কুলাউড়ার তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয়- ১১ মাস থেকে শিক্ষকদের বেতনভাতা বন্ধ – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে ৯ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল : জেলায় পাসের হার ৪০.৭২%  ওসমানীনগরে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ৩ দফা দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ সিলেট চন্ডীপুল সিএনজি স্টেশনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় : যাত্রীদের হয়রানী দেশের কৃষি ও কৃষকরা উন্নত হলে দেশ-জাতির উন্নতি সাধন সম্ভব –কলিম উদ্দিন আহমেদ মিলন এমপি ছাত‌কে ৮শ পিস ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ‘মুল্লা’ ছালেককে কারাগা‌রে বিদেশমুখীতা ও অভিভাবকদের সচেতনতার অভাবে এ অঞ্চলে শিক্ষারহার নিম্নগামী- তাহসিনা রুশদী লুনা কচাকাটা ডিগ্রি কলেজ নিয়ে অপ্রচার : তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এলাকাবাসী কমলগঞ্জের জমি বিক্রি নিয়ে বিরোধে প্রতিপক্ষের হামলায় যুবক নিহত : আটক ১ বড়লেখায় মাদ্রাসার একাডেমিক ভবন : দেড় বছরের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করতে ৭ বছর পার! বড়লেখায় কেএসকেপি’র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন : সভাপতি তোফায়েল, সম্পাদক মুর্শেদ আলম

কুলাউড়ার তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয়- ১১ মাস থেকে শিক্ষকদের বেতনভাতা বন্ধ

  • মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২০

Manual1 Ad Code

এইবেলা, কুলাউড়া ::

কুলাউড়া উপজেলার সীমান্তবর্তী শরীফপুর ইউনিয়নের তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেতনভাতা গত ১১ মাস থেকে বন্ধ রয়েছে। ফলে শিক্ষকরা বঞ্চিত হয়েছেন ঈদ উদযাপন থেকে। সেইসাথে মানবেতর জীবন যাপন করছেন বলে জানা গেছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের অনিয়ম দুর্নীতি ও সেইসাথে শিক্ষিকার সাথে অনৈতিক আচরণের কারণে হয়েছে একাধিক তদন্ত। তাছাড়া গত জানুয়ারি মাস থেকে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় তৈরি হয় নতুন সঙ্কট। কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার একাধিকবার বেতন বিল করার নির্দেশ দিলেও তাতে গুরুত্বই দেননি প্রধান শিক্ষক।

Manual3 Ad Code

জানা যায়, তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ মোট ১১ শিক্ষক কর্মরত আছেন। গত জুলাই মাস থেকে প্রধান শিক্ষক নোমান আহমদ শিক্ষকদের বেতনভাতার বিল করছেন না। ফলে এসব শিক্ষকরা ১১ মাস থেকে বেতনভাতা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন। তাছাড়া বিগত ঈদুল ফিতরের সময় বেতনভাতা ও ঈদ বোনাস থেকে বঞ্চিত হন। ফলে তাদের পরিবার পরিজনের সাথে ঈদের আনন্দ উপভোগ থেকে বঞ্চিত হন।

Manual7 Ad Code

তেলিবিল উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক নোমান আহমদের ব্যক্তিগত মোবাইল নাম্বার ০১৭১৩৮১০৬৮১ নম্বরে যোগাযোগ করলে ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আনোয়ার জানান, এই প্রধান শিক্ষক কারো কথাবার্তা শুনছেন না। তার নানা অনিয়মের বিরুদ্ধে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়েছেন। শিক্ষকরা ইউএনও মহোদয়ের কাছে এসেছিলেন অভিযোগ নিয়ে। বিষয়টি উনি ভালো বলতে পারবেন।

Manual4 Ad Code

এ ব্যাপারে কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম ফরহাদ চৌধুরী জানান, গত জানুয়ারি মাসে কমিটির মেয়াদ শেষ হয়েছে। প্রধান শিক্ষককে নতুন কমিটি গঠনের জন্য বললেও তিনি কমিটি গঠনের কোন উদ্যোগ নেননি। তাছাড়া বেতন ভাতার বিল করার জন্য একাধিকবার বললেও গুরুত্ব দেননি। শিক্ষকরা এব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগও করেছেন।#

Manual5 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews