কুড়িগ্রামে পাবজি ও ফ্রি-ফায়ার গেম এ আসক্ত হচ্ছে তরুণরা – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শুক্রবার, ০৮ মে ২০২৬, ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শিল্পী সমিতির নেতৃত্বে লড়বেন দুই কিংবদন্তির সন্তান, বাপ্পারাজ ও মুক্তি নেপথ্যে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে মামলা- জুড়ী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ জুড়ী থানায় ব্যবসায়ি কোম্পানীর ‘পুলিশ চেকপোষ্ট’ সম্বলিত সাইনবোর্ড প্রদান ওসমানীনগরে ১ কোটি ১২ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা জব্দআটক ১ দোয়ারাবাজারে এমপি কলিম উদ্দিন মিলনের দু’শত কোটি টাকার মহাপ্রকল্প ঘোষণা কমলগঞ্জে অভ্যন্তরীণ ৪৯১ টন বোরো ধান সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন কুলাউড়ায় বিবাহ নিবন্ধনে অসঙ্গতির ব্যাখ্যা দিলেন কাজী জুনাইদ আহমদ প্রণোদনা নয় বোরোধান রক্ষায় বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহনের দাবি হাকালুকি পাড়ের কৃষকদের খাদ্যে ভেজাল রোধে ধর্মীয় মূল্যবোধ জাগ্রত করতে হবে —-এমপি লুনা কমলগঞ্জে যুবকের বিরুদ্ধে চুরির অপবাদে অমানষিক নির্যাতন; ভিডিও ভাইরাল

কুড়িগ্রামে পাবজি ও ফ্রি-ফায়ার গেম এ আসক্ত হচ্ছে তরুণরা

  • রবিবার, ১৫ মে, ২০২২

Manual7 Ad Code
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি :: কুড়িগ্রাম জেলার বিভিন্ন  উপজেলার শিশু, কিশোর, তরুণ এমনকি তরুণীরাও স্মার্টফোন আর অনলাইন ভিত্তিক  গেম ফ্রি-ফায়ার ও পাবজিতে দিন দিন আসক্ত হয়ে পড়ছে।
বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, শিশু, কিশোর তরুণ এবং তরুণরীরাও বিভিন্ন স্কুল ও কলেজের মাঠ, ফাঁকা জায়গাতে বসে মোবাইলে খেলছে। এক তরুণীর সাথে কথা হলে তিনি নাম জানাতে অস্বীকার করে বলেন, এইটা আমার  ফোননা আমার বন্ধুর ফোন তার কাছ থেকে একটু নিলাম খেলতে।
প্রসঙ্গত, ফ্রি-ফায়ার ও পাবজি বর্তমান সময়ের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনলাইন গেম। মোবাইল এবং কম্পিউটার দুটোতেই খেলা যায় এই গেম।
তবে ফ্রি-ফায়ার কম্পিউটার ভার্সন থেকে মোবাইল ভার্সনটিই বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।
আর এটিতে বেশি আসক্তি হয়েছে শিশু, কিশোর, তরুণ এমনকি তরুণীরাও ।
বিশ্ব স্বাস্থ্যসংস্থা এই অনলাইন গেমকে, মুঠোফোন, কম্পিউটার বা ভিডিও গেমের ক্ষতিকর ব্যবহারকে রোগ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
সচেতন মহল বলছেন, এসব গেম আসক্তির কারণে শিশু কিশোর ও তরুণরা পারিবারিক সামাজিক অবস্থান থেকে বিচ্যুত হয়ে যাচ্ছে। সাথে পড়াশোনা থেকেও তাদের মনোযোগ কমছে। এই গেমগুলো মানসিক রোগের কারণও হতে পারে। শারীরিক মানসিক রোগের সাথে এই গেমটি একজন শিশু, কিশোর কিংবা তরুণীনের উপর সামাজিক মূল্যবোধের জন্য বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে।
গেমটি যেহেতু একটি জায়গাতেই আটকে থেকে খেলতে হয়। তাই, এই গেম খেলা মানুষটি সামাজিকভাবে খুব বেশি সংযুক্ত থাকতে পারে না। আর এই কারণে সামাজিক মূল্যবোধের সাথে সমাজের আচার ব্যবহার থেকেও ধীরে ধীরে দূরে সরে যেতে হয় সেই মানুষটিকে।
এই গেমটি অতিরিক্ত খেলার কারণে চোখের সমস্যাও হতে পারে। আর সেই সাথে দেখা দেয় ঘুমের ঘাটতিও। কম্পিউটার কিংবা মোবাইলের স্ক্রিনে বেশি সময় ধরে তাকিয়ে থাকার কারণে চোখের ক্ষতি হতে পারে। আর চোখের সমস্যার সাথে ঘুমেরও ঘাটতি দেখা দেয় তাদের মধ্যে।
অবিভাবকরা অনলাইন গেম সম্পর্কে ঠিকমতো ধারণা না থাকায় সন্তানের ঠিকমতো খোঁজখবর রাখতে পারেন না।
এ ক্ষেত্রে সচেতনতা বাড়ানোর পাশাপাশি বিশেষ করে অভিভাবকদের ছেলেমেয়েদের বিষয়ে সচেতন থাকা জরুরি।
কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খান মোহাম্মদ শাহরিয়ার জানান , এই গেম থেকে ছেলে ও মেয়েদেরকে সরাতে হলে    অভিভাবকসহ সমাজের সবাই মিলে এ বিষয়ে তদারকি করতে হবে। না করলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ভয়ঙ্কর হতে পারে। তাই সবাইকে সচেতন হওয়া জরুরি।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!