কুলাউড়ার তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয়- ১১ মাস থেকে শিক্ষকদের বেতনভাতা বন্ধ – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
রবিবার, ০৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইঞ্জিন বিকল: কমলগঞ্জের লাউয়াছড়ায় ৫ ঘন্টা আটকা ছিলো পাহাড়িকা এক্সপ্রেস বিজয়ী হলে কুলাউড়াকে শান্তির জনপদ হিসেবে গড়ে তুলবো-কুলাউড়ায় নির্বাচনী জনসভায় নওয়াব আলী আব্বাছ “পবিত্রতার সঙ্গে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে হবে”..জেলা প্রশাসক নওগাঁ এশিয়ান টেলিভিশনের চেয়ারম্যান হলেন রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খাঁন সমর্থনে গণসভা ও মিছিল অনুষ্ঠিত ধানের শীষের পক্ষে বাবার জন্য মেয়ের ভোট প্রার্থনা কুড়িগ্রামে ধর্মীয় নেতাদের নিয়ে ৩ দিনব্যাপী বাল্যবিবাহ বন্ধে প্রশিক্ষণের সমাপণী ঢাকা-১১ : কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে আপিল বিভাগে নাহিদ ইসলাম আপনাদের জীবন, সম্পদ আর ইজ্জতের চৌকিদার হতে চাই : জামায়াত আমির বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারে যা রয়েছে  নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

কুলাউড়ার তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয়- ১১ মাস থেকে শিক্ষকদের বেতনভাতা বন্ধ

  • মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২০

Manual5 Ad Code

এইবেলা, কুলাউড়া ::

Manual7 Ad Code

কুলাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী শরীফপুর ইউনিয়নের তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতনভাতা গত ১১ মাস থেকে বন্ধ রয়েছে। ফলে শিক্ষকরা বঞ্চিত হয়েছেন ঈদ উদযাপন থেকে। সেইসাথে মানবেতর জীবন যাপন করছেন বলে জানা গেছে।

Manual1 Ad Code

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম দুর্নীতি ও সেইসাথে শিক্ষিকার সাথে অনৈতিক আচরণের কারণে হয়েছে একাধিক তদন্ত। তাছাড়া গত জানুয়ারি মাস থেকে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় তৈরি হয় নতুন সঙ্কট। কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার একাধিকবার বেতন বিল করার নির্দেশ দিলেও তাতে গুরুত্বই দেননি প্রধান শিক্ষক।

Manual2 Ad Code

জানা যায়, তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ মোট ১১ শিক্ষক কর্মরত আছেন। গত জুলাই মাস থেকে প্রধান শিক্ষক নোমান আহমদ শিক্ষকদের বেতনভাতার বিল করছেন না। ফলে এসব শিক্ষকরা ১১ মাস থেকে বেতনভাতা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। তাছাড়া বিগত ঈদুল ফিতরের সময় বেতনভাতা ও ঈদ বোনাস থেকে বঞ্চিত হন। ফলে তাদের পরিবার পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ উপভোগ থেকে বঞ্চিত হন।

তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক নোমান আহমদের ব্যক্তিগত মোবাইল নাম্বার ০১৭১৩৮১০৬৮১ নম্বরে যোগাযোগ করলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আনোয়ার জানান, এই প্রধান শিক্ষক কারো কথাবার্তা শুনছেন না। তার নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছেন। শিক্ষকরা ইউএনও মহোদয়ের কাছে এসেছিলেন অভিযোগ নিয়ে। বিষয়টি উনি ভালো বলতে পারবেন।

এ ব্যাপারে কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম ফরহাদ চৌধুরী জানান, গত জানুয়ারি মাসে কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। প্রধান শিক্ষককে নতুন কমিটি গঠনের জন্য বললেও তিনি কমিটি গঠনের কোন উদ্যোগ নেননি। তাছাড়া বেতন ভাতার বিল করার জন্য একাধিকবার বললেও গুরুত্ব দেননি। শিক্ষকরা এব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগও করেছেন।#

Manual2 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!