বড়লেখায় দপ্তরি আর অভিভাবকরা নিচ্ছেন প্রাথমিকের বার্ষিক পরীক্ষা – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় ব্যতিক্রমী কর্মসূচি ‘শেষ বিদায়ের সাজ’র উদ্বোধন কুড়িগ্রামে পরিবেশ বান্ধব গ্রাম ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণে শেয়ারিং ও উদযাপন  জুড়ীতে অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার কুলাউড়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে সীমানা দেয়াল নির্মাণ : ১০ হাজার টাকা জরিমানা নবীগঞ্জে প্রাইমারী বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কুলাউড়ার লংলা কলেজে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আত্রাইয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণের শুভ উদ্বোধন  আত্রাইয়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন  ওসমানীনগর উপজেলা হাসপাতালের মেডিকের অফিসার ছুটি না নিয়েই সাড়ে ৩ মাস ধরে কানাডায় ডা. শাহিনুর কুলাউড়ার পৃথিমপাশা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে এমবিবিএস  ডাক্তার নিয়োগ ও ২৫ শয্যা হাসপাতালে উন্নীতকরণের দাবিতে মানববন্ধন

বড়লেখায় দপ্তরি আর অভিভাবকরা নিচ্ছেন প্রাথমিকের বার্ষিক পরীক্ষা

  • মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২৫

Manual4 Ad Code

বড়লেখা প্রতিনিধি:

Manual8 Ad Code

বড়লেখায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষকরা করছেন কর্মবিরতি। প্যারা শিক্ষক, দপ্তরি আর অভিভাবকরা নিচ্ছেন বার্ষিক পরীক্ষা। প্রধান শিক্ষক শূন্য স্কুলের বার্ষিক পরীক্ষা স্থগিত করে আন্দোলনের নামে স্কুলে বসে সহকারি শিক্ষকরা করছেন কর্মবিরতি। তবে, কোনো কোনো স্কুলের সহকারি শিক্ষকরা ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা থেকে নিয়েছেন শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা।

Manual2 Ad Code

জানা গেছে, বড়লেখায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ১৫১টি। মঙ্গলবার শুরু হয়েছে প্রাথমিকের প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষায়। অনেক স্কুলে প্রথম দিনের ইংরেজি বিষয়ের পরীক্ষা হয়নি। নানা দাবিতে আন্দোলনে থাকা সহকারি শিক্ষকরা স্কুলে উপস্থিত থাকলেও অংশ নেননি বার্ষিক পরীক্ষা গ্রহণের কোনো কার্যক্রমে। তবে, কিছু স্কুলের সহকারি শিক্ষকরা বিবেকের তাড়নায় প্রধান শিক্ষকদের সাথে অংশ নিয়েছেন পরীক্ষা গ্রহণ কার্যক্রমে।

সরেজমিনে উপজেলার উত্তর শাহবাজপুর ইউনিয়নের সায়পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, দ্বিতীয় শিফটে দুইটি হলে চলছে তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির পরীক্ষা। এক হলে ডিউটি করছেন প্যারা শিক্ষক দিপা আক্তার ও অন্য হলে স্কুলের দপ্তরী সোয়েল আহমদ। প্রধান শিক্ষক মো. মাতাউর রহমান জানান, তিনি ছাড়াও কর্মরত সহকারি শিক্ষক রয়েছেন ৫ জন। তারা স্কুলে উপস্থিত কিন্তু কর্মবিরতির কারণে পরীক্ষাগ্রহণের কার্যক্রমে অংশ নেননি। বাধ্য হয়ে তিনি একজন প্যারা শিক্ষক ও দপ্তরিকে দিয়ে সকালের শিফট ও বিকেলের শিফটের পরীক্ষা নিচ্ছেন। ভবানিপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য। সহকারি শিক্ষক আশোক আচার্য্য ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে থাকলেও তিনিসহ তিনজন সহকারি শিক্ষক নেননি প্রথম দিনের পরীক্ষা। পরীক্ষা দিতে আসা ছাত্র-ছাত্রীরা মাঠে খেলাধুলা করছে। নান্দুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, দুইজন সহকারি শিক্ষক কমনরুমে সময় পার করছেন। দুইটি পরীক্ষা হলের একটিতে ডিউটি করছেন দুইজন নারী অভিভাবক ও অন্যটিতে প্রধান শিক্ষক মোছা. রাজিয়া বেগম। এদিকে দক্ষিণভাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, প্রধান শিক্ষক ও সহকারি শিক্ষকরা প্রথম দিনের বার্ষিক পরীক্ষা নিচ্ছেন। সহকারি শিক্ষক হোসেনে আরা জানান, কর্মবিরতি অব্যাহত থাকলেও ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা থেকে প্রধান শিক্ষকের সাথে আমাদের স্কুলের সকল সহকারি শিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা নিচ্ছি।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার জোবায়ের আলম জানান, তিনি ও সহকারি শিক্ষা অফিসাররা সারা দিন বিভিন্ন স্কুল পরিদর্শন করেছেন। প্রথম দিনের বার্ষিক পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে চলতে দেখেছেন।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!