নিখোঁজের ৬ বছর পর কুলাউড়ার আব্দুল আহাদের লাশ উদ্ধার – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জুড়ীতে অটোরিকশা চালক খুনের ঘটনায় মেয়েসহ সিএনজি মালিক আছমা বেগম গ্রেফতার বড়লেখায় ব্যতিক্রমী কর্মসূচি ‘শেষ বিদায়ের সাজ’র উদ্বোধন কুড়িগ্রামে পরিবেশ বান্ধব গ্রাম ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণে শেয়ারিং ও উদযাপন  জুড়ীতে অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার কুলাউড়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে সীমানা দেয়াল নির্মাণ : ১০ হাজার টাকা জরিমানা নবীগঞ্জে প্রাইমারী বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কুলাউড়ার লংলা কলেজে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আত্রাইয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণের শুভ উদ্বোধন  আত্রাইয়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন  ওসমানীনগর উপজেলা হাসপাতালের মেডিকের অফিসার ছুটি না নিয়েই সাড়ে ৩ মাস ধরে কানাডায় ডা. শাহিনুর

নিখোঁজের ৬ বছর পর কুলাউড়ার আব্দুল আহাদের লাশ উদ্ধার

  • বৃহস্পতিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৫
কাস্টমস কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ।

Manual7 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক ::

ছয় বছর আগে চট্টগ্রাম থেকে নিখোঁজ হওয়া কাস্টমস কর্মকর্তা কুলাউড়ার আব্দুল আহাদের (৪৬) লাশ ফেনী থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৯ অক্টোবর) সকালে ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গেটের সামনে থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, মৃত ব্যক্তি স্থানীয় কোনো দিনমজুর। তবে পকেটে থাকা একটি বেসরকারি ব্যাংকের হিসাব নম্বর থেকে তার আসল পরিচয় শনাক্ত করা হয়। পরে চট্টগ্রামের কাস্টমস কর্মকর্তা আবদুল আহাদ হিসেবে তার পরিচয় নিশ্চিত করে পরিবারকে খবর দেওয়া হয়।

Manual4 Ad Code

পরিবারের সদস্যরা জানান, ২০১৯ সালের ৭ মে চট্টগ্রাম থেকে আবদুল আহাদকে অপহরণ করা হয়েছিল। এরপর তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

Manual3 Ad Code

আব্দুল আহাদ মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার দাউদপুর গ্রামের মো. ইমানি মিয়ার ছেলে। তার স্ত্রী ও দুই কন্যাসন্তান রয়েছে। কর্মজীবনের শুরুতে কলেজে প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন, পরে কাস্টমস বিভাগে যোগদান করেন। তিনি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, ঢাকা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং সর্বশেষ চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সেখান থেকেই তিনি নিখোঁজ হন।

Manual6 Ad Code

নিহতের ছোট বোন নাঈমা নাসরিন বলেন, ‘আমার ভাইকে ২০১৯ সালের ৭ মে অপহরণ করা হয়। অপহরণকারীরা দুই লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করলে ভাবি তা দেন, কিন্তু ভাই ফিরে আসেননি। আজ তার লাশ উদ্ধার হয়েছে। কেন তাকে অপহরণ ও হত্যা করা হলো—এখনো আমরা কিছুই জানি না। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের দাবি করছি।’

নিহতের ভাগ্নে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘অপহরণের পর আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন দপ্তরে গিয়েছিলাম। সংবাদ সম্মেলনও করেছিলাম। কিন্তু মামার খোঁজ মেলেনি। অপহরণের ৬ বছর পর মামা লাশ হয়ে ফিরল। সচ্ছল পরিবারের সন্তান ছিল মামা, কেন আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি, তা বলতে পারব না। তবে এ হত্যাকাণ্ডের পেছনে কোনো রহস্য লুকিয়ে আছে। এখন লাশ পাওয়ার পর আমরা এ ঘটনার পূর্ণ তদন্ত ও দোষীদের খুঁজে বের করে শাস্তির দাবি করছি।’

ছাগলনাইয়া থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শাহ আলম জানান, মৃতদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।

Manual8 Ad Code

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আবুল বাশার বলেন, ‘পরিবারের পক্ষ থেকে ছয় বছর আগের অপহরণের যে তথ্য জানানো হয়েছে, পুলিশ সেটি যাচাই করছে। প্রাথমিকভাবে এটিকে স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে মনে হচ্ছে। তবু বিষয়টি তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!