মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার বরমচাল ইউনিয়নের কালিয়ারআগা গ্রামের পাহাড় থেকে গাছের সাথে ঝুলন্ত অবস্থা থেকে আব্দুল জলিল (৩২) নামক এক যুবকের লাশ মঙ্গলবার ০৭ এপ্রিল রাত ১১ টায় উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত আব্দুল জলিল কালিয়ারআগা গ্রামের আছর উদ্দিনের ছেলে।
পরিবারের দাবি তাকে আব্দুল জলিল আত্মহত্যা করার নয়, তাকে পরিকল্পতিভাবে হত্যা করা হয়েছে। এলাকাবাসীও ঘটনায় হতবাক। ঘটনাটি হত্যা না আত্মহত্যা তারা এই ঘচনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন।
নিহতের স্ত্রী জানান, বাড়ি ফিরতে দেরি হওয়ায় বুধবার রাত ১১ টায় তার স্বামীকে খোঁজতে বেরিয়ে বাড়ির পাশে পাহাড়ী এলাকার একটি গাছের সাথে আব্দুল জলিলের লাশ ঝুলতে দেখেন। দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কুলাউড়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি আরও জানান, আমার স্বামী আব্দুল জলিল বিদেশ যাওয়ার জন্য দেড় লাখ টাকা দেন আমার বড় বোনের মেয়ের জামাইকে। বিদেশ যাওয়া নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ চলছে। তাছাড়া বাড়ীর পাশের হাওড়ে জমি নিয়ে বিরোধ রয়েছে পার্শ্ববতী বাড়ির লোকজনের সাখে । এসব বিষয় নিয়ে তিনি মানসিক যন্ত্রণায় ছিলেন। এই দুই ঘটনার সাথে জড়িতরা তার স্বামীকে হত্যা করে গাছের সাথে ঝুলিয়ে রাখতে পারে বলে তিনি দাবি করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও কুলাউড়া থানার এসআই আফছর ভূঁইয়া জানান, ঘটনাটি হত্যা না আত্মহত্যা ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে নিহত আব্দুল জলিলের পারিবারিক বিরোধ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আরও তদন্ত চলছে।#