কুড়িগ্রামে পাবজি ও ফ্রি-ফায়ার গেম এ আসক্ত হচ্ছে তরুণরা – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৮৬ কোটি টাকার সড়কে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ : এমপির বিরুদ্ধে কোটি টাকা চাঁদা দাবির পাল্টা অভিযোগ! কমলগঞ্জে যথাযোগ্য মর্যাদায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ৫৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত পল্টন ট্র্যাজেডির সাথে জড়িতদের বিচারের দাবিতে ওসমানীনগরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল পল্টন ট্রাজেডি দিবস উপলক্ষে কুলাউড়ায় জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল ড. মুমিনুল হক অ্যাওয়ার্ড পেলেন চারুকলার জিয়াউল বীরশ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের ৫৫ তম শাহাদৎ বার্ষিকী : রক্তে ভেজা কমলগঞ্জের দলই সীমান্ত বড়লেখায় নিসচা’র উদ্যোগে নিয়মিত হেলমেট পরিধানকারি মোটরসাইকেল আরোহীদের সম্মাননা পাওনা পরিশোধের পর কথা কাটাকাটি- বড়লেখায় চা দোকানির রডের আঘাতে টেইলার খুন আত্রাইয়ে অর্ধশতাধিক গ্রাম পুলিশ পেলেন বাইসাইকেল আহসানগঞ্জ রেলস্টেশন থেকে  উদ্ধারকৃত ২ শিশুর পরিবারের সন্ধান চায় পুলিশ

কুড়িগ্রামে পাবজি ও ফ্রি-ফায়ার গেম এ আসক্ত হচ্ছে তরুণরা

  • রবিবার, ১৫ মে, ২০২২

Manual7 Ad Code
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :: কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন  উপজেলার শিশু, কিশোর, তরুণ এমনকি তরুণীরাও স্মার্টফোন আর অনলাইন ভিত্তিক  গেম ফ্রি-ফায়ার ও পাবজিতে দিন দিন আসক্ত হয়ে পড়ছে।
বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শিশু, কিশোর তরুণ এবং তরুণরীরাও বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের মাঠ, ফাঁকা জায়গাতে বসে মোবাইলে খেলছে। এক তরুণীর সাথে কথা হলে তিনি নাম জানাতে অস্বীকার করে বলেন, এইটা আমার  ফোননা আমার বন্ধুর ফোন তার কাছ থেকে একটু নিলাম খেলতে।
প্রসঙ্গত, ফ্রি-ফায়ার ও পাবজি বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইন গেম। মোবাইল এবং কম্পিউটার দুটোতেই খেলা যায় এই গেম।
তবে ফ্রি-ফায়ার কম্পিউটার ভার্সন থেকে মোবাইল ভার্সনটিই বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
আর এটিতে বেশি আসক্তি হয়েছে শিশু, কিশোর, তরুণ এমনকি তরুণীরাও ।
বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা এই অনলাইন গেমকে, মুঠোফোন, কম্পিউটার বা ভিডিও গেমের ক্ষতিকর ব্যবহারকে রোগ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
সচেতন মহল বলছেন, এসব গেম আসক্তির কারণে শিশু কিশোর ও তরুণরা পারিবারিক সামাজিক অবস্থান থেকে বিচ্যুত হয়ে যাচ্ছে। সাথে পড়াশোনা থেকেও তাদের মনোযোগ কমছে। এই গেমগুলো মানসিক রোগের কারণও হতে পারে। শারীরিক মানসিক রোগের সাথে এই গেমটি একজন শিশু, কিশোর কিংবা তরুণীনের উপর সামাজিক মূল্যবোধের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
গেমটি যেহেতু একটি জায়গাতেই আটকে থেকে খেলতে হয়। তাই, এই গেম খেলা মানুষটি সামাজিকভাবে খুব বেশি সংযুক্ত থাকতে পারে না। আর এই কারণে সামাজিক মূল্যবোধের সাথে সমাজের আচার ব্যবহার থেকেও ধীরে ধীরে দূরে সরে যেতে হয় সেই মানুষটিকে।
এই গেমটি অতিরিক্ত খেলার কারণে চোখের সমস্যাও হতে পারে। আর সেই সাথে দেখা দেয় ঘুমের ঘাটতিও। কম্পিউটার কিংবা মোবাইলের স্ক্রিনে বেশি সময় ধরে তাকিয়ে থাকার কারণে চোখের ক্ষতি হতে পারে। আর চোখের সমস্যার সাথে ঘুমেরও ঘাটতি দেখা দেয় তাদের মধ্যে।
অবিভাবকরা অনলাইন গেম সম্পর্কে ঠিকমতো ধারণা না থাকায় সন্তানের ঠিকমতো খোঁজখবর রাখতে পারেন না।
এ ক্ষেত্রে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি বিশেষ করে অভিভাবকদের ছেলেমেয়েদের বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি।
কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খান মোহাম্মদ শাহরিয়ার জানান , এই গেম থেকে ছেলে ও মেয়েদেরকে সরাতে হলে    অভিভাবকসহ সমাজের সবাই মিলে এ বিষয়ে তদারকি করতে হবে। না করলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ভয়ঙ্কর হতে পারে। তাই সবাইকে সচেতন হওয়া জরুরি।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews