ভারতে সাজাভোগের পর ৪২ বাংলাদেশীর দেশে প্রত্যাবর্তন – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বহুমাত্রিক গুনে ছিলেন অনন্য- বড়লেখায় সাবেক মন্ত্রী ও সিটি মেয়র সাদেক হোসেন খোকা স্মরণে সভা ও দোয়া কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর সীমান্ত- অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে আটজন গ্রেপ্তার ছাতকে ফুটবল টুর্নামেন্টের বিরোধে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ : আহত শতাধিক চা শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন- বড়লেখায় ১৮ চা বাগানে ভোটার ৪ হাজার, প্রশাসনের প্রস্তুতি শুরু বড়লেখায় ইউসি ব্যাংকের ক্যাশলেস লেনদেন বিষয়ক র‌্যালি ও আলোচনা সভা কর্মজীবনের ইতি টানছেন ব্যাংকার সালাহ্ উদ্দিন : গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ভাতিজির সাথে অসমপ্রেম : প্রেমিকার পিতার হাতে যুবক নি হ ত জেলা প্রশাসক ও ইউএনওর কাছে অভিযোগ : ছাতকে নীতিমালা লঙ্ঘন করে পাগনা বড়বিলে মাছ লুটের প্রস্তুতি! খন্ডিত শিক্ষা দিয়ে পূর্ণাঙ্গ মানুষ তৈরি হয় না- ড. আবেদ চৌধুরী জুড়ীতে ১৩ বায়োগ্যাস প্লান্ট প্লান্ট থেকে ৮০ পরিবার বায়োগ্যাস ব্যবহারের সুবিধা পাচ্ছে

ভারতে সাজাভোগের পর ৪২ বাংলাদেশীর দেশে প্রত্যাবর্তন

  • সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২০

Manual6 Ad Code

৩০ বছর পর বাবা-ছেলের মিলন

Manual2 Ad Code

আব্দুর রব, বড়লেখা থেকে :

Manual1 Ad Code

বড়লেখার ২ যুবকসহ ৪২ বাংলাদেশী ভারতের বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে (কারাগার) সাজাভোগের পর দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন বিভিন্ন বয়সী নারী, পুরুষ ও শিশু। যাদের সাজার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও বছরের পর বছর ভারতের বিভিন্ন কারাগারে বন্দী ছিলেন।

Manual5 Ad Code

০২ নভেম্বর সোমবার বিকেলে বিয়ানীবাজারের শেওলা সীমান্ত দিয়ে বিএসএফ ও ভারতীয় সীমান্ত পুলিশ তাদেরকে বিজিবি ও ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে। ৩০ বছর পর ছেলের সাথে দেশে প্রত্যাবর্তনকারী বাবার দেখা হলে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। আসামের গোহাটিস্থ বাংলাদেশ দুতাবাসের সহকারী হাইকমিশনার তানভীর মনসুর রনি ও মৌলভীবাজারের সমাজকর্মী অমলেন্দু কুমার দাসের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় ভারতের বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে থাকা সাজার মেয়াদ শেষ হওয়া এসব বন্দীরা তাদের পরিবার-পরিজনের কাছে ফিরে এসেছে।

Manual4 Ad Code

বিয়ানীবাজার বিজিবি ও ইমিগ্রেশন পুলিশ সুত্রে জানা গেছে, দেশে প্রত্যাবর্তনকারীদের মধ্যে রয়েছেন পিরোজপুর জেলার ৪ পরিবারেরই ১৬ জন, বাঘেরহাটের ৩ জন, চট্টগ্রামের ৬ জন, মৌলভীবাজার ও সিলেটের ৭ জন, দিনাজপুরের ১ জন, গোপালগঞ্জের ১জন, নোয়াখালীর ১ জন, কুমিল্লার ১ জনসহ মোট ৪২ জন নারী, পুরুষ ও শিশু।

বিকেল ৪ টায় বিএসএফ ও ভারতীয় সীমান্ত পুলিশ বিয়ানীবাজার বিজিবি, থানা পুলিশ ও শেওলা ইমিগ্রেশন পুলিশের নিটক প্রত্যাবর্তনকারী বাংলাদেশীদের হস্তান্তর করেছে। এসময় করিমগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মায়াঙ্ক কুমার, বিয়ানীবাজার থানার ওসি কল্লোল রায়, মৌলভীবাজার সদর উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা ও ভারতের কারাগারে সাজাভোগী বাংলাদেশীদের দেশে প্রত্যাবর্তন কাজের সমন্বয়কারী সমাজকর্মী অমলেন্দু কুমার দাস, শেওলা ইমিগ্রেশন পুলিশ চোকপোস্টের ইনচার্জ এসআই আবুল কালাম, বিজিবি বড়গ্রাম ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার সুবেদার জসিম উদ্দিন, বিয়ানীবাজার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. নয়ন কুমার মল্লিক প্রমুখ উপিস্থিত ছিলেন।

কুমিল্লার লাঙ্গলকোট থানার মন্তাজ মিয়া ৩০ বছর আগে ভারতে নিখোঁজ হন। পরিবারের লোকজন ধরেই নিয়েছিল তিনি আর জীবিত নেই। আসামের গোহাটীর বাংলাদেশ দুতাবাসের সহকারী হাইকমিশনার তানভীর মনসুর রনি ও মৌলভীবাজারের সমাজকর্মী অমলেন্দু কুমার দাসের তৎপরতায় তার সন্ধান পায় পরিবার। তাকে নিতে শেওলা সীমান্তে আসেন তার ৩১ বৎসরের যুবক ছেলে আমির হোসেন। ৩০ বছর পর ছেলেকে পেয়ে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন মন্তাজ মিয়া (৬৬)। এসময় শেওলা চেকপোষ্টে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।

শেওলা চেকপোষ্টের ইনচার্জ এসআই আবুল কালাম জানান, ভারত থেকে সাজাভোগের পর ৪২ জন বাংলাদেশী তার চেকপোষ্ট এলাকা দিয়ে সোমবার বিকেলে দেশে প্রত্যাবর্তন করেছেন। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে তাদের স্বজনরা তাদেরকে নিতে পূর্ব থেকেই অপেক্ষা করছিলেন। মেডিকেল টেষ্টসহ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে স্বজনদের নিকট প্রত্যাবর্তনকারীদের বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews