কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান থেকে বিশালাকৃতির সেগুন গাছ পাচার  – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান থেকে বিশালাকৃতির সেগুন গাছ পাচার  কুলাউড়ায় পথচারীকে বাঁচাতে গিয়ে মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যুবক নিহত চিহ্নিত দুর্বলতা কাটিয়ে স্বকীয়তা রক্ষায় মাদরাসা শিক্ষায় আধুনিকায়ন ও সংস্কার জরুরি- জাতীয় ওলামা পরিষদ কমলগঞ্জের আদমপুর বাজার ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির নির্বাচন সম্পন্ন : সভাপতি আনিছ ও সম্পাদক সালেহ কমলগঞ্জের শমশেরনগরে অটোরিক্সা থেকে চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে হামলা : থানায় অভিযোগ কমলগঞ্জে ডাকাতির মিথ্যা মামলা দায়েরে এলাকাবাসীর প্রতিবাদ বদরুল ইসলাম ফাউন্ডেশনের অর্থায়ন- বড়লেখার সুজানগরের গ্রামীণ সড়কে সোলার স্ট্রীট লাইট স্থাপন নেপালের বন্যা: জলবায়ু পরিবর্তন কোনো সীমান্ত মানে না কমলগঞ্জে মহাবতার ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উৎসব পালিত রাজারহাটে শহীদ রাজীব স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলা অনুষ্ঠিত 

কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান থেকে বিশালাকৃতির সেগুন গাছ পাচার 

  • সোমবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

Manual6 Ad Code
কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি::
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে অবস্থিত পরিবেশগতভাবে অত্যন্ত সংবেদনশীল ও সমৃদ্ধ বনাঞ্চল ‘লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান’ থেকে রাতের আঁধারে সাবাড় হচ্ছে বহু বর্ষীয়ান ও বিশালাকৃতির সেগুন গাছ। দেশের অন্যতম প্রধান এই জীববৈচিত্র্য রক্ষাগার থেকে একের পর এক মূল্যবান গাছ উধাও হয়ে যাওয়ায় উদ্যানের সামগ্রিক পরিবেশ ও বন্যপ্রাণীর আবাসস্থল মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সম্প্রতি উদ্যানের গভীর অরণ্য ও পরিধি এলাকা থেকে বিশালাকৃতির বেশ কয়েকটি  সেগুন গাছ কেটে সাবাড় করছে সঙ্ঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র। সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের জানকিছড়া এলাকায় শ্রীমঙ্গল – কমলগঞ্জ সড়কের পাশ থেকে বিশালাকৃতির একটি সেগুন গাছ কেটে পাচার করে নিয়ে যায় পাচারকারী চক্র। স্থানীয়দের অভিযোগ বন বিভাগের নজরদারি ও টহল জোরদার থাকা সত্ত্বেও কীভাবে ধারাবাহিকভাবে এসব মূল্যবান গাছ পাচার হচ্ছে, তা নিয়ে জনমনে তীব্র প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
পরিবেশকর্মী ও স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, এটি নিছক বন বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ‘উদাসীনতা’ কিংবা দায়িত্বে অবহেলা নয়; বরং চোরাকারবারীদের সাথে মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও বিট অফিসারদের এক ধরণের অসৎ বোঝাপড়া বা ‘ম্যানেজ’ প্রক্রিয়ারই ফসল। নিয়মিত টহল থাকা সত্ত্বেও দিনের পর দিন এমন কাণ্ড ঘটে যাওয়া কেবল উদাসীনতা দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না।
স্থানীয় বন্যপ্রাণী রক্ষায় নিয়োজিত কর্মীদের একাংশের ভাষ্য, লাউয়াছড়া শুধু একটি বন নয়, এটি বিলুপ্তপ্রায় উল্লুক সহ বহু দুর্লভ প্রজাতির শেষ আশ্রয়স্থল। যেভাবে প্রকাশ্যে সেগুন ও অন্যান্য দেশীয় বৃক্ষ সাবাড় হচ্ছে, তাতে বন বিভাগকে অবশ্যই সরাসরি জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে। প্রশাসনিক গাফিলতি ও গোপন সমঝোতার কারণে বছরের পর বছর ধরে লাউয়াছড়ার জীববৈচিত্র্য ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে।
গাছ পাচারের অভিযোগ বিষয়ে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তা কাজী নাজমুল হকের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা ‘ম্যানেজ’ বা যোগসাজশের বিষয়টি অস্বীকার করেন। তার দাবি, পর্যাপ্ত জনবলের অভাব এবং উদ্যানের বিশাল আয়তনের কারণে মাঝে মাঝে দুষ্কৃতকারীরা রাতের আঁধারে গাছ কাটার অপচেষ্টা চালায়। বন বিভাগ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে এবং কাটার আলামত পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণসহ মামলা দায়ের করা হচ্ছে।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ মামলার এজাহারে প্রায় সময়ই  ‘অজ্ঞাতনামা’ আসামিদের অভিযুক্ত করায় মূল চোরাকারবারীরা ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যাচ্ছে।
এ বিষয়ে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মো.আবুল কালাম বলেন,গাছ পাচারে কারা জড়িত, আমরা গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করবো, তদন্তে বন বিভাগের কেউ জড়িত থাকলেও তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!