হাকালুকি হাওরে বিগত বছরের চেয়ে অতিথি পাখির সংখ্যা কমেছে – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় দুই হাজার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে বীজ ও সার বিতরণ বড়লেখায় ঋণগ্রস্থের হতাশায় বিষপানে যুবকের মৃত্যু জুড়ীতে সিটি ব্যাংক শাখার উদ্বোধন কুলাউড়ায় প্রবাসীর জমি জবর দখলের চেষ্টা : আতঙ্কে প্রবাসী পরিবার সি‌লেট সুনামগঞ্জ ও‌ গো‌বিন্দগঞ্জ ছাতক সড়ক-ময়লার ভাগাড়ে জলাবদ্ধতা : দুর্ভোগ কমলগঞ্জে পাহাড়ি ছড়ায় পাওয়া গেল চা শ্রমিক যুবকের লাশ বড়লেখায় কমিউনিটি সেন্টারে চুরি : মালামাল উদ্ধার চোর গ্রেফতার বিশ্ব বাবা দিবস: সকল বাবাদের প্রতি অকৃত্রিম ভালোবাসা! বড়লেখা হাজীগঞ্জ বণিক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রার্থীতা ঘোষণা ব্যবসায়ী ফখরুল ইসলাম পারুলের দেশ সেরা বিতার্কিক নির্বাচিত হয়েছে কুলাউড়ার ৫ ক্ষুদে শিক্ষার্থী

হাকালুকি হাওরে বিগত বছরের চেয়ে অতিথি পাখির সংখ্যা কমেছে

  • শনিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২২

Manual7 Ad Code

এইবেলা, কুলাউড়া  ::

Manual6 Ad Code

হাকালুকি হাওরে চলতি বছর পাখির সংখ্যা কমেছে বলে জানিয়েছেন হাওরে পাখি শুমারি করতে আসা বার্ড ক্লাবের সদস্যরা। গত ১৬ ও ১৭ ফেব্রুয়ারি হাকালুকি হাওরে অনুষ্ঠিত দু’দিনের পাখিশুমারি।

Manual6 Ad Code

শুমারিতে অংশ নিতে আসা বার্ডক্লাবের সদস্যরা এবার পাখির সঠিক কোন পরিসংখ্যান দেননি। বিগত দিনে শুমারি শেষে মোবাইল ক্ষুদে বার্তায় পাখির পরিসংখ্যান দিলেও এবার তারা কোন তথ্য দিতে রাজি হননি।

Manual5 Ad Code

সর্বশেষ ২০২১ সালে শুমারি অনুযায়ি হাকালুকি হাওরে ৪৫ প্রজাতির মোট ২৪ হাজার ৫৫১টি জলচর পাখি দেখা গেছে।

Manual4 Ad Code

পাখি বিশেষজ্ঞ ইনাম আল হকের নেতৃত্বে প্রতিবারের মত এবারও পাখি শুমারি পরিচালনা করা হয়। শুমারিতে অংশ নেন বার্ড ক্লাবের সদস্য অণু তারেক, শফিকুর রহমান, আইইউসিএন ও বার্ড ক্লাবের সদস্য জেনিফার আজমেরি, সাকিব আহমেদ। বনবিভাগের সুফল প্রকল্পের অর্থায়নে আন্তর্জাতিক প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ প্রতিষ্ঠান (আইইউসিএন) এবং প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশন (পিওজেএফ) যৌথ উদ্যোগে এবারের শুমারির আয়োজন করা হয়। সহযোগিতায় ছিল বাংলাদেশ বার্ড ক্লাব (বিবিসি)।

১৬ ফেব্রুয়ারি সকাল থেকে ৬ সদস্যের দুটি দল দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে হাওরের ছোট-বড় ৪৫টি বিলে শুমারি কাজ শুরু করেন। ১৭ ফেব্রুয়ারিও সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শুমারির কাজ চালানো হয়।
পাখি বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ বার্ড ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ইনাম আল হক বলেন, শুমারির কাজ শেষ করেছি। শুমারি শেষে পাখির তথ্য আমরা আইইউসিএন এর কাছে জমা দিয়েছি। পাখির তথ্যর বিষয়ে জানতে হলে আইইউসিএন ও বনবিভাগের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

শুমারিকালে হাওরের ৪৫টি বিলে বিগত বছরের চেয়েও অনেক কম পাখি দেখা গেছে বলে জানান ইনাম আল হক। তিনি বলেন, চকিয়া বিলে সর্বোচ্চ ৫ হাজার ৬০০টি শামুকখোল পাখির দেখা মিলেছে। এর আগে সর্বোচ্চ তিন হাজার শামুকখোল পাখি এই বিলে দেখা গিয়েছিল।

শুমারির প্রথমদিনে হাকালুকির তেকোনা, হাওরখাল, মেদা, বায়া, গজুয়া, আরামডিঙ্গা, কালাপানি, রঞ্চি, গোয়ালজুর, মালাম, ফুয়ালা, পলোভাঙ্গা, হাওরখাল, কৈয়েরকোনা, মইয়াজুরি, জল্লা, কুকুরডোবা, বালিজুরি, বালিকুরি, মাইসলা, গরসিকোনা, চউলা, পদ্যা, কাটুয়া, দুধাই বিলে। দ্বিতীয় দিন ১৭ ফেব্রুয়ারি হাকালুকির গৌড়কুড়ি, চকিয়া, উজানতরুল, ফুট, হাওয়াবন্যা, হিঙ্গাইজুর, নাগোয়া, লোরিবাই, তল্লার, কাংলি, কুরি, চেনাউরা, পিংলা, পড়তি, আগদার, চাতলা, নামাতরুল, নাগোয়া, ধলিয়া, মাইসলার-ডাক, দিঘর, চান্দারসহ হাওরের ৪৫ টি বিলে পাখিশুমারি চলে।

পাখির সংখ্যা কমে যাওয়ার কারণ সম্পর্কে পাখি বিশেষজ্ঞ ইনাম আল হক বলেন, হাওরের অনেক বিলে এখন পানি অনেকটা কমে গেছে, তাই পাখির সংখ্যাও কমেছে। কারণ পলি মাটি জমে হাওরের জমি প্রতিনিয়ত উচুঁ হচ্ছে। তাছাড়া এবার শুমারি করতে কিছুটা দেরি হয়েছে। দেরিতে শুমারি হওয়ায় পাখির সংখ্যা কমারও একটি কারণ।

তিনি আরও বলেন, শীত মৌসুমে দুর্বৃত্তরা হাওরে বিষটোপ দিয়ে পাখি নিধন করতো। বিষটোপের কারণে স্বাভাবিকের চেয়ে তিন-চার গুণ বেশি পাখি মারা যায়। পাখিরা তাদের জীবন বিপন্ন মনে করলে আর ওই হাওরে ভিড় করে না। পাখি শিকারিদের অবাধ নিধনযজ্ঞে হাওরে বিভিন্ন প্রজাতির পাখি হুমকির মুখে আছে। পাখির সংখ্যা বাড়াতে হলে বিষটোপে শিকার বন্ধ করতে হবে এবং নিরাপদ অভয়াশ্রম করে তা সংরক্ষণ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!