কুলাউড়ায় খাসিয়া বনবিভাগ বিরোধ নিষ্পত্তিতে সম্প্রীতি সমাবেশ- – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ১২:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বিশ্ব বাবা দিবস: সকল বাবাদের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা! বড়লেখা হাজীগঞ্জ বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রার্থীতা ঘোষণা ব্যবসায়ী ফখরুল ইসলাম পারুলের দেশ সেরা বিতার্কিক নির্বাচিত হয়েছে কুলাউড়ার ৫ ক্ষুদে শিক্ষার্থী সি‌লে‌টের গোয়াইনঘাটে নদীপথে চাঁদাবাজি: আটক ১ নৌকা ও নগদ টাকা জব্দ কুলাউড়ায় স্বেচ্ছাশ্রমে এক কিলোমিটার রাস্তা মেরামত করলো নতুন কুঁড়ি ক্লাব জুড়ীতে স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার দায়ে স্বামী গ্রেফতার : দুই শিশু সন্তানের আর্তনাদে এলাকায় বিষাদ বড়লেখা সীমান্তে ভারতীয় মাদক ব্যবসায়ি আটক পরিচয়পত্র আধার কার্ড জব্দ সংবাদ সম্মেলন :: কুলাউড়ায় আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে প্রাণ নাশের হুমকি ও  জমি দখলের অভিযোগ জুড়ীতে শিক্ষার্থী নির্যাতনের অভিযোগ : ইউএনও বরাবর আবেদন ফেঞ্চুগঞ্জে নৌকায় বজ্রপাত রাজনগরের ৩ বড়শি শিকারির মৃত্যু

কুলাউড়ায় খাসিয়া বনবিভাগ বিরোধ নিষ্পত্তিতে সম্প্রীতি সমাবেশ-

  • মঙ্গলবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১

Manual3 Ad Code

ভূমির মালিকানা কাউকে দেয়া হয়নি

Manual5 Ad Code

এইবেলা, কুলাউড়া ::

কুলাউড়া উপজেলায় সামাজিক বনায়নকে ঘিরে খাসিয়া ও বনবিভাগের উপকারভোগীদের মধ্যে সৃষ্ট বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ০৭ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার কর্মধা ইউনিয়নের মুনিপুরী একাডেমিতে এক সম্প্রীতি সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Manual7 Ad Code

কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার এটিএম ফরহাদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সঞ্চালনায় সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য দেন কুলাউড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গোলাম কাওছার দস্তগীর। প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান, বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাকারিয়া, কুলাউড়া উপজেলা চেয়ারম্যান একেএম সফি আহমদ সলমান, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি রফিকুল ইসলাম রেনু, কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ বিনয় ভূষণ রায়, কর্মধা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এমএ রহমান আতিক, পৃথিমপাশা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নবাব আলী বাখর খান, বনবিভাগের পক্ষে রেঞ্জ অফিসার রিয়াজ উদ্দিন, খাসিয়াদের পক্ষে ফ্লোরা বাবলী তালাং ও উপকারভোগীদের পক্ষে হারিছ আলী।

Manual4 Ad Code

বনবিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়, কুলাউড়া উপজেলার সংরক্ষিত বনাঞ্চলে আগে বাঁশ ছিলো। সেই বাঁশের পরিবর্তে এখন আছে পান। এখন আর বাঁশ নেই। মহালও নেই। ৪টি বাঁশ মহাল বিলুপ্ত হয়ে গেছে। সামাজিক বনায়নেও আসছে বাঁধা। তবে সরকার ‘সিলেট বনবিভাগে পুণ:বনায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়ন’ নামে প্রকল্প গ্রহণ করেছে। যার কার্যক্রম শুরু হবে।

অতিথিবৃন্দ তাদের বক্তব্যে বলেন, বনে বাস করতে পারেন। কিন্তু ভূমির মালিকানা কাউকে দেয়া হয়নি। বনের সাথে যাদের আধ্যাত্মিক সম্পর্ক রয়েছে, তারা কখনও বন ধ্বংস করতে পারে না। আর্থিক সম্পর্ক যখন জোরদার হয় তখন বিরোধ সৃষ্টি হয়। আগে এখানে বাঁশ মহাল ছিলো, সরকার রাজস্ব পেতো। এখন পানপুঞ্জিতে শুনেছি ব্যাপক অর্থনৈতিক কর্মকান্ড চলে। কিন্তু সরকার কি পায়? বনের মালিক রাষ্ট্র এবং বনবিভাগ। বনভূমিতে থাকা মানে, কাউকে ভূমির মালিকানা দেয়া হয়নি। এখানে কেউ ব্যক্তি স্বার্থ হাসিলে সফল হবে না। যারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে চলবেন, রাষ্ট্র আপনাদের পাশে থাকবে। তবে অবশ্য ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠির বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে।#

Manual6 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!