কুলাউড়া জংশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার কামালের অপসারণের দাবী – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুলাউড়ায় বেগমানপুর বিদ্যালয়ের ভূমি দাতা সদস্য নিয়ে ধূম্রজাল: দুই পক্ষের উত্তেজনা ছাতকে সুরমা নদীভাঙনে বিলীন স্কুল-মসজিদ নদী : আতঙ্কে বাউসা-কেশবপুরের মানুষ ভূরুঙ্গামারীতে মাদকবিরোধী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত  ওসমানীনগরে ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে ধারালো অস্ত্রসহ আটক ৩ ছাতকে উপজেলা প্রশাসন ও গ্রামবাসীর অভিযানে ২২ অবৈধ ড্রেজার জব্দ কুলাউড়ায় একশ পিছ ইয়াবাসহ পুলিশী অভিযানে ৭ জন গ্রেপ্তার ​কুড়িগ্রামে নদী ভাঙনের হাত থেকে রক্ষার দাবিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ কুলাউড়ায় মনু নদী থেকে অবৈধভাবে বালু বিক্রির দায়ে ইউপি সদস্যের জরিমানা  বড়লেখা প্রেসক্লাবে মতবিনিময় সভা- ব্যক্তিগত স্বার্থে নয়, মানুষের কল্যাণেই রাজনীতি করি : শরীফুল হক সাজু সংবেদনশীল মানুষ হতে হলে বই পড়তে হবে – যুগ্ম সচিব মোস্তফা মোরশেদ

কুলাউড়া জংশনের সহকারী স্টেশন মাস্টার কামালের অপসারণের দাবী

  • শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫

Manual8 Ad Code
এইবেলা ডেস্ক :: মৌলভীবাজারের কুলাউড়া রেলওয়ে জংশনের সহকারী স্টেশন মাস্টারের (এএসএম) কামাল হোসেন কর্তৃক যাত্রীদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ ও হুমকি প্রদানের  অভিযোগ উঠেছে। তাৎক্ষণিক প্রতিবাদে উত্তাল হয় স্টেশন এলাকা। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা মো. মহিউদ্দিনের মধ্যস্থতায় পরিস্থিতি শান্ত হয়। মূহুর্তেই এখবর উপজেলা জুড়ে ছড়িয়ে পড়লে সহকারী স্টেশন মাস্টার কামালের অপসারণ ও শাস্তির দাবি এখন সর্বত্র।
শনিবার (১৬ আগস্ট) দুপুরে কুলাউড়া রেলওয়ে স্টেশনে অপেক্ষমান যাত্রীদের সাথে তিনি অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এতে উপস্থিত যাত্রীসহ সাধারণ মানুষ উত্তেজিত হয়ে প্রতিবাদ শুরু করে। ট্রেনের সময় জিজ্ঞেস করায় এবং ওয়েটিং রুম খুলে দেওয়ার অনুরোধ করলে তিনি যাত্রীদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন এবং ট্রেন বন্ধের ঘোষণা দিলে প্লাটফর্মে থাকা শত শত যাত্রী বিক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা সহকারী স্টেশন মাষ্টারের এ ধরনের কর্মকান্ডের তীব্র প্রতিবাদ জানান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শনিবার দুপুরে কুলাউড়া রেলওয়ে জংশনে কয়েকজন যাত্রী শৌচাগারের চাবি ও ট্রেনের সময়সূচি জানতে চাইলে দায়িত্বে থাকা সহকারী স্টেশন মাস্টার মো. কামাল হোসেন ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। এ সময় তিনি টেলিফোনের রিসিভার ছুড়ে মারেন, যাত্রীদের দিকে তেড়ে আসেন এবং ট্রেন চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন। এসব কারনে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা সিলেটগামী পারাবত এক্সপ্রেস কুলাউড়া স্টেশনে পৌনে ২ ঘন্টা আটকা পড়ে।  পরে কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  মো: মহিউদ্দিনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং পৌনে ২ ঘন্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
কুলাউড়ার সোনাপুর এলাকার বাসিন্দা শফিক আহমদ বলেন, “সহকারী স্টেশন মাস্টার কামাল হোসেন মূলত আওয়ামীলীগের দোসর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে যাত্রীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করছেন। এ ঘটনায় আমরা ক্ষুব্ধ। তার বিরুদ্ধে অনতিবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে হবে।”
প্রেসক্লাব সভাপতি আজিজুল ইসলাম জানান, তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন। তার ভাষায়, “কামাল সাহেবের আচরণ দেখে আমাদের মনে হচ্ছিলো যেন রেলওয়ে স্টেশন ও ট্রেনগুলো তার ব্যক্তিগত সম্পত্তি। একজন সরকারি কর্মকর্তার এমন আচরণ অগ্রহণযোগ্য।”
কুলাউড়া ব্যবসায়ী কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান আখই বলেন, “আমরা ট্রেনের বিভিন্ন দাবি দাওয়া নিয়ে আন্দোলন করছি। সে সময়ও কামাল হোসেন আমাদের চরমভাবে হুমকি দেন। এতে আমরা অত্যন্ত উদ্বিগ্ন।”
এ বিষয়ে কুলাউড়া রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার রোমান আহমেদ বলেন, “ভিডিওটি আমি দেখেছি। বিষয়টি নিয়ে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করেছি। শিগগিরই বিষয়টি সুরাহা হবে।”
এব্যাপারে কুলাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মহিউদ্দিন জানান, স্টেশনের এ পরিস্থিতি শুনে স্টেশনে ছুটে আসি এবং যাত্রী ও স্টেশনে দায়িত্বশীলদের সাথে কথা বলে পরিস্থিতি শান্ত করেছি। বড় মাষ্টারসহ সবাইকে নিয়ে বসে বিষয়টি সমাধান করা হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!