পর্তুগাল থেকে কফিনবন্দি হয়ে ফিরলেন বড়লেখার রুহান – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৪:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে বিভিন্ন সরকারি দফতরের কর্মচারীদের কর্মবিরতি- ভোগান্তিতে জনগণ  ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আত্রাইয়ে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান ও বিক্ষোভ পবিত্র শবেবরাত আজ ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মাধ্যমেই ইনসাফভিত্তিক রাষ্ট্র গড়া সম্ভব”-ডাক্তার. আখলাক আহমেদ বড়লেখায় মাদক পাচারকারিরা এবার হামলা চালিয়ে পুলিশের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নিল আসামি সংসদ সদস্য প্রার্থীর মাথায় অস্ত্র ঠেকিয়ে চাঁদাবাজি, সেই প্রতারক নাজমুল গ্রেফতার বাংলাদেশের অপ্রকাশিত একটি বই নিয়ে ভারতের সংসদে তোলপাড়! ভোরের কাগজের বড়লেখা প্রতিনিধি মিজানুর রহমান আর নেই কুলাউড়ায় আমীরে জামায়াতের আগমন উপলক্ষে মৌলভীবাজার পুলিশ সুপারের মাঠ পরিদর্শন সুনামগঞ্জ–৫ নির্বাচন: ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণের ভাগ্য নির্ধারণের দিন…..কলিম উদ্দিন আহম‌দে মিলন

পর্তুগাল থেকে কফিনবন্দি হয়ে ফিরলেন বড়লেখার রুহান

  • শনিবার, ৩ জুন, ২০২৩

Manual2 Ad Code

বড়লেখা প্রতিনিধি:

Manual8 Ad Code

মৌলভীবাজারের বড়লেখা পৌরসভার গাজিটেকা এলাকার বাসিন্দা পর্তুগাল প্রবাসী শাহীন আহমদের ছেলে শাহরিয়ার শাহীন (১৮) পর্তুগাল থেকে কপিনবন্দি হয়ে দেশে ফিরলেন ।

Manual6 Ad Code

মৃত্যুর সাতদিন পর শুক্রবার (২ জুন) সন্ধ্যার পর ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি ফ্লাইটে রুহানের লাশ দেশে পৌঁছায়। সেখান থেকে স্বজনরা শনিবার রাত সাড়ে তিনটায় রুহানের লাশ বাড়িতে নিয়ে আসেন। লাশ পৌঁছার পর বাড়িতে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। এসময় বাবা-মা আর স্বজনরা কান্নায় ভেঙে পড়েন। শনিবার সকাল এগারোটায় গাজিটেকা ঈদগাহ প্রাঙ্গণে জানাজা শেষে রুহানের লাশ দাফন করা হয়েছে।

Manual2 Ad Code

শাহরিয়ার শাহীন রুহান। বয়স মাত্র ১৮ বছর। বাবা-মায়ের বড় আদরের ছেলে ছিল সে। তাকে ঘিরে বাবা-মায়ের কতশত আশা-স্বপ্ন ছিল। কিন্তু তাদের সেই আশা আর স্বপ্ন নিভে গেছে। কারণ মরণব্যাধি ব্ল্যাড ক্যান্সার তাদের আদরের ছেলে রুহানের জীবনপ্রদীপ চিরতরে নিভিয়ে দিয়েছে। গত ২৭ মে পর্তুগালের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুহান মারা যান।

জানা গেছে, শাহরিয়ার শাহীন রুহান চার ভাইয়ের সবার বড়। কয়েকমাস আগে রুহানের ব্লাড ক্যান্সার ধরা পড়ে। চিকিৎসকদের পরামর্শে স্বজনরা তাকে ভারতে নিয়ে যান। সেখানকার একটি হাসপাতালে ভর্তি করে তাকে কেমোথেরাপি দেওয়া হয়। এতে রুহানের শারিরীক অবস্থার উন্নতি ঘটে। কিছুটা সুস্থ হওয়ায় তার বাবা পর্তুগাল প্রবাসী শাহীন আহমদ তাকে পর্তুগালে নিয়ে যান। সেখানেও একটি হাসপাতালে তাকে ভর্তি করে কেমোথেরাপি দেওয়া হয়। উন্নত চিকিৎসা পেয়ে রুহান ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছিল। কিন্তু কয়েকদিন আগে হঠাৎ রুহান অসুস্থ হয়ে পড়ে। এরপর গত ২৭ মে পর্তুগালের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রুহান মারা যায়।

শনিবার সকালে রুহানের বাড়িতে গিয়ে দেখা গেছে, লাশবাহী গাড়িতে রুহানের মরদেহ রাখা। তাকে শেষ দেখার জন্য আত্মীয়-স্বজন ও সহপাঠীরা ভীড় জমাচ্ছেন। এসময় তার লাশ দেখে অনেকে কান্নায় ভেঙে পড়েন।

রুহানের চাচা মাওলানা শাহেদ আহমদ জুয়েল জানান, রুহানকে তিনি কোলেপিঠে করে মানুষ করেছেন। রুহান তাদের বড় আদরের ভাতিজা ছিল। তার মৃত্যুতে তাদের পরিবারের শোকের ছায়া নেমেছে। তিনি রুহানের আত্মার মাগফেরাতের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন।

Manual2 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!