অনু গল্প || ভালোবাসি ভালোবাসি || শম্পা দত্ত দাশগুপ্ত – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বড়লেখায় ব্যতিক্রমী কর্মসূচি ‘শেষ বিদায়ের সাজ’র উদ্বোধন কুড়িগ্রামে পরিবেশ বান্ধব গ্রাম ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণে শেয়ারিং ও উদযাপন  জুড়ীতে অটোরিকশা চালকের গলাকাটা লাশ উদ্ধার কুলাউড়ায় সরকারি রাস্তা দখল করে সীমানা দেয়াল নির্মাণ : ১০ হাজার টাকা জরিমানা নবীগঞ্জে প্রাইমারী বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি কুলাউড়ার লংলা কলেজে নজরুল বর্ষ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা আত্রাইয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণের শুভ উদ্বোধন  আত্রাইয়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন  ওসমানীনগর উপজেলা হাসপাতালের মেডিকের অফিসার ছুটি না নিয়েই সাড়ে ৩ মাস ধরে কানাডায় ডা. শাহিনুর কুলাউড়ার পৃথিমপাশা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রে এমবিবিএস  ডাক্তার নিয়োগ ও ২৫ শয্যা হাসপাতালে উন্নীতকরণের দাবিতে মানববন্ধন

অনু গল্প || ভালোবাসি ভালোবাসি || শম্পা দত্ত দাশগুপ্ত

  • শুক্রবার, ২৪ জুলাই, ২০২০

Manual3 Ad Code

মৃনালিনীর সাথে হঠাৎ ই দেখা হয়ে গেল চন্দনের। কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক চন্দন। ক্লাস ছিল ২ টা পর্যন্ত, বাড়ীর দিকে রওনা হয়, আজ আবার ৫ টা থেকে প্রথম বর্ষের কোচিং ক্লাস আছে। বাড়ীতেই পড়ায় সে।

Manual5 Ad Code

হঠাৎ মেয়েলী গলায় পিছন থেকে কে ডাকল, “চন্দন”। ঘুরে দাঁড়িয়ে সমস্ত পৃথিবী টা ওলট পালট হয়ে গেল। ” মৃণালিনী” তুমি? দুজনেই চুপ, কেউ কিছু বলতে পারেনি অনেকক্ষণ।

মৃণালিনী আরো সুন্দরী হয়েছে, সময়ের কাঁটা এগিয়েছে। কলেজের সেই সোনালী দিনগুলো, গঙ্গার ঘাট, কফি হাউস, সিনেমা হল, পার্কের সবুজ ঘাসে, রেস্তোরার টেবিলে — সবাইতো জানতো মৃণালিনী চন্দন ঘরনী হতে চলেছে। কিন্তু সময় সে কথা শোনেনি, শুনতে চায়নি। মৃণালিনীর বাবা অপেক্ষা করেনি, বিদেশে বসবাসকারী এন আর আই পাত্র হাতছাড়া করতে চাইলেন না। মেয়েকে প্রায় জোর করে পাত্রস্থ করলেন। বিয়ের পর মৃণালিনী সাগর পারে স্বামীর সাথে উড়ে গেল। আজ প্রায় পনেরো বছর পর দুজনের দেখা। এখন পায়ে পায়ে দুজনে কফি হাউসে। চন্দন আজ কথা হারিয়েছে, সেই ডাক সাইডে , মেয়ে মহলে তুমুল আলোড়ন তোলা চন্দন। উদাত্ত গলায় মান্না দে গাইছে কলেজ ক্যান্টিনে বসে। সবাই মুগ্ধ।
চন্দন মৃদু গলায় বলে ” কেমন আছো, মৃনাল”?

মৃণালিনী অনেক বেশী প্রগলভা, নিজের কথা, নিজের স্বামীর প্রাচুর্যের কথা, সন্তানদেরসাফল্যের কথা — বলে গেল। চন্দন মৃদু স্বরে বলেছিল, বাবা, মা, ছেলে আর স্ত্রী কে নিয়ে সেও সুখী।

Manual5 Ad Code

মৃণালিনী ব্যাগ থেকে বের করলো ছোট্ট একটা শ্বেত পাথরের তাজমহল, যেটা চন্দন ওকে দিয়েছিল ওদের প্রেমের প্রথম বার্ষিকীতে। বলেছিল এটা আমি সঙ্গেই রাখি, আমার ” ভালোবাসা” — ” চন্দন
আমি এখনো তোমায় ভালোবাসি “। চন্দন বিমূঢ়,

অনেকক্ষণ সময় চলে গেছে, আস্তে আস্তে প্রগাড় গলায় বলে ওঠে — আমার একটা নাম আছে জানতো ” শাজাহান “। আমার ভালোবাসা অক্ষয়,  আমিও ভালোবাসি তোমায় মৃণাল।

Manual3 Ad Code

এইবেলা/জেএইচজে

Manual6 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!