হাকালুকি হাওরে ৩৯হাজার ৫শত জলজ গাছের চারা রোপন- – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় ব্যতিক্রমী কর্মসূচি ‘শেষ বিদায়ের সাজ’র উদ্বোধন কুড়িগ্রামে পরিবেশ বান্ধব গ্রাম ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণে শেয়ারিং ও উদযাপন  জুড়ীতে অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার কুলাউড়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে সীমানা দেয়াল নির্মাণ : ১০ হাজার টাকা জরিমানা নবীগঞ্জে প্রাইমারী বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কুলাউড়ার লংলা কলেজে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আত্রাইয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণের শুভ উদ্বোধন  আত্রাইয়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন  ওসমানীনগর উপজেলা হাসপাতালের মেডিকের অফিসার ছুটি না নিয়েই সাড়ে ৩ মাস ধরে কানাডায় ডা. শাহিনুর কুলাউড়ার পৃথিমপাশা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে এমবিবিএস  ডাক্তার নিয়োগ ও ২৫ শয্যা হাসপাতালে উন্নীতকরণের দাবিতে মানববন্ধন

হাকালুকি হাওরে ৩৯হাজার ৫শত জলজ গাছের চারা রোপন-

  • রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; module: j; hw-remosaic: 0; touch: (-1.0, -1.0); modeInfo: ; sceneMode: 32768; cct_value: 0; AI_Scene: (-1, -1); aec_lux: 111.74202; hist255: 0.0; hist252~255: 0.0; hist0~15: 0.0;

Manual4 Ad Code

হাওরে গড়ে উঠবে মাছ ও পাখিদের অভয়াশ্রম সেইসাথে রক্ষা পাবে উদ্ভিদ ও জীববৈচিত্র্য

Manual5 Ad Code

আজিজুল ইসলাম, হাকালুকি থেকে ফিরে ::

Manual3 Ad Code

এশিয়ার বৃহত্তম হাওর হাকালুকির উদ্ভিদ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় লাগানো হয়েছে ৩৯ হাজার ৫ শত জলজ গাছের চারা। আর এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে হাওরে মাছ ও অতিথি পাখিদের অভয়াশ্রম গড়ে উঠবে। এমনকি এসব জলাবন বা সোয়াম ফরেস্ট প্রকৃতি প্রেমিদেরও কাছে টানবে। ফলে পর্যটন ক্ষেত্রে এবং হাওর তীরের মানুষের জীবন জীবিকায়নে উন্নয়ন সাধিত হবে।

হাকালুকি হাওরে এক সময় প্রচুর জলজ বন ছিল এবং এগুলো বন বিভাগের আওতায় ছিল। কিন্তু স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে বন বিভাগের আওতা থেকে ভুমি মন্ত্রণালয়ের কাছে হাওরের ভুমির দ্বায়িত্ব চলে যাওয়ার পর প্রয়োজনীয় তদারকির অভাবে হাওরের জলজ বনগুলো মানুষের বেপরোয়া আহরণ এবং বন কেটে জমি তৈরির কারণে আস্তে আস্তে বিলুপ্ত হতে থাকে। শুধু উদ্ভিদ নয় হাওর তীরের মানুষের অনিয়ন্ত্রিত ও অপরিকল্পিত কর্মকান্ডে হুমকির মুখে পড়ে পরিবেশ। ফলে ১৯৯৯ সালে হাকালুকি হাওরকে (ইকোলজিক্যাল ক্রিটিক্যাল এরিয়া বা ইসিএ) প্রতিবেশগত সঙ্কটাপন্ন এরিয়া হিসেবে ঘোষণা করা হয়।

২০০০ সালে পরিবেশ অধিদপ্তর হাকালুকি হাওরে প্রথম উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করে। ২০০৩ সালে হাকালুকি হাওরে পরিবেশ অধিদপ্তরের ’সিডব্লিউবিএমপি’ প্রকল্প চালু হওয়ার সময় মাত্র দুটি জায়গায় অল্প পরিমানে হিজল ও করচের ছোট ছোট গাছ ছিল।

Manual7 Ad Code

পরবর্তীতে পরিবেশ অধিদপ্তরের সিডব্লিউবিএমপি প্রকল্পের মাধ্যমে সিএনআরএস হাকালুকি হাওরের অনেকগুলো কান্দাতে হিজল ও করচের চারা রোপণ করে, সেই সাথে অনেক গুলো কান্দাকে সংরক্ষণের আওতায় আনা হয়। তারই প্রেক্ষিতে হাকালুকি হাওরের জল্লা বিল, মালাম বিল, সাতবিলা বিল, চৌলা বিল, পিংলা বিল, টোলার বিল, নাগুয়া-লরিবাই বিল, কাংলি বিল, শিংজুড়ি বিল, হাওয়া-বর্না বিল এর কান্দা এবং কাটা গাং ও বিরালী খালের পাড়ে রোপণকৃত জলজ বন ও সংরক্ষণের ফলে প্রাকৃতিক ভাবে গজানো হিজল, করচ ও বরুন গাছের বন দেখা যায়। যার আয়তন হবে আনুমানিক ১৬০ হেক্টর।

হাকালুকি হাওরে যেসব এলাকায় সম্প্রতি এসব জলজ উদ্ভিদের চারা লাগানো হয়েছে তা হলো- কুলাউড়া উপজেলার নাগুয়া-লরিবাই বিলের কান্দায় ৫ হাজার, জুড়ী উপজেলার চাতলা, নামা তরুল, নাগুয়া-ধলিয়া বিলের কান্দায় ১৪ হাজার ৫শত বড়লেখা উপজেলার জল্লা ও মালাম বিলের কান্দায় ১৫হাজার এবং ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার বিরালী খালের পাড়ে ৫হাজার হিজল, করচ ও বরুন গাছের চারা রোপণ করা হয় এবং এসব চারা রক্ষায় ৮ জন পাহারাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সেই সাথে গরু-মহিষের দ্বারা ক্ষতি থেকে রক্ষায় দেওয়া হয়েছে বাঁশের বেড়া।

সরেজমিনে হাকালুকি হাওরে গেলে দেখা যায়, নতুন সৃজিত জলজ গাছের চারা নতুন কুড়ি মেলেছে। চলতি বর্ষা মৌসুমের আগেই চারাগুলো ডালপালা মেলতে শুরু করবে। বর্ষা মৌসুমে পানিতে তলিয়ে গেলেও চারাগুলো মরবে না বলে জানান চারা লাগানোর কাজে নিয়োজিতরা।

হাকালুকি হাওরে কর্মরত সিএনআরএস নবপল্লব কর্মকর্তা তৌহিদুর রহমান জানান, এইসব জলজ বন সংরক্ষণে উপজেলা প্রশাসনের অনুমতি সাপেক্ষে সেন্টার ফর ন্যাচারাল রিসোর্স স্টাডিজ (সিএনআরএস) ফরেন এন্ড কমনওয়েলথ ডেভেলপমেন্ট অফিসের অর্থায়নে ‘নবপল্লব’ প্রকল্পের মাধ্যমে ১১ জন পাহারাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। সেই সাথে হাকালুকি হাওরে জলজ বনের পরিমান বাড়ানোর লক্ষ্যে বিভিন্ন বিল ও খালের কান্দায় ৩৯ হাজার ৫ শত হিজল, করচ ও বরুন গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।

Manual5 Ad Code

এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে হাকালুকি হাওরে বর্ষায় মাছ এবং শীতকালে অতিথি পাখির অভয়াশ্রম হবে। সর্বোপরি হাওরের প্রাকৃতিক ভারসাম্য ফিরে আসবে।##

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!