কোন প্রতিকে নির্বাচন করলাম সেটা বড় কথা নয় -এমএম শাহীন – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
কমলগঞ্জের সুনছড়া থেকে অবৈধভাবে সিলিকা বালু লুটের অভিযোগ : বাঁধা দেয়ায় মামলা হামলার হুমকি  ওসমানীনগরে মন্ত্রী ও উপদেষ্টার খাল খনন এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন  কমলগঞ্জে মুন্সীবাড়ির উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে বস্ত্র বিতরণ কুলাউড়ায় জবেদা রউফ ফাউন্ডেশনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ জুড়ীতে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ বড়লেখায় মাসব্যাপী কুরআন প্রশিক্ষণ ও পুরস্কার বিতরণ  বড়লেখায় মশক নিধনে এমপির নেতৃত্বে সমন্বিত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান জুড়ীতে প্রবাসী সমাজসেবক মাহবুব হাসান সাচ্চুর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ওসমানীনগর আব্দুল আজিজ ফাউন্ডেশনের  খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ছাতকে ব্যবসার নামে অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র প্রাণনাশের হুমকি : থানায় অভিযোগ

কোন প্রতিকে নির্বাচন করলাম সেটা বড় কথা নয় -এমএম শাহীন

  • বুধবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩

Manual3 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক :: কোন প্রতিকে নির্বাচন করলাম- সেটা বড় কথা নয়। আমি মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করেন। আগামী নির্বাচনেও অংশ নেবো। এইবেলার সাথে আলাপকালে দু’বারের সাবেক এমপি এমএম শাহীন কথাগুলো বলেন।

তিনি আরও  বলেন, ২০০৮ এবং ২০১৮ সালে ‘এক ভোটে দুই এমপি বলে’ এরা (সুলতান- আব্বাছ) জোট বেঁধে কুলাউড়ার মানুষকে ধোকা দিয়েছে। কুলাউড়াকে পশ্চাৎমুখী (উন্নয়ন বঞ্চিত) করেছে। কুলাউড়ার মানুষকে এই সরকারের উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত করেছে। গত ৫ বছরে নির্বাচিত এমপিও এলাকার উল্লেখযোগ্য কোন উন্নয়ন করেন নি।

Manual6 Ad Code

কুলাউড়ার বিএনপির রাজনীতি যখন সংকটে। তখন প্রয়াত অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমানের হাত ধরে ১৯৯১ সালে কুলাউড়া রাজনীতিতে এমএম শাহীনের যোগদান। অর্থবিত্ত আর চৌকষ নেতৃত্বগুণে ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ৬ষ্ঠ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ধানের শীষ প্রতিক নিয়ে এমপি নির্বাচিত হন। যদি এরপর ১২ জুন ৭ম জাতীয় নির্বাচনে পরাজিত হলেও বিএনপিকে কুলাউড়ায় একটি শক্তিশালী অবস্থানে নিয়ে যান।

Manual4 Ad Code

২০০১ সালের নির্বাচনে মনোনয়নবঞ্চিত হন এমএম শাহীন। সেসময় বিএনপি তথা ৪ দলীয় জোট মনোনয়ন দেয় জামায়াতে ইসলামী তথা ৪ দলীয় জোটের প্রার্থীকে। দলের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে তৎকালীন কেন্দ্রিয় আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মো. মনসুর আহমদকে পরাজিত করে দেশজুড়ে চমক দেখান।

২০০৫ সালে বিএনপিতে ফের যোগদান করলেও ২০০৮ সালে নির্বাচনে ওয়ান ইলেভেন ইস্যুতে মনোনয়ন বঞ্জিত হয়ে স্বতন্ত্র নির্বাচন করেন। এক ভোটে দুই এমপি ইস্যু তুলে জোটবদ্ধ হন সুলতান ও আব্বাছ। পরাজিত হলেও এক লাখ ৫হাজারেরও বেশি ভোট পার শাহীন। এরপর ২০১৪ সালে নির্বাচনে অংশ নেননি তিনি।

২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে ফের জমজমাট হয়ে উঠে কুলাউড়ার রাজনৈতিক অঙ্গন। সুলতান মো: মনসুর বিএনপি জোটে গিয়ে ধানের শীষ প্রতিক নিলে বসে থাকেননি এমএম শাহীন। তিনি বিকল্প ধারায় যোগ দিয়ে মহাজোট থেকে নৌকা প্রতিক নিয়ে অংশ নেন নির্বাচনে।

Manual8 Ad Code

সিলেটের জনসভায় মহাজোট নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে নৌকায় তুলে নেয়ার ঘোষণা দেন। নৌকা প্রতিক নিয়ে এমএম শাহীন ৭৭ হাজার ১৭০ ভোট পান। নির্বাচনের পর থেকে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়ানুষ্ঠানে যোগদানের মাধ্যমে কুলাউড়ায় গণমানুষের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

Manual5 Ad Code

গত প্রায় এক বছর থেকে ইউনিয়নে ইউনিয়নে সভা সমাবেশ ও উঠান বৈঠক করছেন। ২০২৩ সালে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে তাঁর এসব কর্মকান্ড পরিচালনা করছেন বলে এমএম শাহীন জানান।#

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!