বড়লেখার শাহনাজ পারভীন : শিক্ষক থেকে সফল ব্যবসায়ি – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢল- বড়লেখায় বন্যার আশংকায় প্রস্তুত করা হয়েছে ২৩টি বন্যা আশ্রয়কেন্দ্র বড়লেখা এনসিসি ব্যাংকে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ কুলাউড়ায় অতিবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্থদের মাঝে চাল বিতরণ কমলগঞ্জ টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে নিমজ্জিত হচ্ছে বোরোধান: কৃষকরা হতাশ মে দিবসে মজুরিসহ ছুটি প্রদানের আহবান হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের কমলগঞ্জে শতাধিক পরিবার পানিবন্দি বড়লেখায় জাতীয় আইনগত দিবসে র‌্যালি ও সচেতনতামূলক আলোচনা সভা কুলাউড়ায় পাহাড়ী ঢলে নদী ভাঙনে ১৫ গ্রাম প্লাবিত ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি আত্রাইয়ে কালবৈশাখী ঝড়ে গাছের চাপায় অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যু কমলগঞ্জে কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুত ব্যবস্থা লন্ডভন্ড : ১৭ টি খুঁটি  অর্ধশতাধিত বাড়িঘর আংশিক বিধ্বস্ত 

বড়লেখার শাহনাজ পারভীন : শিক্ষক থেকে সফল ব্যবসায়ি

  • শুক্রবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২২

Manual7 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক, বড়লেখা ::

Manual6 Ad Code

বড়লেখা উপজেলার ঈদগাহ বাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০০১ সালে খন্ডকালিন শিক্ষক হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে কর্মজীবন শুরু করেন শাহনাজ পারভীন চৌধুরী (বি.এড)। ২০০৪ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত বড়লেখা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে চাকরিরত অবস্থায় দ্বিতীয় ছেলের কঠিন অসুখের কারণে শিক্ষকতা পেশার ইতি টানেন। এরপর চাকরির পেছনে না ছুটে একটি সেলাই মেশিন কিনে বাসায় বসে শুরু করেন সেলাইয়ের কাজ। সেখান থেকেই আজ সফল ব্যবসায়ি ও অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জকারী নারী উচ্চ শিক্ষিত শাহনাজ পারভীন চৌধুরী। গত বছর তিনি উপজেলা পর্যায়ে নির্বাচিত হয়েছেন শ্রেষ্ট জয়িতা। বড়লেখায় অসচ্ছল নারীদের উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানে ভবিষ্যতে তিনি একটি গার্মেন্টস শিল্প কারখানা তৈরীর স্বপ্ন দেখছেন।

Manual4 Ad Code

হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার চরগাঁওয়ের বীব মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী ও নূরজাহান বেগম চৌধুরীর মেয়ে শাহনাজ পারভীন চৌধুরী বিবাহ সূত্রে ২০০১ সালে বড়লেখায় আসেন। স্বামী কেছরিগুল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জাহিদ আহমদ খান। ১৯৯৮ সালে বিএসএস ও ২০০০ সালে বিএড ডিগ্রি অর্জন করেন।

Manual8 Ad Code

আলাপচারিতায় জীবনযুদ্ধে সফলতা অর্জনকারি শাহনাজ পারভীন চৌধুরী জানান, ছেলের অসুস্থতা জনিত কারণে শিক্ষকতার চাকরি ছাড়ার পর ছেলের চিকিৎসা ব্যয় ও পরিবারের আর্থিক স্বচ্ছলতার জন্য বাসায় বসে সেলাইয়ের কাজ শুরু করেন। ২০০৮ সালে ঢাকা থেকে থান কাপড় কিনে স্কুল ড্রেস ও আনরেডি ড্রেস বিক্রি শুরু করেন। ক্ষুদ্র ব্যবসায় সফলতা আসছে দেখে উপজেলা সদরের একটি মার্কেটে দোকান কোটা ভাড়া নেন। সেখানে ‘লেডিস কর্ণার এন্ড টেইলার্স’ নাম দিয়ে ব্যবসা শুরু করেন। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ইসলামি ব্যাংক থেকে ৫ লাখ টাকা লোন তুলে বৃদ্ধি করেন ব্যবসার পরিসর। উচ্চ শিক্ষিত হয়েও আর চাকরি খুঁজেননি। সততা, ধৈর্য্য ও প্রচন্ড আত্মবিশ্বাস নিয়ে ব্যবসা চালিয়ে অল্প দিনেই সফলতা অর্জন করেন। জমি কিনে নিজস্ব বাসা তৈরী করেছেন। বর্তমানে ব্যবসায় কমপক্ষে ২৫ লাখ টাকার পুঁজি (বিক্রয়যোগ্য মালামাল) রয়েছে। একটি প্রাইভেট স্কুলের পরিচালক হয়েছেন। ছেলে-মেয়েদের ভালভাবে লেখাপড়া করাতে পারছেন। ভবিষ্যতে বড়লেখায় একটি গার্মেন্টস তৈরীর স্বপ্ন দেখছেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!