তিনশ একর জমির বোরো ধান পানির নিচে কুইয়াছড়া নদী খননের দাবি – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর সীমান্ত- অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে আটজন গ্রেপ্তার ছাতকে ফুটবল টুর্নামেন্টের বিরোধে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ : আহত শতাধিক চা শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন- বড়লেখায় ১৮ চা বাগানে ভোটার ৪ হাজার, প্রশাসনের প্রস্তুতি শুরু বড়লেখায় ইউসি ব্যাংকের ক্যাশলেস লেনদেন বিষয়ক র‌্যালি ও আলোচনা সভা কর্মজীবনের ইতি টানছেন ব্যাংকার সালাহ্ উদ্দিন : গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ভাতিজির সাথে অসমপ্রেম : প্রেমিকার পিতার হাতে যুবক নি হ ত জেলা প্রশাসক ও ইউএনওর কাছে অভিযোগ : ছাতকে নীতিমালা লঙ্ঘন করে পাগনা বড়বিলে মাছ লুটের প্রস্তুতি! খন্ডিত শিক্ষা দিয়ে পূর্ণাঙ্গ মানুষ তৈরি হয় না- ড. আবেদ চৌধুরী জুড়ীতে ১৩ বায়োগ্যাস প্লান্ট প্লান্ট থেকে ৮০ পরিবার বায়োগ্যাস ব্যবহারের সুবিধা পাচ্ছে কুড়িগ্রামে ৯ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল : জেলায় পাসের হার ৪০.৭২% 

তিনশ একর জমির বোরো ধান পানির নিচে কুইয়াছড়া নদী খননের দাবি

  • বুধবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৩

Manual5 Ad Code

জুড়ী প্রতিনিধি:: মৌলভীবাজারের জুড়ীতে গৌরাঙ্গ বিল ও খাই বিলে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় এক রাতের বৃষ্টিতে প্রায় তিনশ একর জমির বোরো ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা স্থানীয় কুইয়া ছড়া নদী খননের দাবি জানান।

ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক বশির উদ্দিন, আতিকুর রহমান, দুলাল মিয়া, জয়নাল আবদীন, বাবুল মিয়া, আব্দুস ছালাম, ফরিজ আলী, মামুনুর রশীদ, ধলু মিয়া প্রমুখ বলেন- জুড়ী উপজেলার পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়নের বাছিরপুর, কৃষ্ণনগর, হরিরামপুর, গৌরাঙ্গ ও ধামাই এলাকায় গৌরাঙ্গ বিল ও খাই বিল অবস্থিত। এখানকার বৃষ্টির পানি কুইয়া ছড়া নদী দিয়ে নিষ্কাশন হয়ে হাওরের দিকে প্রবাহিত হয়। উক্ত কুইয়া ছড়া নদী দিয়ে গৌরাঙ্গ বিল ছাড়াও ধলছড়ি, রাঙ্গাউটি ছড়া ও আইনজুড়ী ছড়ার পানি প্রবাহিত হয়। কিন্তু কুইয়া ছড়ায় ধলছড়ি সংযোগ স্থলের নিচের দিক ভরাট হয়ে যাওয়ায় পানি ভাটির দিকে না গিয়ে উজানের দিকে প্রবাহিত হয়। এতে করে গৌরাঙ্গ বিল এলাকায় বিশাল জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। যে কারণে সোমবার ভোর রাতে প্রচন্ড বৃষ্টিতে এখানে ৩/৪শত একর জমির বোরো ধানের মধ্যে প্রায় তিনশ একরের ধান পানিতে তলিয়ে যায়।

Manual1 Ad Code

ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক আতিকুর রহমান বলেন- আমার মত বহু কৃষক ঋন করে বিনিয়োগ করে ফসল ফলিয়েছেন। দেরীতে হলেও মওসুমের প্রথম দিকের বৃষ্টিতে ভালো ধান হয়েছিল। কিন্তু এক রাতের বৃষ্টিতে আমাদের সব স্বপ্ন লন্ডভন্ড হয়ে গেছে। শত শত কৃষকের মাথায় হাত। এখন ঋনের বোঝা বইতে হবে।

স্মরণরায় নালা পানি ব্যবস্থাপনা সমবায় সমিতির সম্পাদক বশির উদ্দিন বলেন- কুইয়া ছড়া ভরাট হয়ে যাওয়া জলাবদ্ধতার কারণ। কুইয়া ছড়া সেতুর নিকট থেকে ফানাই মুখ পর্যন্ত নদী খনন এবং ধামাই রতœা ছড়া (রাতুয়া ছড়া) থেকে কদারাম ছড়ার সাথে খনন করে সংযোগ স্থাপন করে দিলে এ জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান হবে।

Manual8 Ad Code

ইউপি সদস্য জয়নাল আবদীন বলেন- জলাবদ্ধতার কারণে বিশাল এলাকার ধান পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। এখানকার শত শত কৃষক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন।

Manual8 Ad Code

জানতে চাইলে পশ্চিম জুড়ী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আনফর আলী বলেন- এখানকার জলাবদ্ধতা দুর করতে হলে কুইয়া ছড়ায় আড়াই থেকে তিন কিলোমিটার নদী খনন করতে হবে। এ জন্য প্রায় চার মাস আগে আমরা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে প্রস্তাব পাঠিয়েছি।#

Manual7 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews