কুলাউড়ায় চাচা-ভাতিজা মুখোমুখি, চলছে বাকযুদ্ধ – এইবেলা
  1. admin@eibela.net : admin :
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
জুড়ীতে অসহায় মানুষের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ বড়লেখায় মাসব্যাপী কুরআন প্রশিক্ষণ ও পুরস্কার বিতরণ  বড়লেখায় মশক নিধনে এমপির নেতৃত্বে সমন্বিত পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান জুড়ীতে প্রবাসী সমাজসেবক মাহবুব হাসান সাচ্চুর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ওসমানীনগর আব্দুল আজিজ ফাউন্ডেশনের  খাদ্যসামগ্রী বিতরণ ছাতকে ব্যবসার নামে অর্ধকোটি টাকা হাতিয়ে নিল প্রতারক চক্র প্রাণনাশের হুমকি : থানায় অভিযোগ কমলগঞ্জের খুচরা দোকানগুলোতে জ্বালানি তেল সংকটে দুর্ভোগ বড়লেখার সুজানগর ইউনিয়ন বিএনপির ইফতার মাহফিল আত্রাইয়ে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা কমলগঞ্জে বছরের প্রথম কালবৈশাখি ঝড়ে বিদ্যুৎ ব্যবস্থা লন্ডভন্ড

কুলাউড়ায় চাচা-ভাতিজা মুখোমুখি, চলছে বাকযুদ্ধ

  • রবিবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৪

Manual7 Ad Code

এইবেলা, কুলাউড়া ::

Manual3 Ad Code

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা পরিষদ নির্বাচন (প্রথম ধাপ) যতই ঘনিয়ে আসছে ততই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। দলের ৩ প্রার্থীর মধ্যে সভাপতি রফিকুল ইসলাম রেনু এবং সাধারণ সম্পাদক আসম কামরুল ইসলাম পরস্পর বিরোধী বক্তব্যে সরগরম হয়ে উঠছে নির্বাচনী মাঠ।

আর এসব বিষয়গুলো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যামে ভোটারদের কাছেও ছড়িয়ে পড়ছে। যা নিয়ে উপজেলা জুড়ে তোলপাড় চলছে।

Manual4 Ad Code

কুলাউড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রেনু (আনারস প্রতিক) অভিযোগ করে বলেন, আমার নির্বাচনী কার্যালয় (যা আগে ছিলো উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়) আমার নিজ নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে সরকারের কাছ থেকে বন্দোবস্ত নিয়েছি। কামরুল (সাধারণ সম্পাদক) হুমকি দিয়েছে আমার কার্যালয় ভেঙে ফেলবে, দখল করবে।

Manual8 Ad Code

তিনি আরও বলেন, রাজু তার ভাই কামরুলের পক্ষে ভোট প্রদানের জন্য বিভিন্ন জায়গায় চাপ সৃষ্টি করছেন। এমনকি সিভিল ও পুলিশ প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের তার ভাই কামরুলের পক্ষে কাজ করার জন্য জোর দিচ্ছেন। আসন্ন নির্বাচনকে সুষ্টু ও নিরপেক্ষ রাখতে দ্রুত আইনি প্রতিকার দাবি করেছেন তিনি।

এদিকে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসম কামরুল ইসলাম (কাপ পিরিছি প্রতিক) অভিযোগ করেন, সভাপতির করা অভিযোগ সবই মিথ্যাচার। তিনি হুমকি দিচ্ছেন, কৃষি মন্ত্রী জোরপূর্বক তাকে বিজয়ী করে দেবেন। দলীয় কার্যালয় দখল করে বানিয়েছেন নির্বাচনী অফিস। বিগত ১৫ বছর যেখানে দলীয় কর্মকান্ড পরিচালিত হয়েছে, তা আজ মালিকানা হয়ে গেছে। ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন, তাঁর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা না চালালে তিনি দেখে নেবেন। ফলে অনেকে বাধ্য হয়ে মাঠে কাজ করছেন। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে তিনি দলীয় ক্ষমতা ব্যবহারে নির্বাচনী মাঠকে অশান্ত করে তুলছেন।

তিনি আরও বলেন, বিগত দিনে ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি কাড়ি কাড়ি টাকা, বাড়ি, গাড়ীর মালিক হয়েছেন। ফলে নির্বাচনে কালো টাকা ছড়াচ্ছেন। আর আমরা নির্বাচন করে দিন দিন নি:স্ব হচ্ছি। পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি করে নির্বাচনী ব্যয় পরিশোধ করছি।

এ ব্যাপারে মৌলভীবাজার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শাহীন আকন্দ বলেন, রফিকুল ইসলাম রেনুর একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।#

Manual3 Ad Code

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২২ - ২০২৪
Theme Customized By BreakingNews

Follow for More!