বড়লেখায় প্রবাসীর স্ত্রী ও স্বজনদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানী, খরিদা ভূমিতে ঝরে পড়ছে পাকা ধান – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
শনিবার, ০৯ মে ২০২৬, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জুড়ীর মনিরুজ্জামান সিলেট বিভাগের শ্রেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান শিল্পী সমিতির নেতৃত্বে লড়বেন দুই কিংবদন্তির সন্তান, বাপ্পারাজ ও মুক্তি নেপথ্যে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে মামলা- জুড়ী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ জুড়ী থানায় ব্যবসায়ি কোম্পানীর ‘পুলিশ চেকপোষ্ট’ সম্বলিত সাইনবোর্ড প্রদান ওসমানীনগরে ১ কোটি ১২ লাখ টাকার ভারতীয় জিরা জব্দআটক ১ দোয়ারাবাজারে এমপি কলিম উদ্দিন মিলনের দু’শত কোটি টাকার মহাপ্রকল্প ঘোষণা কমলগঞ্জে অভ্যন্তরীণ ৪৯১ টন বোরো ধান সংগ্রহ অভিযানের উদ্বোধন কুলাউড়ায় বিবাহ নিবন্ধনে অসঙ্গতির ব্যাখ্যা দিলেন কাজী জুনাইদ আহমদ প্রণোদনা নয় বোরোধান রক্ষায় বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহনের দাবি হাকালুকি পাড়ের কৃষকদের

বড়লেখায় প্রবাসীর স্ত্রী ও স্বজনদের বিরুদ্ধে মামলা দিয়ে হয়রানী, খরিদা ভূমিতে ঝরে পড়ছে পাকা ধান

  • সোমবার, ২ জানুয়ারী, ২০২৩

Manual3 Ad Code

বড়লেখা প্রতিনিধি::

Manual7 Ad Code

বড়লেখায় ফ্রান্স প্রবাসী নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী রহিমা আক্তারের ৬৭ শতাংশ খরিদা কৃষি জমির ওপর জনৈক আব্দুল হক আদালতে পিটিশন মামলা দিয়ে হয়রানী করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। উক্ত ভূমির ওপর ফৌজদারী কার্য বিধির ১৪৪ ধারা জারি থাকায় পাকা ধান ঝরে পড়ছে।

জানা গেছে, ফ্রান্স প্রবাসী উপজেলার পাবিজুরীপার গ্রামের নজরুল ইসলাম পূর্ব-দৌলতপুর মৌজার আরএস ১৪৫ নম্বর দাগের সাইল রকম শ্রেণির ৩৬ শতাংশ ভূমি ২২৫৩ নম্বর দলিলে ভবান ভট্টশ্রী গ্রামের মৃত নুরুজ আলীর স্ত্রী ময়মুন নেছার নিকট থেকে ক্রয় করেন। নিজের নামে নামজারী ও খাজনা পরিশোধ করে বর্গাচাষী দিয়ে তিনি ধান চাষ করেন। এর আগে প্রবাসী নজরুল ইসলামের স্ত্রী রহিমা আক্তার ২০১৮ সালের ৩ অক্টোবর একই দাগের আরো ৩১ শতাংশ ভূমি ২৯৮৫ নম্বর দলিলে মৌরসী মালিক কামিল আহমদ, ফেরদৌসী আক্তার ও ময়মুন নেছার নিকট থেকে ক্রয় করে ভোগারিকার শুরু করেন। উক্ত ভূমি নিজের নামে নামজারী ও খাজনা পরিশোধ করেন। প্রায় ৪ বছর ধরে বর্গাচাষী দিয়ে ধান চাষ করে ফসল ঘরে তুললেও এবার ধান পাকার আগেই ভবান ভট্টশ্রী গ্রামের মৃত ছিফত আলীর ছেলে আব্দুল হক গত ২১ অক্টোবর উক্ত ভূমি নিজের মৌরসী দাবী করে দাঙ্গা-হাঙ্গামার অভিযোগ এনে প্রবাসী নজরুল ইসলামের স্ত্রী রহিমা আক্তার ও তাদের পক্ষের ৫ জনের বিরুদ্ধে বড়লেখা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পিটিশন মামলা (৬৫/২২) দায়ের করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত উক্ত ভূমির ওপর ১৪৪ (স্থিতাবস্থা) জারি করেন।

সরেজমিনে একই দাগের ৩৬ শতাংশ ও ৩১ শতাংশ ভূমির ওপর লাগানো সাইল ধান পেকে ঝরে পড়তে দেখা গেছে। প্রবাসী নজরুল ইসলামের স্ত্রী রহিমা আক্তার অভিযোগ করেন বৈধ কাগজপত্র, নামজারী পর্চা, খাজনা পরিশোধ স্বত্তে¡ও হয়রানীর উদ্দেশ্যে আব্দুল হক তাদের ক্রয়কৃত ভূমির ওপর আদালতে মিথা মামলা দিয়েছে। প্রায় ১৫-২০ আগেই ক্ষেতের ধান পেকে গেছে। ১৪৪ ধারা জারি থাকায় ধান কাটতে পারছেন না। এতে পাকা ধান মাঠেই ঝরে পড়ছে।

Manual3 Ad Code

এব্যাপারে জানতে আব্দুল হকের বাড়িতে গিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। গত ৩ দিন ধরে মোবাইল নম্বরে বারবার যোগাযোগ করা হলে রিং বাজলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এজন্য তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

Manual7 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!