হাকালুকি হাওরে ৩৯হাজার ৫শত জলজ গাছের চারা রোপন- – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ০৯:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কুলাউড়ায় স্বেচ্ছাশ্রমে এক কিলোমিটার রাস্তা মেরামত করলো নতুন কুঁড়ি ক্লাব জুড়ীতে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্বামী গ্রেফতার : দুই শিশু সন্তানের আর্তনাদে এলাকায় বিষাদ বড়লেখা সীমান্তে ভারতীয় মাদক ব্যবসায়ি আটক পরিচয়পত্র আধার কার্ড জব্দ সংবাদ সম্মেলন :: কুলাউড়ায় আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে প্রাণ নাশের হুমকি ও  জমি দখলের অভিযোগ জুড়ীতে শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগ : ইউএনও বরাবর আবেদন ফেঞ্চুগঞ্জে নৌকায় বজ্রপাত রাজনগরের ৩ বড়শি শিকারির মৃত্যু প্রকাশিত সংবাদের নিন্দা ও প্রতিবাদ আত্রাইয়ে রেললাইনের পাশে পড়েছিলো লাশ ওসমানীনগরে সংস্কৃতি কেন্দ্রের উদ্যোগে হিজরি নববর্ষ উদযাপন ও আলোচনা  সিলেট বিভাগের বিদ্যুৎ উন্নয়ন মেগা প্রকল্প: হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি : ধামাচাপা দিতে সক্রিয় সিন্ডিকেট

হাকালুকি হাওরে ৩৯হাজার ৫শত জলজ গাছের চারা রোপন-

  • রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; module: j; hw-remosaic: 0; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: 32768; cct_value: 0; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 111.74202; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~15: 0.0;

Manual4 Ad Code

হাওরে গড়ে উঠবে মাছ ও পাখিদের অভয়াশ্রম সেইসাথে রক্ষা পাবে উদ্ভিদ ও জীববৈচিত্র্য

Manual1 Ad Code

আজিজুল ইসলাম, হাকালুকি থেকে ফিরে ::

এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকির উদ্ভিদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় লাগানো হয়েছে ৩৯ হাজার ৫ শত জলজ গাছের চারা। আর এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে হাওরে মাছ ও অতিথি পাখিদের অভয়াশ্রম গড়ে উঠবে। এমনকি এসব জলাবন বা সোয়াম ফরেস্ট প্রকৃতি প্রেমিদেরও কাছে টানবে। ফলে পর্যটন ক্ষেত্রে এবং হাওর তীরের মানুষের জীবন জীবিকায়নে উন্নয়ন সাধিত হবে।

হাকালুকি হাওরে এক সময় প্রচুর জলজ বন ছিল এবং এগুলো বন বিভাগের আওতায় ছিল। কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বন বিভাগের আওতা থেকে ভুমি মন্ত্রণালয়ের কাছে হাওরের ভুমির দ্বায়িত্ব চলে যাওয়ার পর প্রয়োজনীয় তদারকির অভাবে হাওরের জলজ বনগুলো মানুষের বেপরোয়া আহরণ এবং বন কেটে জমি তৈরির কারণে আস্তে আস্তে বিলুপ্ত হতে থাকে। শুধু উদ্ভিদ নয় হাওর তীরের মানুষের অনিয়ন্ত্রিত ও অপরিকল্পিত কর্মকান্ডে হুমকির মুখে পড়ে পরিবেশ। ফলে ১৯৯৯ সালে হাকালুকি হাওরকে (ইকোলজিক্যাল ক্রিটিক্যাল এরিয়া বা ইসিএ) প্রতিবেশগত সঙ্কটাপন্ন এরিয়া হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

২০০০ সালে পরিবেশ অধিদপ্তর হাকালুকি হাওরে প্রথম উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করে। ২০০৩ সালে হাকালুকি হাওরে পরিবেশ অধিদপ্তরের ’সিডব্লিউবিএমপি’ প্রকল্প চালু হওয়ার সময় মাত্র দুটি জায়গায় অল্প পরিমানে হিজল ও করচের ছোট ছোট গাছ ছিল।

Manual8 Ad Code

পরবর্তীতে পরিবেশ অধিদপ্তরের সিডব্লিউবিএমপি প্রকল্পের মাধ্যমে সিএনআরএস হাকালুকি হাওরের অনেকগুলো কান্দাতে হিজল ও করচের চারা রোপণ করে, সেই সাথে অনেক গুলো কান্দাকে সংরক্ষণের আওতায় আনা হয়। তারই প্রেক্ষিতে হাকালুকি হাওরের জল্লা বিল, মালাম বিল, সাতবিলা বিল, চৌলা বিল, পিংলা বিল, টোলার বিল, নাগুয়া-লরিবাই বিল, কাংলি বিল, শিংজুড়ি বিল, হাওয়া-বর্না বিল এর কান্দা এবং কাটা গাং ও বিরালী খালের পাড়ে রোপণকৃত জলজ বন ও সংরক্ষণের ফলে প্রাকৃতিক ভাবে গজানো হিজল, করচ ও বরুন গাছের বন দেখা যায়। যার আয়তন হবে আনুমানিক ১৬০ হেক্টর।

হাকালুকি হাওরে যেসব এলাকায় সম্প্রতি এসব জলজ উদ্ভিদের চারা লাগানো হয়েছে তা হলো- কুলাউড়া উপজেলার নাগুয়া-লরিবাই বিলের কান্দায় ৫ হাজার, জুড়ী উপজেলার চাতলা, নামা তরুল, নাগুয়া-ধলিয়া বিলের কান্দায় ১৪ হাজার ৫শত বড়লেখা উপজেলার জল্লা ও মালাম বিলের কান্দায় ১৫হাজার এবং ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বিরালী খালের পাড়ে ৫হাজার হিজল, করচ ও বরুন গাছের চারা রোপণ করা হয় এবং এসব চারা রক্ষায় ৮ জন পাহারাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সেই সাথে গরু-মহিষের দ্বারা ক্ষতি থেকে রক্ষায় দেওয়া হয়েছে বাঁশের বেড়া।

সরেজমিনে হাকালুকি হাওরে গেলে দেখা যায়, নতুন সৃজিত জলজ গাছের চারা নতুন কুড়ি মেলেছে। চলতি বর্ষা মৌসুমের আগেই চারাগুলো ডালপালা মেলতে শুরু করবে। বর্ষা মৌসুমে পানিতে তলিয়ে গেলেও চারাগুলো মরবে না বলে জানান চারা লাগানোর কাজে নিয়োজিতরা।

Manual7 Ad Code

হাকালুকি হাওরে কর্মরত সিএনআরএস নবপল্লব কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান জানান, এইসব জলজ বন সংরক্ষণে উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে সেন্টার ফর ন্যাচারাল রিসোর্স স্টাডিজ (সিএনআরএস) ফরেন এন্ড কমনওয়েলথ ডেভেলপমেন্ট অফিসের অর্থায়নে ‘নবপল্লব’ প্রকল্পের মাধ্যমে ১১ জন পাহারাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সেই সাথে হাকালুকি হাওরে জলজ বনের পরিমান বাড়ানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন বিল ও খালের কান্দায় ৩৯ হাজার ৫ শত হিজল, করচ ও বরুন গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।

এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে হাকালুকি হাওরে বর্ষায় মাছ এবং শীতকালে অতিথি পাখির অভয়াশ্রম হবে। সর্বোপরি হাওরের প্রাকৃতিক ভারসাম্য ফিরে আসবে।##

Manual5 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!