনী ও রাজাকারদের টার্গেটে ছিলেন তিনি ও তার পরিবার। যার ফলে মুক্তিযোদ্ধের সুচনা লগ্নেই সিরাজুল ইসলাম তার মা তসলিমা খাতুন এবং দুই বোন শামসুন নাহার ও শামীমা আক্তার রাবেয়াকে ভারতে পাঠিয়ে দেন। সেখানে নিলাম বাজার ক্যাম্পে তারা যুদ্ধকালীন দীর্ঘ নয় মাস অবস্থান করেন।

ওই ক্যাম্পে ২৫-৩০ জন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। এ ছাড়া ট্রেনিং শেষে এই ক্যাম্পে মুক্তিযোদ্ধারা জড়ো হতেন এবং এখান থেকেই তাদের বিভিন্ন সেক্টরে যুদ্ধের জন্য পাঠিয়ে দেওয়া হতো। আহত মুক্তিযোদ্ধারা এই ক্যাম্পে আশ্রয় নিতেন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও রান্নাবান্না করে খাওয়ানোর ব্যবস্থা করতেন শামসুন নাহার ও তার মা। তাদের সঙ্গে আনোয়ারা বেগম নামে বড়লেখার এক চা বাগানের চা শ্রমিকও ছিলেন।

Manual5 Ad Code

জীবন সায়াহ্নে মহান মক্তিযোদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ রাষ্ট্রের দেওয়া পরিচয়পত্র ও সনদ প্রাপ্তির অনুভুতি জানাতে গিয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা বেগম শামসুন নাহার জানান, এই দেশের স্বাধীনতা অর্জনে তিনি যে সামান্যতম অবদান রাখতে পেরেছেন এতেই তিনি সীমাহীন গর্বিত। আজ মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্মার্ট পরিচয়পত্র ও মুক্তিযোদ্ধার সনদপত্র হাতে পাওয়ার ভালো লাগার, শান্তির অনুভুতি ভাষায় প্রকাশ করতে পারবেন না। শুধু এইটুকু বলবেন খুবই ভাল লাগছে।

Manual3 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews