কুলাউড়ায় বেগমানপুর বিদ্যালয়ের ভূমি দাতা সদস্য নিয়ে ধূম্রজাল: দুই পক্ষের উত্তেজনা – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চা শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন- বড়লেখায় ১৮ চা বাগানে ভোটার ৪ হাজার, প্রশাসনের প্রস্তুতি শুরু বড়লেখায় ইউসি ব্যাংকের ক্যাশলেস লেনদেন বিষয়ক র‌্যালি ও আলোচনা সভা কর্মজীবনের ইতি টানছেন ব্যাংকার সালাহ্ উদ্দিন : গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ভাতিজির সাথে অসমপ্রেম : প্রেমিকার পিতার হাতে যুবক নি হ ত জেলা প্রশাসক ও ইউএনওর কাছে অভিযোগ : ছাতকে নীতিমালা লঙ্ঘন করে পাগনা বড়বিলে মাছ লুটের প্রস্তুতি! খন্ডিত শিক্ষা দিয়ে পূর্ণাঙ্গ মানুষ তৈরি হয় না- ড. আবেদ চৌধুরী জুড়ীতে ১৩ বায়োগ্যাস প্লান্ট প্লান্ট থেকে ৮০ পরিবার বায়োগ্যাস ব্যবহারের সুবিধা পাচ্ছে কুড়িগ্রামে ৯ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ ফেল : জেলায় পাসের হার ৪০.৭২%  ওসমানীনগরে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ৩ দফা দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ সিলেট চন্ডীপুল সিএনজি স্টেশনে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় : যাত্রীদের হয়রানী

কুলাউড়ায় বেগমানপুর বিদ্যালয়ের ভূমি দাতা সদস্য নিয়ে ধূম্রজাল: দুই পক্ষের উত্তেজনা

  • মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬

Manual1 Ad Code

এইবেলা, কুলাউড়া ::

Manual8 Ad Code

মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় একটি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভূমি দাতা পরিবারের সদস্য নিয়ে জটিলতা দেখা দিয়েছে। এ নিয়ে এলাকায় দুই পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে। যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন এলাকার সাধারণ লোকজন। বিষয়টি সুরাহার লক্ষে ডিসি ও ইউএনও বরাবর পৃথক লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।

লিখিত অভিযোগ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, কুলাউড়া উপজেলার জয়চন্ডী ইউনিয়নের ২৪ নং বেগমানপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাকালীন সময় হতে বিদ্যালয়টি সরকারি ভূমিতে স্থাপিত। কিন্তু ইদানিং কালে একই এলাকার বিজন চন্দ্র দাস ও তাঁর পরিবারের লোকজন বিদ্যালয়ের ভূমি তাদের পূর্ব পুরুষের দেওয়া বলে দাবী তুলেন। আর এটি নিয়েই এলাকায় দুটি পক্ষের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। এক পক্ষ ‘এসএ’ এবং ‘আরএস’ পর্চা হাতে নিয়ে বলছেন, বিদ্যালয়টি সরকারি জায়গায় স্থাপিত। বিজন চন্দ্র দাসের পক্ষ বলছেন, এটি তাদের পূর্ব পুরুষদের দেওয়া সম্পত্তি। এনিয়ে শান্তিপ্রিয় এলাকায় এখন দুটি পক্ষের মধ্যে চাপা ক্ষোভ বিরাজ করছে। যে কোন সময় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা করছেন এলাকার সাধারণ লোকজন।

Manual4 Ad Code

এ বিষয়ে স্থানীয় এলাকার বাসিন্দা এবং ওয়ার্ড সদস্য বিমল দাস জানান, ৫৬ সালের এসএ পর্চায় বেগমানপুর ফ্রি প্রাইমারী স্কুল, পক্ষে ম্যানেজিং কমিটি এবং বর্তমান আরএস পর্চায় খতিয়ান নং-৬২৮, জেএল নং-২৭, দাগ নং-১৬৮৫, ৩২ শতক এই জমির মালিকানায় বাংলাদেশ সরকার, পক্ষে শিক্ষা বিভাগ স্পষ্ট লেখা রয়েছে। এছাড়াও মন্তব্য কলামে বিদ্যালয়ের নাম উল্লেখিত আছে।

এত কিছু থাকার পরেও বিজন চন্দ্র দাস ওই জমিটি তার পূর্ব পুরুষের দাবী করে স্কুলে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করছেন। বারবার বলার পরেও বিদ্যালয়ের ভূমিদাতার কোনো দালিলিক প্রমাণাদি সাধারণ সভায় উত্থাপন করতে পারেন নাই তিনি।

বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখার পরিবেশ সৃষ্টি এবং এলাকার শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে বিদ্যালয়ের ভূমির কাগজপত্রাদি যাচাই করে ভূয়া দাতা সদস্য অপসারণের যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আবেদন করেছেন ইউপি সদস্যসহ এলাকার লোকজন।

এ বিষয়ে বিজন চন্দ্র দাস জানান, এলাকার প্রবীণ সকলেই জানেন এটি তাদের মৌরশী সম্পত্তি। তাদের দাদা বৃন্দাবন দাস এই জায়গাটি স্কুলের জন্য দান করেছেন। এর আগের কমিটিগুলোতেও দাতা সদস্য হিসাবে আমাদের পরিবারের লোকজনই ছিলেন। বর্তমানে গুটিকয়েক ব্যাক্তি তাদের পরিবারকে হেনস্তা করার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে। ইউএনও অফিসে তারা যে আবেদন করেছিলেন সেটি মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) তদন্ত করে সত্যতা পেয়েছেন যে, বিদ্যালয়ের ভূমি দাতা আমরাই ছিলাম এবং সে মোতাবেক পরবর্তী কমিটি করার জন্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকাকে নির্দেশনা দিয়েছেন। যারা তাদের পরিবারকে হেনস্তা করার চেষ্টা করছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেবেন বলেও জানান বিজন চন্দ্র দাস।

Manual8 Ad Code

পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দা ও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আতিকুর রহমান ইমরান জানান, বিজন চন্দ্র দাসের পরিবারের লোকজন মুখে বলছেন এটি তাদের মৌরশী সম্পত্তি। কিন্তু কোন দলিলপত্র দেখাতে পারছেন না। এসএ, আরএস, প্রিন্ট পর্চাসহ সকল কাগজেই এটি সরকারি সম্পত্তি এবং বিদ্যালয়ের নামে।

Manual1 Ad Code

এব্যাপারে প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) খোরশেদ আলম জানান, তিনি বিভিন্ন মাধ্যমে খোঁজখবর নিয়ে জেনেছেন যে, বর্তমানে দাতা দাবীদারগণ বিগত সময়েও দাতা সদস্য হিসাবে প্রত্যোকটা কমিটিতে ছিলেন। আজকে যারা প্রতিবাদ করছেন তারাও সেইসময় সেটি মেনে নিয়েই কমিটি করেছেন। আমি সেই মোতাবেকই প্রতিবেদন দিয়েছি।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews