হাকালুকি হাওরে বিগত বছরের চেয়ে অতিথি পাখির সংখ্যা কমেছে – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বহুমাত্রিক গুনে ছিলেন অনন্য- বড়লেখায় সাবেক মন্ত্রী ও সিটি মেয়র সাদেক হোসেন খোকা স্মরণে সভা ও দোয়া কুলাউড়া উপজেলার শরীফপুর সীমান্ত- অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে আটজন গ্রেপ্তার ছাতকে ফুটবল টুর্নামেন্টের বিরোধে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষ : আহত শতাধিক চা শ্রমিক ইউনিয়ন নির্বাচন- বড়লেখায় ১৮ চা বাগানে ভোটার ৪ হাজার, প্রশাসনের প্রস্তুতি শুরু বড়লেখায় ইউসি ব্যাংকের ক্যাশলেস লেনদেন বিষয়ক র‌্যালি ও আলোচনা সভা কর্মজীবনের ইতি টানছেন ব্যাংকার সালাহ্ উদ্দিন : গণমাধ্যমকর্মীদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় ভাতিজির সাথে অসমপ্রেম : প্রেমিকার পিতার হাতে যুবক নি হ ত জেলা প্রশাসক ও ইউএনওর কাছে অভিযোগ : ছাতকে নীতিমালা লঙ্ঘন করে পাগনা বড়বিলে মাছ লুটের প্রস্তুতি! খন্ডিত শিক্ষা দিয়ে পূর্ণাঙ্গ মানুষ তৈরি হয় না- ড. আবেদ চৌধুরী জুড়ীতে ১৩ বায়োগ্যাস প্লান্ট প্লান্ট থেকে ৮০ পরিবার বায়োগ্যাস ব্যবহারের সুবিধা পাচ্ছে

হাকালুকি হাওরে বিগত বছরের চেয়ে অতিথি পাখির সংখ্যা কমেছে

  • শনিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২২

Manual8 Ad Code

এইবেলা, কুলাউড়া  ::

হাকালুকি হাওরে চলতি বছর পাখির সংখ্যা কমেছে বলে জানিয়েছেন হাওরে পাখি শুমারি করতে আসা বার্ড ক্লাবের সদস্যরা। গত ১৬ ও ১৭ ফেব্রুয়ারি হাকালুকি হাওরে অনুষ্ঠিত দু’দিনের পাখিশুমারি।

শুমারিতে অংশ নিতে আসা বার্ডক্লাবের সদস্যরা এবার পাখির সঠিক কোন পরিসংখ্যান দেননি। বিগত দিনে শুমারি শেষে মোবাইল ক্ষুদে বার্তায় পাখির পরিসংখ্যান দিলেও এবার তারা কোন তথ্য দিতে রাজি হননি।

সর্বশেষ ২০২১ সালে শুমারি অনুযায়ি হাকালুকি হাওরে ৪৫ প্রজাতির মোট ২৪ হাজার ৫৫১টি জলচর পাখি দেখা গেছে।

Manual5 Ad Code

পাখি বিশেষজ্ঞ ইনাম আল হকের নেতৃত্বে প্রতিবারের মত এবারও পাখি শুমারি পরিচালনা করা হয়। শুমারিতে অংশ নেন বার্ড ক্লাবের সদস্য অণু তারেক, শফিকুর রহমান, আইইউসিএন ও বার্ড ক্লাবের সদস্য জেনিফার আজমেরি, সাকিব আহমেদ। বনবিভাগের সুফল প্রকল্পের অর্থায়নে আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ প্রতিষ্ঠান (আইইউসিএন) এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন (পিওজেএফ) যৌথ উদ্যোগে এবারের শুমারির আয়োজন করা হয়। সহযোগিতায় ছিল বাংলাদেশ বার্ড ক্লাব (বিবিসি)।

Manual7 Ad Code

১৬ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে ৬ সদস্যের দুটি দল দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে হাওরের ছোট-বড় ৪৫টি বিলে শুমারি কাজ শুরু করেন। ১৭ ফেব্রুয়ারিও সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শুমারির কাজ চালানো হয়।
পাখি বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ইনাম আল হক বলেন, শুমারির কাজ শেষ করেছি। শুমারি শেষে পাখির তথ্য আমরা আইইউসিএন এর কাছে জমা দিয়েছি। পাখির তথ্যর বিষয়ে জানতে হলে আইইউসিএন ও বনবিভাগের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

Manual2 Ad Code

শুমারিকালে হাওরের ৪৫টি বিলে বিগত বছরের চেয়েও অনেক কম পাখি দেখা গেছে বলে জানান ইনাম আল হক। তিনি বলেন, চকিয়া বিলে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৬০০টি শামুকখোল পাখির দেখা মিলেছে। এর আগে সর্বোচ্চ তিন হাজার শামুকখোল পাখি এই বিলে দেখা গিয়েছিল।

শুমারির প্রথমদিনে হাকালুকির তেকোনা, হাওরখাল, মেদা, বায়া, গজুয়া, আরামডিঙ্গা, কালাপানি, রঞ্চি, গোয়ালজুর, মালাম, ফুয়ালা, পলোভাঙ্গা, হাওরখাল, কৈয়েরকোনা, মইয়াজুরি, জল্লা, কুকুরডোবা, বালিজুরি, বালিকুরি, মাইসলা, গরসিকোনা, চউলা, পদ্যা, কাটুয়া, দুধাই বিলে। দ্বিতীয় দিন ১৭ ফেব্রুয়ারি হাকালুকির গৌড়কুড়ি, চকিয়া, উজানতরুল, ফুট, হাওয়াবন্যা, হিঙ্গাইজুর, নাগোয়া, লোরিবাই, তল্লার, কাংলি, কুরি, চেনাউরা, পিংলা, পড়তি, আগদার, চাতলা, নামাতরুল, নাগোয়া, ধলিয়া, মাইসলার-ডাক, দিঘর, চান্দারসহ হাওরের ৪৫ টি বিলে পাখিশুমারি চলে।

পাখির সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে পাখি বিশেষজ্ঞ ইনাম আল হক বলেন, হাওরের অনেক বিলে এখন পানি অনেকটা কমে গেছে, তাই পাখির সংখ্যাও কমেছে। কারণ পলি মাটি জমে হাওরের জমি প্রতিনিয়ত উচুঁ হচ্ছে। তাছাড়া এবার শুমারি করতে কিছুটা দেরি হয়েছে। দেরিতে শুমারি হওয়ায় পাখির সংখ্যা কমারও একটি কারণ।

Manual6 Ad Code

তিনি আরও বলেন, শীত মৌসুমে দুর্বৃত্তরা হাওরে বিষটোপ দিয়ে পাখি নিধন করতো। বিষটোপের কারণে স্বাভাবিকের চেয়ে তিন-চার গুণ বেশি পাখি মারা যায়। পাখিরা তাদের জীবন বিপন্ন মনে করলে আর ওই হাওরে ভিড় করে না। পাখি শিকারিদের অবাধ নিধনযজ্ঞে হাওরে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি হুমকির মুখে আছে। পাখির সংখ্যা বাড়াতে হলে বিষটোপে শিকার বন্ধ করতে হবে এবং নিরাপদ অভয়াশ্রম করে তা সংরক্ষণ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews