জুড়ীর ভবানীগঞ্জ বাজারে সওজ ভুমিতে অবৈধ দোকানপাট রমরমা চাঁদাবাজি বাণিজ্য – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বহুমাত্রিক গুনে ছিলেন অনন্য- বড়লেখায় সাবেক মন্ত্রী ও সিটি মেয়র সাদেক হোসেন খোকা স্মরণে সভা ও দোয়া কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর সীমান্ত- অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে আটজন গ্রেপ্তার ছাতকে ফুটবল টুর্নামেন্টের বিরোধে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ : আহত শতাধিক চা শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন- বড়লেখায় ১৮ চা বাগানে ভোটার ৪ হাজার, প্রশাসনের প্রস্তুতি শুরু বড়লেখায় ইউসি ব্যাংকের ক্যাশলেস লেনদেন বিষয়ক র‌্যালি ও আলোচনা সভা কর্মজীবনের ইতি টানছেন ব্যাংকার সালাহ্ উদ্দিন : গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ভাতিজির সাথে অসমপ্রেম : প্রেমিকার পিতার হাতে যুবক নি হ ত জেলা প্রশাসক ও ইউএনওর কাছে অভিযোগ : ছাতকে নীতিমালা লঙ্ঘন করে পাগনা বড়বিলে মাছ লুটের প্রস্তুতি! খন্ডিত শিক্ষা দিয়ে পূর্ণাঙ্গ মানুষ তৈরি হয় না- ড. আবেদ চৌধুরী জুড়ীতে ১৩ বায়োগ্যাস প্লান্ট প্লান্ট থেকে ৮০ পরিবার বায়োগ্যাস ব্যবহারের সুবিধা পাচ্ছে

জুড়ীর ভবানীগঞ্জ বাজারে সওজ ভুমিতে অবৈধ দোকানপাট রমরমা চাঁদাবাজি বাণিজ্য

  • শুক্রবার, ১ এপ্রিল, ২০২২

Manual4 Ad Code

বিশেষ প্রতিনিধি ::

Manual5 Ad Code

জুড়ী উপজেলার পশ্চিমজুড়ী ইউনিয়নের ভবানীগঞ্জবাজারটি শহরের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাজার। সওজ’র মালিকানাধীন জায়গায় গড়ে ওঠা অবৈধ দোকানপাটে দেদারসে চলছে ব্যবসা বাণিজ্য। পাশাপাশি চলছে প্রতিমাসে লাখ লাখ টাকার চাঁদাবাজি। এ স্থানকে ঘিরে স্বার্থ জড়িত থাকায় ইউনিয়ন পরিষদে মামলাও চলছে একটি। মামলার বাদী বিবাদীগণ বিষয়টিকে মৌলভীবাজার বিচারিক আদালত পর্যন্ত নিয়েছেন। এমনকি এখানে দোকানের বিষয় নিয়ে মারামারি, সংঘর্ষও হয়েছে। উভয়পক্ষই থানায় মামলা রেকর্ড করিয়েছেন। দখলিয় ভুমির অবৈধ দোকানপাটের পজিশন বিক্রি হয় স্ট্যাম্পে। নেই কোনো কর্তৃপক্ষ। যিনি বসে আছেন তিনি ছেড়ে যাবেন, আর যিনি ব্যবসা করবেন তিনি এই পজিশনে বসে দোকানদারি করবেন। এক একটি দোকানের পজিশন বিক্রি করা হয় চার থেকে পাঁচ লাখ টাকায়।

Manual8 Ad Code

অনুসন্ধানে জানা যায় উত্তর ভবানীপুর মৌজার জে.এল নং-২২, আরএস খতিয়ান নং-৩ এর ৩৩৭নং দাগে ২৮ শতক ভূমিতে স্থাপিত ১২০ টি দোকানের মাসিক ভাড়া চার হাজার টাকা করে দিতে হয় দোকানিদের। কিন্তু এই টাকা যায় কোথায় কোনো দোকানিই তা বলতে পারেন না। এমনকি ভবানীগঞ্জবাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মৌলানা আব্দুল মোহাইমিন মুহিনও জানেন না দোকানদারদের ভাড়ার টাকাগুলো যায় কোথায় ? প্রতিমাসে লাখ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করা হয়। অথচ কেউ জানে না টাকাগুলো যায় কোথায়। সরকারি ভূমির পজিশন নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন দু’জন পোল্ট্রি ব্যবসায়ী।

এ নিয়ে তাদের মধ্যে মারামারির ঘটনাও ঘটে। জুড়ী থানা থেকে উভয়কে ৫৪ ধারায় নোটিশও দেয়া হয়েছে। এতসব ঘটে গেলেও এর দায় নিতে চান না কেউই। রহস্য খোঁজতে গিয়ে জানা যায়, ২০১৪ সালে জায়েদুল ইসলাম জায়েদ নামের এক ব্যক্তি একটি পোল্ট্রি দোকানের পজিশন আব্দুর রউফ নামের এক পোল্ট্রি ব্যবসায়ীর নিকট বিক্রি করে তাকে পজিশন বুঝিয়ে না দিয়ে নানারকম টালবাহানার মধ্যে সময় পার করে। ২০২১ সালের ২৪ ডিসেম্বর গোপনে আব্দুল খালেক নামের অপর পোল্ট্রি ব্যবসায়ীর নিকট ১৫ লক্ষ ৯২ হাজার ৬ শত ৮২ টাকায় বিক্রি করে দেয়। সেদিন থেকে রউফ ও খালেক সরকারি ভুমির অবৈধ পোল্ট্রি দোকানের পজিশন নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়ায়। এখন আদালতই ফায়সালা করবেন কে প্রকৃত মালিক সওজ, নাকি আব্দুর রউফ অথবা আব্দুল খালেক।#

Manual1 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews