বড়লেখায় ভারতীয় মহিষকান্ডে ভুয়া রশিদদাতা ইজারাদারসহ ৩ জনের নামে বিজিবির মামলা – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় ভারতীয় মহিষকান্ডে ভুয়া রশিদদাতা ইজারাদারসহ ৩ জনের নামে বিজিবির মামলা আত্রাইয়ে ইউনিয়ন ভূমি অফিসের নতুন ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন আত্রাইয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা মাছিম উদ্দিনের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি এবং রিজভী বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হওয়ায় কুড়িগ্রামে আনন্দ মিছিল ৩২ টিমের অংশগ্রহণে ইংরেজি ভাষায় সৃজনশীলতার চর্চা ও উদ্ভাবনী দক্ষতাকে উদযাপন করল এসআইইউ বিজিবি-পুলিশের যৌথ অভিযান- বড়লেখায় রশিদ জালিয়াতি করেও পার পায়নি চোরাকারবারি, অবশেষে ভারতীয় মহিষ উদ্ধার  ট্রেনে শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করলেন কুলাউড়ার জসিম উদ্দিন ইংরেজি শিক্ষায় ভীতি দূর করতে কমলগঞ্জে ওয়ার্ড মাস্টার প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদর ক্রেস্ট প্রদান কমলগঞ্জে নবাগত ইউএনও’র সঙ্গে গণমাধ্যম কর্মীদের মতবিনিময় নবীগঞ্জে শতবর্ষী ও চিরকুমার মুকুন্দ চন্দ্র দাসকে ‘সনাতন-দীননাথ কল্যাণ ট্রাস্ট’র সম্মাননা স্মারক প্রদান

বড়লেখায় ভারতীয় মহিষকান্ডে ভুয়া রশিদদাতা ইজারাদারসহ ৩ জনের নামে বিজিবির মামলা

  • শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬

Manual7 Ad Code

বড়লেখা প্রতিনিধি :

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় চোরাই পথে ভারত থেকে অবৈধভাবে আনা ১৪টি মহিষের মধ্যে পাঁচটি উদ্ধার করেছে বিজিবি। তবে, স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তি ও বিজিবির নজরদারিতে থাকা অবস্থায় সংশ্লিষ্ট চোরাকারবারিরা নয়টি মহিষ সরিয়ে নেয়। এ ঘটনায় শনিবার (২২ আগস্ট) পূর্বাহ্নে বিওসি টিলা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার মো. কামাল হোসেন বড়লেখা থানায় মামলা করেছেন।

মামলায় উপজেলার গৌরনগর গ্রামের হিফজুর রহমান ও তার বড়ভাই লুৎফুর রহমান এবং চান্দগ্রাম বাজারের ইজারাদারকে আসামি করা হয়েছে। এছাড়াও মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে।

Manual4 Ad Code

বিজিবি, মামলা ও এলাকাবাসি সূত্রে জানা গেছে, ১৫ আগস্ট সকালে বিজিবি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে উপজেলার গৌরনগর এলাকায় সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতীয় ১৪টি মহিষ চোরাকারবারি হিফজুর রহমান ও লুৎফুর রহমানের বাড়ির গোয়ালঘরে রাখা হয়েছে। বিজিবি বড়লেখা থানা পুলিশের সহায়তায় স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে লুৎফুর রহমানের বাড়িতে অভিযান চালায়। এ সময় বাড়ির গোয়ালঘরে সাতটি গাভি মহিষ ও সাতটি বাছুরসহ মোট ১৪টি মহিষ পাওয়া যায়। মহিষগুলোর বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে হিফজুর রহমান ও লুৎফুর রহমান দাবি করেন, তারা ৮ আগস্ট চান্দগ্রাম পশুরহাট থেকে রানু দাস ও আব্দুল মুকিমের কাছ থেকে মহিষগুলো কিনেছেন। এ সময় তারা বিজিবিকে মহিষ কেনার দুটি রশিদও দেখায়। বিজিবি বিষয়টি নিশ্চিত হতে চান্দগ্রাম বাজারের ইজারাদারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পায়নি। পরে মহিষ কেনার দুটি রশিদ যাচাই-বাছাই ও মহিষগুলোর মালিকানা সম্পর্কে অনুসন্ধানের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিদের জিম্মায় মহিষগুলো হিফজুর রহমান ও লুৎফুর রহমানের গোয়ালঘরে রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বিজিবি। একই সঙ্গে রশিদ যাচাই ও অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত মহিষগুলো অন্যত্র না সরানোরও নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় তাদের। পরবর্তীতে বিজিবি রশিদগুলো বিক্রেতা রানু দাস ও আব্দুল মুকিমকে দেখানো হলে তারা ওই রশিদের স্বাক্ষর তাদের নয় বলে জানান। চান্দগ্রাম পশুরহাটের ইজারাদারের সঙ্গে যোগাযোগ করে তার স্বাক্ষরিত মহিষ বিক্রির রশিদ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ধরনের তথ্য দেন। পরে বিজিবির অধিকতর যাচাই-বাছাইয়ে হিফজুর রহমান ও লুৎফুর রহমানের মালিকানা দাবির কাগজপত্র ভুয়া বলে নিশ্চিত হয়। এরপর মহিষগুলো উদ্ধারে শুক্রবার বিকেলে আবারও বিজিবি-পুলিশ যৌথ অভিযান চালায় লুৎফুর রহমানের বাড়িতে। কিন্তু বাড়িতে গিয়ে কোনো মহিষ পাওয়া যায়নি। বাড়ির পাশের জমিতে পাঁচটি মহিষের সন্ধান পায় অভিযানকারী দল। সেগুলো উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়।

Manual3 Ad Code

বড়লেখা থানার ওসি মনিরুজ্জামান খান মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে শনিবার রাতে জানান, পুলিশ অবশিষ্ট মহিষ উদ্ধার ও আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চালাচ্ছে।

Manual4 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!