জুড়ীতে শ্রমিক হত্যাকান্ডে ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বহুমাত্রিক গুনে ছিলেন অনন্য- বড়লেখায় সাবেক মন্ত্রী ও সিটি মেয়র সাদেক হোসেন খোকা স্মরণে সভা ও দোয়া কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর সীমান্ত- অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে আটজন গ্রেপ্তার ছাতকে ফুটবল টুর্নামেন্টের বিরোধে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ : আহত শতাধিক চা শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন- বড়লেখায় ১৮ চা বাগানে ভোটার ৪ হাজার, প্রশাসনের প্রস্তুতি শুরু বড়লেখায় ইউসি ব্যাংকের ক্যাশলেস লেনদেন বিষয়ক র‌্যালি ও আলোচনা সভা কর্মজীবনের ইতি টানছেন ব্যাংকার সালাহ্ উদ্দিন : গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ভাতিজির সাথে অসমপ্রেম : প্রেমিকার পিতার হাতে যুবক নি হ ত জেলা প্রশাসক ও ইউএনওর কাছে অভিযোগ : ছাতকে নীতিমালা লঙ্ঘন করে পাগনা বড়বিলে মাছ লুটের প্রস্তুতি! খন্ডিত শিক্ষা দিয়ে পূর্ণাঙ্গ মানুষ তৈরি হয় না- ড. আবেদ চৌধুরী জুড়ীতে ১৩ বায়োগ্যাস প্লান্ট প্লান্ট থেকে ৮০ পরিবার বায়োগ্যাস ব্যবহারের সুবিধা পাচ্ছে

জুড়ীতে শ্রমিক হত্যাকান্ডে ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

  • বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৩
প্রতীকি ছবি

Manual8 Ad Code

 

Manual2 Ad Code

জুড়ী প্রতিনিধি  :: মৌলভীবাজারের জুড়ীতে প্রতিপক্ষের হামলায় শ্রমিক সেলিম মিয়া নিহতের মামলায় ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। বুধবার (২৯ নভেম্বর ২০২৩) মৌলভীবাজার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারক আলোচিত এ মামলার রায় দেন। এতে মোট ১৮ জন আসামীর মধ্যে ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং অপর ১৪ আসামীদের সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় তাদের মামলা হতে বেকসুর খালাস প্রদান করা হয়।

জানা যায়, ২০২১ সালের ১৫ এপ্রিল জুড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা অফিকুলের নেতৃত্বে স্থানীয় কিছু সন্ত্রাসী জুড়ী উপজেলার হাসনাবাদ এলাকার মাহতাব আহমদের মৎস্য খামার জোর পূর্বক দখল করতে গেলে উভয় পক্ষের শ্রমিক ও মালিকদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

Manual7 Ad Code

এতে উভয় পক্ষের ৭-৮ জন শ্রমিক গুরুতর আহত হোন।এদের মধ্যে গুরুতর আহত অফিকুল বাহিনীর শ্রমিক সেলিম মিয়াকে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানের কতব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।সেলিম মিয়া স্থানীয় রেমান মিয়ার ছেলে।

Manual5 Ad Code

এ ঘটনায় সেলিম মিয়ার পিতা রেমান মিয়া বাদী হয়ে হাসনাবাদ গ্রামের মৃত রমুজ মিয়ার ছেলে মাহতাব মিয়া ও তার পুত্র মাজহারুল ইসলাম, মাজেদুল ইসলাম, মৃত আবুলের পুত্র আব্দুর রশিদ সহ ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করলে প্রায় তিন বছর পর কোর্ট এ হত্যাকান্ডের রায় প্রদান করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামী মাহতাব আহমদকে কোর্টে হাজির করা হয় এবং বাকি আসামীদের মধ্যে মাহতাব আহমদের দুই ছেলে মাজহারুল ইসলাম,মাজেদুল ইসলাম ও আবুল হোসেন পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews