রায়হান হত্যাকান্ড: জামিনে মুক্তি আকবর,  হতাশ পরিবার ও সিলেটবাসী – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ০১:৪৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় শিক্ষকদের উদাসীনতায় প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী আহত বড়লেখায় কূপে পড়ে শিশুর মৃত্যু পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন- ছাতকে দু’ গ্রামের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনায় মামলা হয়‌নি  আত্রাইয়ে হেরোইন ও অ্যাম্পুলসহ ২জন মাদক কারবারি গ্রেফতার সাহিত্যের সর্বক্ষেত্রে বিশ্বকবির বিচরণ ছিল দৃঢ় : মির্জা ফখরুল কুড়িগ্রামে খাল পুনঃখনন প্রকল্প উদ্বোধন করবেন ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল  হাবিব  দুলু কমলগঞ্জে স্বামী-স্ত্রী’র বিরোধ : শিশুকে অপহরণ স্টাইলে তুলে নেয়ার চেষ্টা ছাতকে রশিটান খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ আহত ৪ কমলগঞ্জের শমশেরনগর হাসাপাতালদাতা সদস্যের ব্রিটিশ রাজ পরিবারের এমবি খ্যাত প্রাপ্ত নারী উদ্যোক্তার সংবর্ধনা কুলাউড়ায় হাফিজ ছাত্রদের পাগড়ি পরিধান ও এমপিকে সংবর্ধনা

রায়হান হত্যাকান্ড: জামিনে মুক্তি আকবর,  হতাশ পরিবার ও সিলেটবাসী

  • সোমবার, ১১ আগস্ট, ২০২৫

Manual5 Ad Code

এইবেল ডেস্ক ::

সিলেটের বন্দর বাজার পুলিশ ফাঁড়িতে আলোচিত রায়হান উদ্দিন হত্যা মামলার প্রধান আসামি পুলিশের বহিস্কৃত উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়া জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।হাইকোর্ট থেকে জামিনের আদেশ পেয়ে রোববার (১০ আগস্ট) বিকেলে তিনি সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে বের হয়ে যান। এতে হতাশ রায়হানের পরিবার ও সিলেটবাসী।

Manual1 Ad Code

এসআই আকবর দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে নিহত রায়হানের মা সালমা বেগম বলেন,তার জামিনে আমরা হতাশ।

রায়হান হত্যাকালে এসআই আকবর বন্দরবাজার ফাঁড়ির ইনচার্জের দায়িত্বে ছিলেন। তিনিই রায়হানকে ধরে আনেন ও নির্যাতন করেন বলে অভিযোগ।

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার-২ এর ডেপুটি জেলার মনিরুল হাসান বলেন, ‘উচ্চ আদালত থেকে নিম্ন আদালত হয়ে জামিনের কাগজ রোববার আমাদের কাছে পৌঁছায়। পরে আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে বিকেলেই আকবরকে মুক্তি দেওয়া হয়।’

কারাগার সূত্র জানায়, এসআই আকবর প্রথমে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে ছিলেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার-২ চালু হলে গত ২৫ মার্চ তাকে সেখানে স্থানান্তর করা হয়। মুক্তির আগ পর্যন্ত তিনি এখানেই ছিলেন।২০২০ সালের ১০ অক্টোবর গভীর রাতে সিলেট নগরের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে তুলে নিয়ে রায়হান উদ্দিনকে নির্যাতন করা হয়। পরদিন সকালে গুরুতর আহত অবস্থায় সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

Manual2 Ad Code

পরিবারের অভিযোগ, পুলিশের নির্যাতনেই তার মৃত্যু হয়েছিল।এ ঘটনায় পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে রায়হানের স্ত্রীর করা মামলার পর মহানগর পুলিশের একটি অনুসন্ধান কমিটি তদন্ত করে। তারা ফাঁড়িতে নিয়ে রায়হানকে নির্যাতনের সত্যতা পায়। ফাঁড়ির ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াসহ চারজনকে ১২ অক্টোবর সাময়িক বরখাস্ত ও তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়। এরপর পুলিশি হেফাজত থেকে কনস্টেবল হারুনসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে মামলার তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। আকবরকে ৯ নভেম্বর সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। ২০২১ সালের ৫ মে আলোচিত এ মামলার অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেয় পিবিআই।

Manual3 Ad Code

অভিযোগপত্রে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াকে (৩২) প্রধান অভিযুক্ত করা হয়। অন্যরা হলেন সহকারী উপপরিদর্শক আশেক এলাহী (৪৩), কনস্টেবল মো. হারুন অর রশিদ (৩২), টিটু চন্দ্র দাস (৩৮), সাময়িক বরখাস্ত এসআই মো. হাসান উদ্দিন (৩২) ও এসআই আকবরের আত্মীয় কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সংবাদকর্মী আবদুল্লাহ আল নোমান (৩২)।

Manual1 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!