জাল খাজনা রশিদে দলিল রেজিষ্ট্রীর অপচেষ্টা, মুচলেকায় মুক্তি – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কমলগঞ্জে পাতাকুঁড়ি সংস্থার বিরুদ্ধে সঞ্চয়ের টাকা নিয়ে বিভ্রান্তিকর হিসাব ও হামলার চেষ্টার অভিযোগ বড়লেখায় জেলা লিগ্যাল এইড কমিটির মাসিক সভা- গ্রাম আদালত শক্তিশালী করার তাগিদ বড়লেখা ও জুড়ী সীমান্তে পুশইনে মরিয়া বিএসএফ, প্রতিহত করছে বিজিবি নবীগঞ্জে ‘সনাতন-দীননাথ কিশোর সংসদ’র কমিটি গঠন  সিলেট ওসমানী মেডিকেলে সার্টিফিকেট জট : ছাতকে ১০৯ মামলার চার্জশিট আটকে আছে সাংবাদিকতায় বিশেষ স্বীকৃতি পেলেন আতাউর রহমান কাওছার ছাতকে দ‌ক্ষিন খুরমা বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল ও পথসভা সি‌লে‌টের বরকতিয়া সুপার মার্কেট ব্যবসায়ী কমিটির নির্বাচনে লতিফ সভাপতি ও মুক্তাদির সম্পাদক নির্বাচিত ছাতকে ১৩০ পিস ইয়াবাসহ ২ মাদক ব‌্যবসা‌য়ী গ্রেপ্তার জুড়ীতে মরহুম কটন আলী মাস্টারের স্মরণে মানবিক চায়ের দোকান ১০ উদ্বোধন

জাল খাজনা রশিদে দলিল রেজিষ্ট্রীর অপচেষ্টা, মুচলেকায় মুক্তি

  • মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪

Manual4 Ad Code

বড়লেখা প্রতিনিধি:

Manual4 Ad Code

বড়লেখায় আব্দুল মান্নান নামক ভূমি ক্রেতার নিকট থেকে ৫৫ হাজার টাকা নিয়ে জাল খাজনা রশিদ প্রদান করেছে দলিল লেখক পরিচয়দানকারি চিহ্নিত দালাল মতিউর রহমান। ডকুমেন্ট যাচাইয়ে বিষয়টি ধরা পড়লে কথিত এই দলিল লেখককে আটক করেন সাবরেজিষ্ট্রার মো. হাবিবুর রহমান। অতঃপর মুচলেকা আদায় করে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার বড়লেখা উপজেলা সাবরেজিষ্ট্রী অফিসে। অভিযোগ রয়েছে, উক্ত মতিউর রহমান বড়লেখা সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, সাবরেজিষ্ট্রার অফিস ও দলিল লেখক শেডে ঘোরাফেরা করে। দীর্ঘদিন ধরে সে সহজ সরল লোকজনকে কখনও আইনজীবী সহকারি কখনও দলিল লেখক পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে আসছে। মতিউর রহমান উপজেলার সুজানগর ইউনিয়নের পাটনা গ্রামের সোরমান আলীর ছেলে।

Manual3 Ad Code

জানা গেছে, উপজেলার সোনাতোলা গ্রামের আব্দুল মান্নান একই গ্রামের আব্দুল মতিন ওরফে সরফ উদ্দিনের নিকট থেকে ছোটলেখা দক্ষিণভাগ মৌজায় ১৩ শতাংশ সাইল শ্রেণির ভূমি ক্রয়ে চুক্তিবদ্ধ হন। দলিল সম্পাদন করতে গিয়ে জানতে পারেন খাজনা পরিশোধের আপডেট রশিদ প্রদর্শণ ব্যতিত দলিল রেজিষ্ট্রীর বিধান নেই। চিহ্নিত দালাল মতিউর রহমান ভূমি ক্রেতা আব্দুল মান্নানের নিকট নিজেকে লাইসেন্সধারি দলিল লেখক পরিচয় দিয়ে খাজনা পরিশোধের জন্য ৫৫ হাজার টাকা নিয়ে একটি জাল খাজনা রশিদ তৈরী করে। সুচতুর দালাল মতিউর রহমান ভোক্তভোগি আব্দুল মান্নানকে আড়াল করে দলিল লেখক সমিতির সদস্য প্রমথ চন্দ্র দাসকে দিয়ে দলিল রেজিষ্ট্রীর ব্যবস্থা করে। সোমবার দলিল সম্পাদনের জন্য সাবরেজিষ্ট্রার মো. হাবিবুর রহমানের সামনে অন্যান্য ডকুমেন্টের সাথে খাজনা রশিদ উপস্থাপন করলে স্কেনিংয়ে তার নিকট রশিদটি জাল বলে ধরা পড়ে। তখন ভূমি ক্রেতা-বিক্রেতা ও দলিল লেখক প্রমথ চন্দ্র দাস কথিত দলিল লেখক (চিহ্নিত দালাল) মতিউর রহমানকে সাবরেজিষ্ট্রারের কাছে নিয়ে আসেন। সাবরেজিষ্ট্রার তাকে আটক করলে একপর্যায়ে সে তার দোষ স্বীকার করে। পরে মুচলেকা আদায় করে উপজেলা সাবরেজিষ্ট্রার তাকে ছেড়ে দেন।

Manual6 Ad Code

ভোক্তভোগি আব্দুল মান্নানের বরাত দিয়ে বড়লেখা দলিল লেখক সমিতির সভাপতি মীর মখলিছুর রহমান জানান, ভূমি ক্রেতা ১৩ শতাংশ ভূমির দলিল রেজিষ্ট্রীর জন্য উপজেলায় গেলে মতিউর রহমান নিজেকে দলিল লেখক পরিচয়ে কাগজপত্র দেখে বলে বেশ কয়েক বছরের খাজনা অপরিশোধিত রয়েছে। খাজনা পরিশোধের জন্য সে ৫৫ হাজার টাকা নেয় এবং ভুয়া খাজনা রশিদ তৈরী তার কাছে রেখে দেয়। ভূমি বিক্রেতা আব্দুল মতিন ওরফে সরফ উদ্দিনকে দিয়ে দলিল রেজিষ্ট্রীকালে সাবরেজিষ্ট্রারের কাছে খাজনা রশিদটি জাল ধরা পড়ায় মতিউর রহমানকে আটক করা হয়। এরপর তিনি (আব্দুল মান্নান) ৩ হাজার টাকা খাজনা পরিশোধ করে রশিদ নিয়ে আসলে সাবরেজিষ্ট্রার দলিল সম্পাদন করেন। মতিউর রহমান একজন চিহ্নিত দালাল ও প্রতারক ভোক্তভোগি আব্দুল মান্নান জানতেন না।

উপজেলা সাবরেজিষ্ট্রার মো. হাবিবুর রহমান জানান, স্কেনিংয়ে খাজনা রশিদ জাল ধরা পড়ায় তিনি দলিলটি আটকে দেন। দলিল লেখক, ভূমি দাতা ও গ্রহীতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে আসল রহস্য বেরিয়ে আসে। তখন তিনি মতিউর রহমানকে আটক করেন। যেহেতু তার অফিসের কোন কাগজ জালিয়াতি করে দলিল রেজিষ্ট্রীর অপচেষ্টা হয়নি, বিধায় আটককৃতকে পুলিশে সোপর্দ করেননি। বিষয়টি তিনি সহকারি কমিশনার (ভূমি)-কে অবহিত করেছেন। অতঃপর মুচলেকা আদায় করে মতিউর রহমানকে ছেড়ে দেন। পরে সঠিক খাজনা রশিদ নিয়ে আসায় তিনি সংশ্লিষ্ট দলিলটি রেজিষ্ট্রী করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews