জর্জিয়ায় বড়লেখার ইটালি প্রবাসির মৃত্যু- লাশ পৌঁছে দিতে সরকারের প্রতি বাবা-মা ও স্ত্রীর আকুতি – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জর্জিয়ায় বড়লেখার ইটালি প্রবাসির মৃত্যু- লাশ পৌঁছে দিতে সরকারের প্রতি বাবা-মা ও স্ত্রীর আকুতি বড়লেখায় জুলাই শহীদ দিবসে আলোচনা সভা কমলগঞ্জে শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের রথযাত্রা উৎসব শুরু কমলগঞ্জে সংরক্ষিত বনের ৫একর ভূমি উদ্ধার; অবৈধ স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিল বনবিভাগ বড়লেখায় প্রাইমারি স্কুলের আঙিনায় বৃক্ষ চারা রোপন কার্যক্রমের উদ্বোধন আদালতের নির্দেশে দোকান খুলে নগদ টাকা, মালামাল ও লাইসেন্স না পাওয়ার অভিযোগ: সুষ্ঠু তদন্তের দাবি। আত্রাইয়ে বয়তুল্ল্যাহ সেতুর পাশে ধস: বড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা কমলগঞ্জে হামলা করে স্বামীর কাছ থেকে স্ত্রীকে ছিনতাইয়ের অভিযোগে স্বামীর সংবাদ সম্মেলন কুলাউড়া সদর ইউনিয়নে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের মাঝে সহায়তা বিতরণ কমলগঞ্জে বন্যা কবলিত এলাকায় বিমান বাহিনীর ত্রাণ বিতরণ

জর্জিয়ায় বড়লেখার ইটালি প্রবাসির মৃত্যু- লাশ পৌঁছে দিতে সরকারের প্রতি বাবা-মা ও স্ত্রীর আকুতি

  • বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই, ২০২৬

Manual7 Ad Code

বড়লেখা প্রতিনিধি:

Manual4 Ad Code

৭ বছর প্রবাস জীবন কাটিয়ে আপনজনদের কাছে ফিরতে বিমানে অসুস্থ হয়ে না ফেরার দেশে ফাঁড়ি জমানো ফখরুল ইসলামের মৃতদেহ দেশে পৌঁছানোর ব্যবস্থা নিতে সরকারের প্রতি আকুতি জানিয়েছেন নিহতের বাবা-মা ও স্ত্রী।

Manual2 Ad Code

বুধবার ফখরুল ইসলামের স্ত্রী হাফসা খানম সরকারের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন। এদিকে খোঁজ খবর নিতে নিহতের বাড়িতে স্বজনদের ভিড় অব্যাহত রয়েছে। স্বজনদের জড়িয়ে বাবা-মা ও স্ত্রী কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন ও বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। এখন তাদের একটাই চাওয়া কখন বাড়িতে আসবে ফখরুলের লাশ। ফখরুল ইসলাম বড়লেখা পৌরসভার মহুবন্দ এলাকার আব্দুল ওয়াহিদের ছেলে।

নিহত ফখরুল ইসলামের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ফখরুল ইসলাম প্রায় ৭ বছর পর ইটালি থেকে দেশে ফেরার উদ্দেশ্যে ১৭ জুন তুর্কি এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে ওঠেন। বিমানে আকস্মিকভাবে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে বিমানটি জর্জিয়ার (দুবাইয়ের পার্শবর্তী ছোট্ট দেশ) তিবিলিসি বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে। সেখানকার ইউনিভার্সিটি হসপিটালে তাকে ভর্তি করা হয়। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে তার মৃত্যু ঘটে।

বৃহস্পতিবার নিহত ফখরুল ইসলামের বাড়িতে তার স্ত্রী হাফসা খানম জানান, বর্তমানে মরদেহ উক্ত হাসপাতালের মর্গে সংরক্ষিত রয়েছে। স্বামীর লাশ দেশে আনার মতো আর্থিক অবস্থা তাদের পরিবারের নেই। সরকারিভাবে মরদেহটি দেশে পৌঁছানোর ব্যবস্থা নিলে হয়তো শেষবারের মতো স্বামীর মূখ দেখা হবে। প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় যদি সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত নিয়ে আসার ব্যবস্থা করে, তবে সেখান থেকে মরদেহ গ্রহণ করতে পারবেন।

Manual5 Ad Code

ইউএনও মাহবুব আলম মাহবুব বৃহস্পতিবার বিকেলে জানান, ঘটনাটি খুবই হৃদয় বিদারক। এব্যাপারে সরকারি কোনো নির্দেশনা এখনও তিনি পাননি। সরকারি নির্দেশনা পেলে পরিবারটির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!